আদালতে জুয়েল রানার স্বীকারোক্তি নেশার টাকা জোগাড়ের জন্যই হাছেন আলীকে হত্যা
jugantor
আদালতে জুয়েল রানার স্বীকারোক্তি নেশার টাকা জোগাড়ের জন্যই হাছেন আলীকে হত্যা

  দিনাজপুর প্রতিনিধি  

১৪ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩০:৩৭  |  অনলাইন সংস্করণ

দিনাজপুর

নিয়মিত নেশা ছিল গাঁজা। যার জন্য টাকার প্রয়োজন। তাই ছোটখাটো চুরি ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ। হঠাৎ পরিকল্পনা হল- এভাবে ছোটখাটো চুরি আর কতদিন? একটা বড়দান মেরে রাজার হালে গাঁজা টানা যাবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানচালক হাছেন বাবুকে হত্যা করে তার রিকশাভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা।
হত্যা করে এমনই বর্ণনা দিয়েছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের রিকশাভ্যানচালক হাছেন বাবু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আটক জুয়েল রানা।

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে গত সোমবার রাত ২টায় হাছেন বাবু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জুয়েল রানাকে কুশলপুর খেলার মাঠ থেকে গ্রেফতার করে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ। এরপর সে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় দিনাজপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাশেদুল আমীনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন তথ্য জানায়।

গ্রেফতারকৃত জুয়েল রানা বলিভদ্রপুরের সামসুল আলমের ছেলে। পুলিশ তার বয়স ২০ বছর উল্লেখ করলেও সে বলিভদ্রপুর এমএম দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার নিজবাড়ি থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানটি নিয়ে বের হন হাছেন বাবু। ওই দিন গভীর রাত নেমে এলেও বাবু নিজ বাড়িতে না ফেরায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। পর দিন শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পাশের গ্রাম বড়নগর বলিভদ্রপুরে জুয়েলের কলাবাগানে হাছেন বাবুর মরদেহের সন্ধান পান তারা। পরে সেখানে মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং ওই দিনই নিহত হাছেন বাবুর চাচা আব্দুর রউফ মণ্ডল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৮।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রিকশাভ্যানচালক হাছেন বাবু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জুয়েল রানাকে আটক করা হয়েছে। জুয়েল রানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

আদালতে জুয়েল রানার স্বীকারোক্তি নেশার টাকা জোগাড়ের জন্যই হাছেন আলীকে হত্যা

 দিনাজপুর প্রতিনিধি 
১৪ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
দিনাজপুর
দিনাজপুর

নিয়মিত নেশা ছিল গাঁজা। যার জন্য টাকার প্রয়োজন। তাই ছোটখাটো চুরি ছিল তাদের নিত্যদিনের কাজ। হঠাৎ পরিকল্পনা হল- এভাবে ছোটখাটো চুরি আর কতদিন? একটা বড়দান মেরে রাজার হালে গাঁজা টানা যাবে। সেই পরিকল্পনা অনুযায়ী ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানচালক হাছেন বাবুকে হত্যা করে তার রিকশাভ্যানটি নিয়ে পালিয়ে যায় তারা। 
হত্যা করে এমনই বর্ণনা দিয়েছে দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামের রিকশাভ্যানচালক হাছেন বাবু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত আটক জুয়েল রানা। 

তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার করে গত সোমবার রাত ২টায় হাছেন বাবু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জুয়েল রানাকে কুশলপুর খেলার মাঠ থেকে গ্রেফতার করে ফুলবাড়ী থানা পুলিশ। এরপর সে গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টায় দিনাজপুরের জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাশেদুল আমীনের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এমন তথ্য জানায়।  

গ্রেফতারকৃত জুয়েল রানা বলিভদ্রপুরের সামসুল আলমের ছেলে। পুলিশ তার বয়স ২০ বছর উল্লেখ করলেও সে বলিভদ্রপুর এমএম দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। 
মামলা সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার নিজবাড়ি থেকে ব্যাটারিচালিত রিকশাভ্যানটি নিয়ে বের হন হাছেন বাবু। ওই দিন গভীর রাত নেমে এলেও বাবু নিজ বাড়িতে না ফেরায় তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। পর দিন শুক্রবার (৯ অক্টোবর) পাশের গ্রাম বড়নগর বলিভদ্রপুরে জুয়েলের কলাবাগানে হাছেন বাবুর মরদেহের সন্ধান পান তারা। পরে সেখানে মরদেহটি শনাক্ত করেন এবং ওই দিনই নিহত হাছেন বাবুর চাচা আব্দুর রউফ মণ্ডল বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে ফুলবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং-৮।

থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফখরুল ইসলাম বলেন, তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রিকশাভ্যানচালক হাছেন বাবু হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত জুয়েল রানাকে আটক করা হয়েছে। জুয়েল রানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিকে আটকের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন