জামাই হত্যার দায়ে শ্বশুরের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন
jugantor
জামাই হত্যার দায়ে শ্বশুরের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

  ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি  

১৫ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৩:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ফরিদুপুর গ্রামের পশিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিএম তারিকুল কবীর এ রায় প্রদান করেন। এছাড়াও ওই মামলার অপর আসামি শাপলা বেগমকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। মামলার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি মাজেদুল হক পলাতক রয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন নিহত পশিরুল ইসলামের শ্বশুর নুরুল হক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্ত্রী মাজেদা বেগম (৪৫), তার মেয়ে নারগিস বেগম (২২) ও ছেলে মাজেদুল হক (২৪)।

তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়। তবে মাজেদুল হক পলাতক রয়েছেন। এ মামলায় হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় নুরুল হক, অপর কন্যা শাপলা বেগমকে (১৫) বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত।

মামলার বিবরণে জানা যায়, হত্যার তারিখ হতে ৪ বছর পূর্বে নুরুল ইসলামের মেয়ে নারগিস বেগমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ ফরিদপুর গ্রামের লোদা মোহাম্মদের ছেলে পশিরুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকে। পরে নুরুল হক তার মেয়েকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পশিরুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পশিরুল ৬ মাস কারাভোগ করেন। পরবর্তীতে গত ২০১১ সালের ১২ আগস্ট রাতের বেলায় নারগিস কৌশলে পশিরুলকে বাপের বাড়িতে ডেকে নিয়ে প্রথমে বেধড়ক মারপিট করে। পরে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় পশিরুলের বাবা বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ও আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন ও জাকির হোসেন।

জামাই হত্যার দায়ে শ্বশুরের মৃত্যুদণ্ড, ৩ জনের যাবজ্জীবন

 ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি 
১৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ঠাকুরগাঁও
ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের ফরিদুপুর গ্রামের পশিরুল ইসলাম (২৮) নামে এক যুবককে হত্যার দায়ে একজনের মৃত্যুদণ্ড ও ৩ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ বিএম তারিকুল কবীর এ রায় প্রদান করেন। এছাড়াও ওই মামলার অপর আসামি শাপলা বেগমকে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়। মামলার যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত অপর আসামি মাজেদুল হক পলাতক রয়েছেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন নিহত পশিরুল ইসলামের শ্বশুর নুরুল হক। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির স্ত্রী মাজেদা বেগম (৪৫), তার মেয়ে নারগিস বেগম (২২) ও ছেলে মাজেদুল হক (২৪)। 

তাদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডসহ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ডাদেশ প্রদান করা হয়।  তবে মাজেদুল হক পলাতক রয়েছেন। এ মামলায় হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত না হওয়ায় নুরুল হক, অপর কন্যা শাপলা বেগমকে (১৫) বেকসুর খালাস প্রদান করেন আদালত। 

মামলার বিবরণে জানা যায়, হত্যার তারিখ হতে ৪ বছর পূর্বে নুরুল ইসলামের মেয়ে নারগিস বেগমের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ ফরিদপুর গ্রামের লোদা মোহাম্মদের ছেলে পশিরুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকে। পরে নুরুল হক তার মেয়েকে নিজ বাড়িতে নিয়ে গিয়ে পশিরুলের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় পশিরুল ৬ মাস কারাভোগ করেন। পরবর্তীতে গত ২০১১ সালের ১২ আগস্ট রাতের বেলায় নারগিস কৌশলে পশিরুলকে বাপের বাড়িতে ডেকে নিয়ে প্রথমে বেধড়ক মারপিট করে। পরে গলা কেটে হত্যা করে। এ ঘটনায় পশিরুলের বাবা বাদী হয়ে ৬ জনকে আসামি করে ঠাকুরগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট আব্দুল হামিদ ও আসামিপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন ও জাকির হোসেন।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন