ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে হয়রানির শিকার শায়েস্তাগঞ্জের গ্রাহকরা
jugantor
ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে হয়রানির শিকার শায়েস্তাগঞ্জের গ্রাহকরা

  কামরুজ্জামান আল রিয়াদ, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ)  

১১ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৫৮:১২  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিলের কারণে প্রায়ই হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকরা, অনেককেই আবার গুনতে হচ্ছে জরিমানা।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের প্রভাবে চলমান লকডাউন থাকা অবস্থায় পল্লী বিদ্যুতের লোকবল সংকট ছিল। তখনকার সময়ে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বসেই অনুমান করে পূর্বের মিটারের রিডিং দেখে বিল করা হয়েছিল। কিন্তু লকডাউন শেষ হলেও এর বৃত্ত থেকে এখনও বের হতে পারেনি পল্লী বিদ্যুৎ। প্রতি মাসেই অনেক গ্রাহকের ভুতুড়ে বিল আসে বলে খবর পাওয়া যায়।

এদিকে গ্রাহকরা বিলের কাগজ সঙ্গে নিয়ে জরুরি কাজ ফেলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন। কারও কারও বিল শুধরে দেয়া হয়, আবার কারও কারও বিল জমা দেয়ার নির্দিষ্ট তারিখ শেষ হয়ে গেলে গুনতে হয় জরিমানা।

ভুতুড়ে বিল আসা একজন গ্রাহক শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের সৈয়দ সামছুল আহমেদ। তার আবাসিক মিটারে আগস্ট মাসের বিল এসেছিল ১ হাজার ৪৪৯ টাকা, কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে বিল এসেছে ২২ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহক শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের সৈয়দ রুজেল আহমেদ বলেন, আমার বাবার নামের মিটারে আমি বিল পরিশোধ করে থাকি। সেপ্টেম্বর মাসের বিল দেখে আমি হতবাক হয়েছি। এ রকম ভুল তারা কীভাবে করে। পরে আমি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার রিডার ও বিল বণ্টনকারী আমার বাড়িতে এসে বিল ঠিক করে দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, কম্পিউটারে প্রিন্ট করতে ভুল হয়েছে বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করে ২২ হাজার টাকা থেকে এখন বিল ১ হাজার ২৫০ টাকা করে দিয়েছেন।

শুধু রুজেল আহমেদই নন, সম্প্রতি এভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জের একাধিক সাধারণ গ্রাহক। ফলে পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মো. মোতাহার হোসেন বলেন, আসলে করোনার সময়ে আমাদের লোকবল সংকট ছিল। সে কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল। বর্তমানে আমরা দায়িত্ব পালন করতে করোনার ভয়ডর না রেখেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ভুতুড়ে বিল আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, আসলে যারা রিডিং লিখে আনেন হয়ত একটা ডিজিট ভুলে বেশি লিখে ফেলছেন, সেজন্য বিল বেশি আসছে। তবে যে কোনো সমস্যা আমাদের জানালে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করব।

ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে হয়রানির শিকার শায়েস্তাগঞ্জের গ্রাহকরা

 কামরুজ্জামান আল রিয়াদ, শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) 
১১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিলের কারণে প্রায়ই হয়রানির শিকার হচ্ছেন সাধারণ গ্রাহকরা, অনেককেই আবার গুনতে হচ্ছে জরিমানা।

জানা যায়, করোনাভাইরাসের প্রভাবে চলমান লকডাউন থাকা অবস্থায় পল্লী বিদ্যুতের লোকবল সংকট ছিল। তখনকার সময়ে শায়েস্তাগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে বসেই অনুমান করে পূর্বের মিটারের রিডিং দেখে বিল করা হয়েছিল। কিন্তু লকডাউন শেষ হলেও এর বৃত্ত থেকে এখনও বের হতে পারেনি পল্লী বিদ্যুৎ। প্রতি মাসেই অনেক গ্রাহকের ভুতুড়ে বিল আসে বলে খবর পাওয়া যায়।

এদিকে গ্রাহকরা বিলের কাগজ সঙ্গে নিয়ে জরুরি কাজ ফেলে পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে গিয়ে অভিযোগ করেন। কারও কারও বিল শুধরে দেয়া হয়, আবার কারও কারও বিল জমা দেয়ার নির্দিষ্ট তারিখ শেষ হয়ে গেলে গুনতে হয় জরিমানা।

ভুতুড়ে বিল আসা একজন গ্রাহক শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের সৈয়দ সামছুল আহমেদ। তার আবাসিক মিটারে আগস্ট মাসের বিল এসেছিল ১ হাজার ৪৪৯ টাকা, কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে বিল এসেছে ২২ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী গ্রাহক শায়েস্তাগঞ্জ পৌরসভার বিরামচর গ্রামের সৈয়দ রুজেল আহমেদ বলেন, আমার বাবার নামের মিটারে আমি বিল পরিশোধ করে থাকি। সেপ্টেম্বর মাসের বিল দেখে আমি হতবাক হয়েছি। এ রকম ভুল তারা কীভাবে করে। পরে আমি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলে মিটার রিডার ও বিল বণ্টনকারী আমার বাড়িতে এসে বিল ঠিক করে দিয়ে গেছেন।

তিনি বলেন, কম্পিউটারে প্রিন্ট করতে ভুল হয়েছে বলে তারা দুঃখ প্রকাশ করে ২২ হাজার টাকা থেকে এখন বিল ১ হাজার ২৫০ টাকা করে দিয়েছেন।

শুধু রুজেল আহমেদই নন, সম্প্রতি এভাবে হয়রানির শিকার হচ্ছেন শায়েস্তাগঞ্জের একাধিক সাধারণ গ্রাহক। ফলে পল্লী বিদ্যুতের দায়িত্বশীল কর্মচারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন কেউ কেউ।

এ বিষয়ে হবিগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের জেনারেল ম্যানেজার মো. মোতাহার হোসেন বলেন, আসলে করোনার সময়ে আমাদের লোকবল সংকট ছিল। সে কারণে কিছু সমস্যা হয়েছিল। বর্তমানে আমরা দায়িত্ব পালন করতে করোনার ভয়ডর না রেখেই নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

ভুতুড়ে বিল আসার কারণ জিজ্ঞেস করলে তিনি জানান, আসলে যারা রিডিং লিখে আনেন হয়ত একটা ডিজিট ভুলে বেশি লিখে ফেলছেন, সেজন্য বিল বেশি আসছে। তবে যে কোনো সমস্যা আমাদের জানালে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করব।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন