ইউএনওকে লাঞ্ছিত করার পরদিনই বরখাস্ত হলেন মেয়র
jugantor
ইউএনওকে লাঞ্ছিত করার পরদিনই বরখাস্ত হলেন মেয়র

  যুগান্তর রিপোর্ট  

১৩ অক্টোবর ২০২০, ২১:১৫:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ইউএনও-মেয়র

পাবনার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করায় সাময়িক বরখাস্ত হলেন বেড়া পৌরসভার মেয়র মো. আবদুল বাতেন।

সোমবার উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আনাম সিদ্দিকীকে লাঞ্ছিত করেন পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন।

এ সময় তিনি তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি পাঠান পাবনার জেলা প্রশাসক(ডিসি) কবির মাহমুদ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আবদুল বাতেনকে বরখাস্ত করে আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

প্রসঙ্গত, আবদুল বাতেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর সহোদর ভাই।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ যুগান্তরকে জানান, বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন উপজেলার কাজিরহাট ও নগরবাড়ি ঘাট ইজারা সংক্রান্ত একটি লিখিত রেজুলেশন ইউএনও আসিফ আনাম সিদ্দিকীকে অনুমোদনের জন্যে চাপ প্রয়োগ করেন।

বিষয়টি নীতিমালা বহির্ভূত হওয়ায় ইউএনও তা অনুমোদনে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে মেয়র বাতেন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে অবগত করেছি।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে বরখাস্ত করেছে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠিও পেয়েছেন বলে জানান ডিসি কবির মাহমুদ।

জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাজিরহাট ও নগরবাড়ি ঘাট সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে উপজেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে দেয়ার একটি লিখিত সিদ্ধান্তের রেজুলেশন অনুমোদন দিতে বেড়া পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেন ইউএনওকে চাপ দেন। বিষয়টি মেয়রের এখতিয়ার বহির্ভূত এবং বিধিসম্মত নয় বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তা অনুমোদন সম্ভব নয় বলে জানান।

এ সময় বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন চরম উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেন এবং তাকে মারতে উদ্যত হলে সভায় উপস্থিত অন্যরা তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। পরে সভাটি পণ্ড হয়ে যায়।

সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও সব কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থার মধ্যে তাকে বরখাস্ত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ।

আরও পড়ুন:পাবনায় মেয়র ও ইউএনও’র মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা!

ইউএনওকে লাঞ্ছিত করার পরদিনই বরখাস্ত হলেন মেয়র

 যুগান্তর রিপোর্ট 
১৩ অক্টোবর ২০২০, ০৯:১৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ইউএনও-মেয়র
ইউএনও-মেয়র। ছবি: সংগৃহীত

পাবনার বেড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করায় সাময়িক বরখাস্ত হলেন বেড়া পৌরসভার মেয়র মো. আবদুল বাতেন।

সোমবার উপজেলা উন্নয়ন সমন্বয় সভায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসিফ আনাম সিদ্দিকীকে লাঞ্ছিত করেন পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন।

এ সময় তিনি তাকে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বিভাগে চিঠি পাঠান পাবনার জেলা প্রশাসক(ডিসি) কবির মাহমুদ।

এর পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার আবদুল বাতেনকে বরখাস্ত করে আদেশ জারি করেছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

প্রসঙ্গত, আবদুল বাতেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকুর সহোদর ভাই।

পাবনা জেলা প্রশাসক কবির মাহমুদ যুগান্তরকে জানান, বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন উপজেলার কাজিরহাট ও নগরবাড়ি ঘাট ইজারা সংক্রান্ত একটি লিখিত রেজুলেশন ইউএনও আসিফ আনাম সিদ্দিকীকে অনুমোদনের জন্যে চাপ প্রয়োগ করেন।

বিষয়টি নীতিমালা বহির্ভূত হওয়ায় ইউএনও তা অনুমোদনে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে মেয়র বাতেন তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলকে অবগত করেছি।

বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগ তাকে বরখাস্ত করেছে। ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত চিঠিও পেয়েছেন বলে জানান ডিসি কবির মাহমুদ।

জানা গেছে, উপজেলা প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে থাকা কাজিরহাট ও নগরবাড়ি ঘাট সম্পূর্ণ অনিয়মতান্ত্রিকভাবে উপজেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণে দেয়ার একটি লিখিত সিদ্ধান্তের রেজুলেশন অনুমোদন দিতে বেড়া পৌরসভার মেয়র আব্দুল বাতেন ইউএনওকে চাপ দেন। বিষয়টি মেয়রের এখতিয়ার বহির্ভূত এবং বিধিসম্মত নয় বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তা অনুমোদন সম্ভব নয় বলে জানান।

এ সময় বেড়া পৌর মেয়র আব্দুল বাতেন চরম উত্তেজিত হয়ে অকথ্য ভাষায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে গালিগালাজ করতে শুরু করেন। একপর্যায়ে চেয়ার থেকে উঠে গিয়ে তাকে ধাক্কা দেন এবং তাকে মারতে উদ্যত হলে সভায় উপস্থিত অন্যরা তাকে থামানোর চেষ্টা করেন। পরে সভাটি পণ্ড হয়ে যায়।

সভায় উপস্থিত সবাই হতবাক হয়ে পড়েন। এ ঘটনায় জেলা প্রশাসন ও সব কর্মকর্তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থার মধ্যে তাকে বরখাস্ত করল স্থানীয় সরকার বিভাগ।

আরও পড়ুন: পাবনায় মেয়র ও ইউএনও’র মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনা!

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন