পোকা দমনের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা
jugantor
পোকা দমনের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

  ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৩৯:৩৬  |  অনলাইন সংস্করণ

মৃত্যু

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে শেফালী রানী (৪৫) নামের এক গৃহবধূ পোকা দমনের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি শংকর কুমার শীলের স্ত্রী শেফালী রানী।

শেফালীর বড় মেয়ে কলেজপড়ুয়া শান্তি রানী জানান, শনিবার দুপুরে চালের পোকা নিধনের ওষুধ খায় আমার মা। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা বিকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাই। সেখানেই রোববার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যান। আমার বাবা মঠবাড়িয়ায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। আমরা দুই বোন ও মা বাড়িতে থাকি।

অপরদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, শেফালী বিভিন্ন সময় অনেক এনজিও থেকে একই গ্রামের খোকা হাওলাদারের ছেলে দুলাল হাওলাদারকে ঋণ নিয়ে টাকা তুলে দিতেন। গত কয়েক দিন ধরে শেফালীর সঙ্গে দুলালের ঋণের টাকা নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। দুলাল শেফালীকে টাকা না দিয়ে বাজে ব্যবহার করেন। তাই দুলালের সঙ্গে অভিমান করে শেফালী কীটনাশক খায়।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক বিধু ভূষণ মণ্ডল জানান, শনিবার দুপুরে শেফালী রানী অসুস্থ হলে আমাকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেন। এ সময় শেফালী চালের পোকা মারার ওষুধ খেয়েছেন বলে আমাকে জানান। কেন খেয়েছেন- জানতে চাইলে শেফালী বলেছিলেন- কেউ একজন তাকে গালি দিয়েছেন।

শেফালী রানীর ছোট মেয়ে সাথী রানী জানান, আমাদের বাড়িতে দুলালের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে সে আমাদের বাড়িতে আসে না।
বিভিন্নভাবে চেষ্টা করার পরেও দুলালের সাথে কথা বলতে পারেননি এই প্রতিবেদক।

ইন্দুরকানী থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেফালী রানী মারা গিয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পোকা দমনের ওষুধ খেয়ে গৃহবধূর আত্মহত্যা

 ইন্দুরকানী (পিরোজপুর) প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মৃত্যু
মৃত্যু

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে শেফালী রানী (৪৫) নামের এক গৃহবধূ পোকা দমনের ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেছেন। উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নের রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাজমিস্ত্রি শংকর কুমার শীলের স্ত্রী শেফালী রানী।

শেফালীর বড় মেয়ে কলেজপড়ুয়া শান্তি রানী জানান, শনিবার দুপুরে চালের পোকা নিধনের ওষুধ খায় আমার মা। এরপর অসুস্থ হয়ে পড়লে আমরা বিকালে পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে তাকে নিয়ে যাই। সেখানেই রোববার সকাল ৮টার দিকে তিনি মারা যান। আমার বাবা মঠবাড়িয়ায় রাজমিস্ত্রির কাজ করেন। আমরা দুই বোন ও মা বাড়িতে থাকি।

অপরদিকে স্থানীয় সূত্রের দাবি, শেফালী বিভিন্ন সময় অনেক এনজিও থেকে একই গ্রামের খোকা হাওলাদারের ছেলে দুলাল হাওলাদারকে ঋণ নিয়ে টাকা তুলে দিতেন। গত কয়েক দিন ধরে শেফালীর সঙ্গে দুলালের ঋণের টাকা নিয়ে মনোমালিন্য চলছিল। দুলাল শেফালীকে টাকা না দিয়ে বাজে ব্যবহার করেন। তাই দুলালের সঙ্গে অভিমান করে শেফালী কীটনাশক খায়।

স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক বিধু ভূষণ মণ্ডল জানান, শনিবার দুপুরে শেফালী রানী অসুস্থ হলে আমাকে তাদের বাড়িতে ডেকে নেন। এ সময় শেফালী চালের পোকা মারার ওষুধ খেয়েছেন বলে আমাকে জানান। কেন খেয়েছেন- জানতে চাইলে শেফালী বলেছিলেন- কেউ একজন তাকে গালি দিয়েছেন।

শেফালী রানীর ছোট মেয়ে সাথী রানী জানান, আমাদের বাড়িতে দুলালের নিয়মিত যাতায়াত ছিল। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে সে আমাদের বাড়িতে আসে না।
বিভিন্নভাবে চেষ্টা করার পরেও দুলালের সাথে কথা বলতে পারেননি এই প্রতিবেদক।

ইন্দুরকানী থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, পিরোজপুর জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেফালী রানী মারা গিয়েছেন। তাদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আমাদের কাছে কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন