বাড়িতে ডেকে নিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১
jugantor
বাড়িতে ডেকে নিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

  ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

০৯ অক্টোবর ২০২০, ১৯:২২:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রতিবেশী নানা ও চাচা মিলে সংঘবদ্ধভাবে চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নানা গোলাম মোস্তফাকে (৫০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরজন চাচা ইসমাইল (৪০) পলাতক রয়েছে।

সোমবার উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ওই দুইজনের নামে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন রাতেই নানা মোস্তফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেফতার গোলাম উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বাসুদেবকোল এলাকার মৃত সিরাজ আলীর ছেলে।

ওই শিশু মেয়েটি জানায়, চাচা ইসমাইল চাচির কথা বলে বাড়ি থেকে তাদের বাড়িকে ঢেকে নিয়ে যায়। এরপর ঘরে গিয়ে চাচিকে দেখতে পাইনি। এ সময় চলে আসার সময় চাচা আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। এরপর দুইজনে মিলে ধর্ষণ করে। অনেক কান্নাকাটি ও ছেড়ে দিতে বলেছি। কিন্তু ছাড়েনি। পরে বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এর তিনদিন পর পেটে ব্যথা হলে বিষয়টি মা-বাবাকে জানাই।

মেয়েটির মা জানায়, মেয়ে কান্নাকাটি করায় তাকে জিজ্ঞাসা করি কোনো সমস্যা আছে কিনা। পরে মেয়েটা ধর্ষণের ঘটনা জানায়। চাচা ও নানা মিলে তাকে ধর্ষণ করেছে। পরে ঘটনাটি গ্রাম্যভাবে মীমাংসার জন্য অনেক চাপ সৃষ্টি করেছে। আমি ধর্ষকদের ফাঁসির দাবি জানাই যাতে অন্যরা কেউ এ ধরনের কাজ না করে।

ভূঞাপুর থানার ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, সোমবার চতুর্থ শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থীকে প্রতিবেশী চাচা ইসমাইল ঘরে ডেকে নেয়। এরপর দুইজনে মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে মেয়েটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। পরে থানায় মামলা দায়ের পরই পুলিশ অর্জুনা ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাসুদেবকোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের মূলতোহা নানা মোস্তফাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় আরেক ধর্ষক চাচা পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার মোস্তফা মেয়েটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতার মোস্তফাকে শুক্রবার টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

বাড়িতে ডেকে নিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ, গ্রেফতার ১

 ভূঞাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
০৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে প্রতিবেশী নানা ও চাচা মিলে সংঘবদ্ধভাবে চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় নানা গোলাম মোস্তফাকে (৫০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরজন চাচা ইসমাইল (৪০) পলাতক রয়েছে।

সোমবার উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে এ ঘটনার পর বৃহস্পতিবার মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে ওই দুইজনের নামে মামলা দায়ের করেন। ওইদিন রাতেই নানা মোস্তফাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সে পুলিশের কাছে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

গ্রেফতার গোলাম উপজেলার অর্জুনা ইউনিয়নের বাসুদেবকোল এলাকার মৃত সিরাজ আলীর ছেলে।

ওই শিশু মেয়েটি জানায়, চাচা ইসমাইল চাচির কথা বলে বাড়ি থেকে তাদের বাড়িকে ঢেকে নিয়ে যায়। এরপর ঘরে গিয়ে চাচিকে দেখতে পাইনি। এ সময় চলে আসার সময় চাচা আমাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। এরপর দুইজনে মিলে ধর্ষণ করে। অনেক কান্নাকাটি ও ছেড়ে দিতে বলেছি। কিন্তু ছাড়েনি। পরে বিষয়টি কাউকে বললে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এর তিনদিন পর পেটে ব্যথা হলে বিষয়টি মা-বাবাকে জানাই।

মেয়েটির মা জানায়, মেয়ে কান্নাকাটি করায় তাকে জিজ্ঞাসা করি কোনো সমস্যা আছে কিনা। পরে মেয়েটা ধর্ষণের ঘটনা জানায়। চাচা ও নানা মিলে তাকে ধর্ষণ করেছে। পরে ঘটনাটি গ্রাম্যভাবে মীমাংসার জন্য অনেক চাপ সৃষ্টি করেছে। আমি ধর্ষকদের ফাঁসির দাবি জানাই যাতে অন্যরা কেউ এ ধরনের কাজ না করে।

ভূঞাপুর থানার ওসি রাশিদুল ইসলাম জানান, সোমবার চতুর্থ শ্রেণির ওই শিশু শিক্ষার্থীকে প্রতিবেশী চাচা ইসমাইল ঘরে ডেকে নেয়। এরপর দুইজনে মিলে মেয়েটিকে ধর্ষণ করে। বিষয়টি কাউকে জানালে মেয়েটিকে মেরে ফেলার হুমকি দেয় তারা। পরে থানায় মামলা দায়ের পরই পুলিশ অর্জুনা ইউনিয়নের চরাঞ্চল বাসুদেবকোল এলাকায় অভিযান চালিয়ে ধর্ষণের মূলতোহা নানা মোস্তফাকে গ্রেফতার করে। এ ঘটনায় আরেক ধর্ষক চাচা পলাতক রয়েছে। গ্রেফতার মোস্তফা মেয়েটিকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতার মোস্তফাকে শুক্রবার টাঙ্গাইল কোর্টে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন