সন্তানসহ ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রামছাড়া করার পাঁয়তারা
jugantor
সন্তানসহ ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রামছাড়া করার পাঁয়তারা

  নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

১১ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৫৯:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরাইল ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া গ্রামে এক ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রামছাড়া করতে ধর্ষণে অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা করছে। ধর্ষণে অভিযুক্ত একই গ্রামের চান মিয়ার ছেলে মোবারক হোসেন (১৬) ও আকরাম হোসেনের ছেলে রাকিব মিয়া (১৬) জামিনে এসে ধর্ষিতার পরিবারকে ক্রমাগত গ্রামছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে।

ওই ধর্ষিতা কিশোরীর কোলে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশু রয়েছে, তার পিতৃপরিচয়ের জন্য প্রশাসনের শরণাপন্ন হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। অথচ অভিযুক্তরা জামিনে এসে প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী মোবারক হোসেন ও রাকিব মিয়া। ঘটনা কাউকে বললে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় ওই দুজন। এর মধ্যে বেশ কয়েক দিন দুজনে মিলে ধর্ষণ করে মেয়েটিকে।

পরিবারের লোকজন ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় মাতবরদের কাছে বিচার চান। মাতবররা সালিশে বসলেও চাহিদামতো অর্থ না দেয়ায় সিদ্ধান্তে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এর মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়া মেয়েটির শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে চলে যায়। পরে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল ধর্ষণে অভিযুক্ত দুজন ও আট মাতবরের বিরুদ্ধে মামলা নেয়। বর্তমানে আসামিরা সবাই জামিনে।

ভুক্তভোগী মেয়েটি জানায়, তার বাবা দিনমজুর, মা গৃহকর্মী। পিতৃপরিচয়হীন সন্তান নিয়ে ভবিষ্যতে কী হবে, তা সে বলতে পারছে না। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।

সন্তানসহ ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রামছাড়া করার পাঁয়তারা

 নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
১১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ধর্ষণ

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার সিংরাইল ইউনিয়নের হিন্দুপাড়া গ্রামে এক ধর্ষিতার পরিবারকে গ্রামছাড়া করতে ধর্ষণে অভিযুক্তরা বিভিন্নভাবে পাঁয়তারা করছে। ধর্ষণে অভিযুক্ত একই গ্রামের চান মিয়ার ছেলে মোবারক হোসেন (১৬) ও আকরাম হোসেনের ছেলে রাকিব মিয়া (১৬) জামিনে এসে ধর্ষিতার পরিবারকে ক্রমাগত গ্রামছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে।

ওই ধর্ষিতা কিশোরীর কোলে ১৫ মাস বয়সী এক ছেলে শিশু রয়েছে, তার পিতৃপরিচয়ের জন্য প্রশাসনের শরণাপন্ন হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। অথচ অভিযুক্তরা জামিনে এসে প্রকাশ্যে ঘুরাফেরা করছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করে প্রতিবেশী মোবারক হোসেন ও রাকিব মিয়া। ঘটনা কাউকে বললে তাকে মেরে ফেলার হুমকিও দেয় ওই দুজন। এর মধ্যে বেশ কয়েক দিন দুজনে মিলে ধর্ষণ করে মেয়েটিকে।

পরিবারের লোকজন ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় মাতবরদের কাছে বিচার চান। মাতবররা সালিশে বসলেও চাহিদামতো অর্থ না দেয়ায় সিদ্ধান্তে কালক্ষেপণ করতে থাকেন। এর মধ্যেই গর্ভবতী হয়ে পড়া মেয়েটির শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে চলে যায়। পরে পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর পুলিশ মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং ২০১৯ সালের ২৫ এপ্রিল ধর্ষণে অভিযুক্ত দুজন ও আট মাতবরের বিরুদ্ধে মামলা নেয়। বর্তমানে আসামিরা সবাই জামিনে।

ভুক্তভোগী মেয়েটি জানায়, তার বাবা দিনমজুর, মা গৃহকর্মী। পিতৃপরিচয়হীন সন্তান নিয়ে ভবিষ্যতে কী হবে, তা সে বলতে পারছে না। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন