এসআইকে সম্মান না দেয়ায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা!
jugantor
এসআইকে সম্মান না দেয়ায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা!

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

১৪ অক্টোবর ২০২০, ২০:৫৯:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

এসআই মঞ্জুরুল হক

গাজীপুরের শ্রীপুর থানার এসআই মঞ্জুরুল হককে সম্মান না দেয়ায় নিরীহ যুবক রাসেলের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাসেল উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে মামলাটির সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এসআইয়ের প্রতিহিংসার শিকার যুবক রাসেল।

বুধবার বেলা ১২টায় কাওরাইদ বাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রাসেল এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাসেল অভিযোগ করেন, কাওরাইদ গ্রামের আলীর ছেলে নয়ন ও নুরুল ইসলামের মেয়ে ফারজানার সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

তাদের প্রেমের সম্পর্ক ফারজানার পরিবার জানতে পেরে ফারজানাকে তার বাবা-মা পাশের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার শহীদনগর গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেন। মেয়ের অমতে বিয়ে দেয়ায় কয়েক দিন পর সে ওই স্বামীর সংসার ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।

পরে আবারও ফারজানা তার পুরনো প্রেমিক নয়নের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে। এক পর্যায়ে গত ২৮ মে ফারজানা নয়নের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়।

এ ঘটনার পর পুলিশ নিয়ে নয়নের বাড়িতে যান ফারজানার মা ও বাবা। পরে পুলিশ নয়নকে না পেয়ে তার মাকে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে প্রতিবেশী কয়েকজন প্রতিবাদ করেন।

এ ঘটনার জেরে ফারজানার মা কাওরাইদ গ্রামের আলীর ছেলে নয়ন, তার মা মমতাজ বেগম ও রাসেল নামের ওই যুবককে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন রাসেল।

শ্রীপুর থানার তৎকালীন এসআই মঞ্জুরুল হক (বর্তমানে গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় কর্মরত) বাদীকে দিয়ে তাকে এ মামলায় ফাঁসিয়েছেন বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী শেফালী বেগমকে খুঁজতে তার বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি। তবে তার স্বামী নুরুল ইসলাম জানান, রাতের বেলায় পুলিশ নিয়ে নয়নের বাড়িতে যাওয়ার পর রাসেল সেখানে পুলিশের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্রীপুর থানার তৎকালীন এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম মামলায় ওই যুবক রাসেলের নাম দিতে বলেন। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম, রাসেল এ ঘটনায় জড়িত নয়। কিন্তু রাসেলের নাম না দিলে মামলা হবে না বলে এসআই সাফ জানিয়ে দেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রীপুর থানার তৎকালীন এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, মামলায় কাকে অভিযুক্ত করবে না করবে এটা একান্তই বাদীর বিষয়। বাদীর লিখিত অভিযোগেই মামলা রুজু হয়েছিল।

এসআইকে সম্মান না দেয়ায় যুবকের বিরুদ্ধে মামলা!

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
১৪ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
এসআই মঞ্জুরুল হক
এসআই মঞ্জুরুল হক। ছবি: সংগৃহীত

গাজীপুরের শ্রীপুর থানার এসআই মঞ্জুরুল হককে সম্মান না দেয়ায় নিরীহ যুবক রাসেলের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রাসেল উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের কাওরাইদ গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে মামলাটির সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানান এসআইয়ের প্রতিহিংসার শিকার যুবক রাসেল। 

বুধবার বেলা ১২টায় কাওরাইদ বাজারে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে রাসেল এ অভিযোগ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রাসেল অভিযোগ করেন, কাওরাইদ গ্রামের আলীর ছেলে নয়ন ও নুরুল ইসলামের মেয়ে ফারজানার সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রেমের সম্পর্ক ছিল।

তাদের প্রেমের সম্পর্ক ফারজানার পরিবার জানতে পেরে ফারজানাকে তার বাবা-মা পাশের গফরগাঁও উপজেলার পাগলা থানার শহীদনগর গ্রামের এক ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেন। মেয়ের অমতে বিয়ে দেয়ায় কয়েক দিন পর সে ওই স্বামীর সংসার ছেড়ে বাবার বাড়ি চলে আসে।

পরে আবারও ফারজানা তার পুরনো প্রেমিক নয়নের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক করে। এক পর্যায়ে গত ২৮ মে ফারজানা নয়নের সঙ্গে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায়। 

এ ঘটনার পর পুলিশ নিয়ে নয়নের বাড়িতে যান ফারজানার মা ও বাবা। পরে পুলিশ নয়নকে না পেয়ে তার মাকে থানায় নিয়ে যেতে চাইলে প্রতিবেশী কয়েকজন প্রতিবাদ করেন। 

এ ঘটনার জেরে ফারজানার মা কাওরাইদ গ্রামের আলীর ছেলে নয়ন, তার মা মমতাজ বেগম ও রাসেল নামের ওই যুবককে অভিযুক্ত করে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে বলে দাবি করেন রাসেল। 

শ্রীপুর থানার তৎকালীন এসআই মঞ্জুরুল হক (বর্তমানে গাজীপুরের কালীগঞ্জ থানায় কর্মরত) বাদীকে দিয়ে তাকে এ মামলায় ফাঁসিয়েছেন বলে তিনি সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন। 

এ ব্যাপারে মামলার বাদী শেফালী বেগমকে খুঁজতে তার বাড়িতে গিয়েও পাওয়া যায়নি। তবে তার স্বামী নুরুল ইসলাম জানান, রাতের বেলায় পুলিশ নিয়ে নয়নের বাড়িতে যাওয়ার পর রাসেল সেখানে পুলিশের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে শ্রীপুর থানার তৎকালীন এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম মামলায় ওই যুবক রাসেলের নাম দিতে বলেন। আমরা পুলিশকে জানিয়েছিলাম, রাসেল এ ঘটনায় জড়িত নয়। কিন্তু রাসেলের নাম না দিলে মামলা হবে না বলে এসআই সাফ জানিয়ে দেন।

অভিযোগ অস্বীকার করে শ্রীপুর থানার তৎকালীন এসআই মঞ্জুরুল ইসলাম জানান, মামলায় কাকে অভিযুক্ত করবে না করবে এটা একান্তই বাদীর বিষয়। বাদীর লিখিত অভিযোগেই মামলা রুজু হয়েছিল।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন