উখিয়া মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলা
jugantor
উখিয়া মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলা

  শফিক আজাদ, উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ১৯:১৪:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

২৮তম বিসিএস শিক্ষাক্যাডার কর্মকর্তা ও গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।

মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে উখিয়ার পূর্বাঞ্চলের শীর্ষ মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর আলম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে গুরুতর আহত হয়েছেন উখিয়া উপজেলার চাকবৈঠা গ্রামের ২৮তম বিসিএস শিক্ষাক্যাডার কর্মকর্তা ও গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। তিনি ওই এলাকার এনামুল হকের ছেলে।

শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় মোজাফফর আহমদের পিতা বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

আহত মোজাফফর আহমদের ছোটভাই গয়ালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জানান, কোভিড-১৯ এর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়, বর্তমানে বড়ভাই বাড়িতে অবস্থান করছেন। এই সুবাদে তিনি গ্রামের সাধারণ মানুষকে ইয়াবা, মাদক ও অপরাধ কর্মকাণ্ড বন্ধের বিষয়ে দোকানপাটে বসে কথাবার্তা বলতেন। যার ফলে গ্রামের খারাপ প্রকৃতির লোকেরা তার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে।

শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পার্শ্ববর্তী ফাতেমা বেগম নামের এক মহিলার লাশ দেখে ফেরার সময় মদ্যপ অবস্থায় ওতপেতে থাকা চাকবৈঠা এলাকার মৃত ছৈয়দ কাশেম চৌধুরীর ছেলে একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, তার স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম, আজিজুর রহমানের ছেলে মনজুর আলম, আবুল হোসনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন এবং গয়ালমারা এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মনজুর আলম অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। তখন তার চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন।

আহত মোজাফফর আহমদ বলেন, এলাকায় ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কারণে এসব মাদক কারবারি আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আমি বেঁচে যাই। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে মামলা না করার জন্য সন্ত্রাসীরা আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে। আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এ সংক্রান্ত ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে৷

উখিয়া মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলায় কলেজ শিক্ষকের ওপর হামলা

 শফিক আজাদ, উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:১৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
২৮তম বিসিএস শিক্ষাক্যাডার কর্মকর্তা ও গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।
২৮তম বিসিএস শিক্ষাক্যাডার কর্মকর্তা ও গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ।

মাদকের বিরুদ্ধে কথা বলার কারণে উখিয়ার পূর্বাঞ্চলের শীর্ষ মাদক কারবারি জাহাঙ্গীর  আলম ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর হাতে গুরুতর আহত হয়েছেন উখিয়া উপজেলার চাকবৈঠা গ্রামের ২৮তম বিসিএস শিক্ষাক্যাডার কর্মকর্তা ও গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের সহকারী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ। তিনি ওই এলাকার এনামুল হকের ছেলে। 

শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে হত্যার উদ্দেশ্যে এ হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। এ ঘটনায় মোজাফফর আহমদের পিতা বাদী হয়ে উখিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। 

আহত মোজাফফর আহমদের ছোটভাই গয়ালমারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জানান, কোভিড-১৯ এর কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়, বর্তমানে বড়ভাই বাড়িতে অবস্থান করছেন। এই সুবাদে তিনি গ্রামের সাধারণ মানুষকে ইয়াবা, মাদক ও অপরাধ কর্মকাণ্ড বন্ধের বিষয়ে দোকানপাটে বসে কথাবার্তা বলতেন। যার ফলে গ্রামের খারাপ প্রকৃতির লোকেরা তার ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে। 

শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পার্শ্ববর্তী ফাতেমা বেগম নামের এক মহিলার লাশ দেখে ফেরার সময় মদ্যপ অবস্থায় ওতপেতে থাকা চাকবৈঠা এলাকার মৃত ছৈয়দ কাশেম চৌধুরীর ছেলে একাধিক মামলার আসামি শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর আলম, তার স্ত্রী ছেনুয়ারা বেগম, আজিজুর রহমানের ছেলে মনজুর আলম, আবুল হোসনের ছেলে সাদ্দাম হোসেন এবং গয়ালমারা এলাকার আবু তাহেরের ছেলে মনজুর আলম অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। তখন তার চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে উখিয়া হাসপাতালে ভর্তি করেন। 

আহত মোজাফফর আহমদ বলেন, এলাকায় ইয়াবা ও মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকার কারণে এসব মাদক কারবারি আমাকে হত্যা করার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে। কিন্তু আল্লাহর রহমতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় আমি বেঁচে যাই। তিনি বলেন, ঘটনার পর থেকে মামলা না করার জন্য সন্ত্রাসীরা আমাকে হুমকি দিয়ে আসছে। আমি এখন চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।  

উখিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আহমেদ সঞ্জুর মোরশেদ বলেন, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। এ সংক্রান্ত ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তসাপেক্ষে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে৷
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন