সাত মাস পর খুলল ঝিনাইদহের বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র
jugantor
সাত মাস পর খুলল ঝিনাইদহের বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র

  ঝিনাইদহ প্রতিনিধি  

০৯ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৬:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

সাত মাস পরে শুক্রবার থেকে ঝিনাইদহের বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র গুলো খুলে দেয়া হয়েছে। তবে যারা ঘুরতে আসবেন তাদের কঠোর ভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

সারা দেশের ন্যায় ১৭ মার্চ থেকে জেলার সব বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হয়। করোনা মহামারিতে উদ্যোক্তারা দিশেহারা হয়ে পড়েন। বেকার হয়ে পড়েন কর্মরত কয়েকশত শ্রমিক কর্মচারী। মানবেতর দিন কাটছিল তাদের। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন জেলার সব বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র গুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

প্রথম দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় কম থাকলেও কয়েক দিনের মধ্যে ভিড় বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথম দিনে যারা এসেছেন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তারা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী পূর্ণা সাহা ও সাথী বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তারা বলেন, বিগত সাত মাস ধরে লকডাউনে ছিলেন। এ সময়ে প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। পার্ক গুলো খুলে দেয়ায় ফলে স্বস্তিবোধ করেছেন তারা।

ঝিনাইদহ জেলায় ছোটবড় অন্তত পাঁচটি বিনোদন পার্ক রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে অন্তত ১২টি। বছর জুড়ে ওইসব স্থান দর্শনার্থীদের পাদচারণায় মুখরিত ছিল। এক শ্রেণীর মানুষ পর্যটন শিল্প কেন্দ্রিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সাত মাস ধরে কষ্টে কেটেছে তাদের দিন। পার্ক গুলো খুলে দেওয়ায় তাদের ঠোটে হাসি ফুটে উঠেছে।

এ অঞ্চলের সর্ববৃহৎ জোহান ড্রিম ভ্যালী পার্ক এন্ড রিসোর্টের মালিক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ব্যাংক ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রে বিনিয়োগকারীরা। করোনা দুর্যোগে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তারা। এ শিল্পর উপর নির্ভরশীল কর্মচারী কর্মকর্তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়েছে। এখন কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবেন তারা। পর্যটনদের আকর্ষণ করতে পার্কগুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।

পার্কে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে এসেছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বদরুদোজা শুভ। তিনি তার অনুভূতির কথা ব্যক্ত করে বলেন, ছুটির দিন থাকায় অনেক দিন পরে তিন সন্তান সঙ্গে নিয়ে পার্কে এসেছেন। অনেক দিন পরে হলেও ভাল লাগছে।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনের সিদ্ধান্তে বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। এতে করে জনপদে প্রাণ ফিরে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

সাত মাস পর খুলল ঝিনাইদহের বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র

 ঝিনাইদহ প্রতিনিধি 
০৯ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সাত মাস পরে শুক্রবার থেকে ঝিনাইদহের বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র গুলো খুলে দেয়া হয়েছে। তবে যারা ঘুরতে আসবেন তাদের কঠোর ভাবে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।

সারা দেশের ন্যায় ১৭ মার্চ থেকে জেলার সব বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়া হয়। করোনা মহামারিতে উদ্যোক্তারা দিশেহারা হয়ে পড়েন। বেকার হয়ে পড়েন কর্মরত কয়েকশত শ্রমিক কর্মচারী। মানবেতর দিন কাটছিল তাদের। এ অবস্থায় স্থানীয় প্রশাসন জেলার সব বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্র গুলো খুলে দেয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।

প্রথম দিনে দর্শনার্থীদের ভিড় কম থাকলেও কয়েক দিনের মধ্যে ভিড় বাড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রথম দিনে যারা এসেছেন উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন তারা।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী পূর্ণা সাহা ও সাথী বন্ধুদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তারা বলেন, বিগত সাত মাস ধরে লকডাউনে ছিলেন। এ সময়ে প্রচণ্ড মানসিক চাপে ছিলেন। পার্ক গুলো খুলে দেয়ায় ফলে স্বস্তিবোধ  করেছেন তারা।

ঝিনাইদহ জেলায় ছোটবড় অন্তত পাঁচটি বিনোদন পার্ক রয়েছে। পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে অন্তত ১২টি। বছর জুড়ে ওইসব স্থান দর্শনার্থীদের পাদচারণায় মুখরিত ছিল। এক শ্রেণীর মানুষ পর্যটন শিল্প কেন্দ্রিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। সাত মাস ধরে কষ্টে কেটেছে তাদের দিন। পার্ক গুলো খুলে দেওয়ায় তাদের ঠোটে হাসি ফুটে উঠেছে।

এ অঞ্চলের সর্ববৃহৎ জোহান ড্রিম ভ্যালী পার্ক এন্ড রিসোর্টের মালিক মো. মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ব্যাংক ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রে বিনিয়োগকারীরা। করোনা দুর্যোগে  আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন তারা। এ শিল্পর উপর নির্ভরশীল কর্মচারী কর্মকর্তাদের মানবেতর জীবন যাপন করতে হয়েছে। এখন কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারবেন তারা। পর্যটনদের আকর্ষণ করতে পার্কগুলো নতুন রূপে সাজানো হয়েছে।

পার্কে সন্তানদের সঙ্গে নিয়ে ঘুরতে এসেছিলেন ঝিনাইদহ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. বদরুদোজা শুভ। তিনি তার অনুভূতির কথা ব্যক্ত করে বলেন, ছুটির দিন থাকায় অনেক দিন পরে তিন সন্তান সঙ্গে নিয়ে পার্কে এসেছেন। অনেক দিন পরে হলেও ভাল লাগছে।

তিনি আরও জানান, প্রশাসনের সিদ্ধান্তে বিনোদন পার্ক ও পর্যটন কেন্দ্রগুলো খুলে দেয়া হয়েছে। এতে করে জনপদে প্রাণ ফিরে আসবে বলে মনে করেন তিনি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন