শিশু বিছানায় প্রস্রাব করায় মাকে মারধর, হাসপাতালে রোগীর নাম কর্তন
jugantor
শিশু বিছানায় প্রস্রাব করায় মাকে মারধর, হাসপাতালে রোগীর নাম কর্তন

  রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি  

১৪ অক্টোবর ২০২০, ২০:২২:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে ৯ মাসের শিশু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিছানায় প্রস্রাব করায় শিশুটির মা রোজিনাকে মারধর ও রোগী শিশুটির বাবা মো. গিয়াস হাওলাদারের নাম কেটে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের টিএইচএ ডা. মো. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল রোগীর স্ত্রীকে মারধর ও রোগীর নাম কেটে রাতেই হাসপাতাল থেকে বের করে দেন।

গিয়াস পার্শ্ববর্তী ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মাটিভাঙ্গা এলাকার রশিদ হাওলাদারের পুত্র।

রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে অসুস্থ রোগীর নাম কেটে দেয়ার পর রাত সোয়া ৯টায় রাজাপুর প্রেস ক্লাবে এসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

শিশুটির মা রোজিনা বেগম জানান, অসুস্থ অবস্থায় তার স্বামী গিয়াস হাওলাদারকে গত ১০ অক্টোবর মেডিকেলে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার রাতে তার স্বামী বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি পাশের বেডে শিশুটিকে রেখে ডাক্তার ডাকতে যান। এ সময় শিশুটি ওই বেডে প্রস্রাব করে।

তিনি জানান, ডা. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল রোগীর কাছে এলেও রোগীর সমস্যা না দেখেই শিশুটি কেন বিছানায় প্রস্রাব করেছে এর কৈফিয়ত জানতে চান। তার চুলের মুঠি ধরে শিশুটির বুকের ওপরে ঠাসা দেয়। পরে ডাক্তার আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রাতেই তার স্বামীর নাম কেটে মেডিকেল থেকে বের করে দেন। তখনও তার স্বামী ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন।

এ ব্যাপারে টিএইচএ মো. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি মারধরের ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন, ওই রোগীকে তিন দিন চিকিৎসা দিয়েছি। সব ধরনের ওষুধ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সরবরাহ করেছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে প্রেরণের কথা বললে এ গুজব রটায়। একজন ডাক্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা গুজব রটানো হীনমানসিকতার পরিচয়।

শিশু বিছানায় প্রস্রাব করায় মাকে মারধর, হাসপাতালে রোগীর নাম কর্তন

 রাজাপুর (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি 
১৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠির রাজাপুরে ৯ মাসের শিশু উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিছানায় প্রস্রাব করায় শিশুটির মা রোজিনাকে মারধর ও রোগী শিশুটির বাবা মো. গিয়াস হাওলাদারের নাম কেটে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। হাসপাতালের টিএইচএ ডা. মো. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল রোগীর স্ত্রীকে মারধর ও রোগীর নাম কেটে রাতেই হাসপাতাল থেকে বের করে দেন।

গিয়াস পার্শ্ববর্তী ভাণ্ডারিয়া উপজেলার মাটিভাঙ্গা এলাকার রশিদ হাওলাদারের পুত্র।

রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে অসুস্থ রোগীর নাম কেটে দেয়ার পর রাত সোয়া ৯টায় রাজাপুর প্রেস ক্লাবে এসে তিনি এসব অভিযোগ করেন।

শিশুটির মা রোজিনা বেগম জানান, অসুস্থ অবস্থায় তার স্বামী গিয়াস হাওলাদারকে গত ১০ অক্টোবর মেডিকেলে ভর্তি করেন। মঙ্গলবার রাতে তার স্বামী বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি পাশের বেডে শিশুটিকে রেখে ডাক্তার ডাকতে যান। এ সময় শিশুটি ওই বেডে প্রস্রাব করে।

তিনি জানান, ডা. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেল রোগীর কাছে এলেও রোগীর সমস্যা না দেখেই শিশুটি কেন বিছানায় প্রস্রাব করেছে এর কৈফিয়ত জানতে চান। তার চুলের মুঠি ধরে শিশুটির বুকের ওপরে ঠাসা দেয়। পরে ডাক্তার আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওই রাতেই তার স্বামীর নাম কেটে মেডিকেল থেকে বের করে দেন। তখনও তার স্বামী ব্যথায় কাতরাচ্ছিলেন।

এ ব্যাপারে টিএইচএ মো. আবুল খায়ের মাহমুদ রাসেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি মারধরের ঘটনাটি অস্বীকার করে বলেন, ওই রোগীকে তিন দিন চিকিৎসা দিয়েছি। সব ধরনের ওষুধ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সরবরাহ করেছি। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে বরিশাল শেরেবাংলা মেডিকেলে প্রেরণের কথা বললে এ গুজব রটায়। একজন ডাক্তারের বিরুদ্ধে মিথ্যা গুজব রটানো হীনমানসিকতার পরিচয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন