বরগুনায় কলেজছাত্রীকে তিন দিন আটক রেখে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ
jugantor
বরগুনায় কলেজছাত্রীকে তিন দিন আটক রেখে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ২০:১৭:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে তিন দিন আটক রেখে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় মামলা না নেয়ায় বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন কলেজছাত্রীর মা।

রোববার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা থানাকে এজাহার নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হল- বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গিলাতলী গ্রামের আহসানুল হক লাহুর ছেলে রাজিকুল ইসলাম রাজু, রাজুর ভগ্নিপতি আহম্মেদের ছেলে কবির মিয়া ও রাজুর সহযোগী আলাউদ্দিনের ছেলে আউয়াল।

মামলার বাদী ওই কলেজছাত্রীর মা জানান, তার মেয়ে বরগুনা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনা করে। খাজুরতলা গ্রামে খালার বাড়িতে তার মেয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে বেড়াতে যায়। ওই দিন বিকাল ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে আসার সময় রাজিকুল ইসলাম রাজু ও তার ভগ্নিপতি কবির মিয়া তার মেয়েকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে তুলে আউয়াল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

কলেজছাত্রীর মা যুগান্তরকে বলেন, সংবাদ পেয়ে লোকজন নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করি। আমি মামলা করতে চাইলে আসামি রাজু আমার মেয়েকে বিয়ে করার আশ্বাস দেয়। পরবর্তীতে রাজু জানায় আমার মেয়েকে বিয়ে করবে না। রাজু আমাকে বলে- বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার মেয়ের খারাপ ছবির ভিডিও করে রেখেছি; সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব।

তিনি বলেন, আমি ১০ অক্টোবর বরগুনা থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা না নিয়ে বরগুনা ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেন।

বরগুনা থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ওই ব্যাপারে বরগুনা থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি। একজন কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে- আমার কাছে এলেই মামলা নেয়া হতো। এখন এলেও আমি মামলা নেব। তাছাড়া আদালত যে আদেশ দেবেন তা পালন করব।

বরগুনায় কলেজছাত্রীকে তিন দিন আটক রেখে ধর্ষণ-ভিডিও ধারণ

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কলেজছাত্রীকে অপহরণ করে তিন দিন আটক রেখে ধর্ষণ করে তার ভিডিও ধারণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। থানায় মামলা না নেয়ায় বরগুনার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন কলেজছাত্রীর মা।

রোববার ওই ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা জজ মো. হাফিজুর রহমান মামলাটি গ্রহণ করে বরগুনা থানাকে এজাহার নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার আসামিরা হল- বরগুনা সদর উপজেলার ফুলঝুড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম গিলাতলী গ্রামের আহসানুল হক লাহুর ছেলে রাজিকুল ইসলাম রাজু, রাজুর ভগ্নিপতি আহম্মেদের ছেলে কবির মিয়া ও রাজুর সহযোগী আলাউদ্দিনের ছেলে আউয়াল।

মামলার বাদী ওই কলেজছাত্রীর মা জানান, তার মেয়ে বরগুনা সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের তৃতীয় বর্ষে পড়াশোনা করে। খাজুরতলা গ্রামে খালার বাড়িতে তার মেয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর সকালে বেড়াতে যায়। ওই দিন বিকাল ৪টার দিকে বাড়িতে ফিরে আসার সময় রাজিকুল ইসলাম রাজু ও তার ভগ্নিপতি কবির মিয়া তার মেয়েকে অপহরণ করে মোটরসাইকেলে তুলে আউয়াল মিয়ার বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে। সেখানে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

কলেজছাত্রীর মা যুগান্তরকে বলেন, সংবাদ পেয়ে লোকজন নিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টায় আমার মেয়েকে উদ্ধার করি। আমি মামলা করতে চাইলে আসামি রাজু আমার মেয়েকে বিয়ে করার আশ্বাস দেয়। পরবর্তীতে রাজু জানায় আমার মেয়েকে বিয়ে করবে না। রাজু আমাকে বলে- বেশি বাড়াবাড়ি করলে আপনার মেয়ের খারাপ ছবির ভিডিও করে রেখেছি; সেই ভিডিও ইন্টারনেটে ছেড়ে দেব।

তিনি বলেন, আমি ১০ অক্টোবর বরগুনা থানায় মামলা করতে গেলে ওসি মামলা না নিয়ে বরগুনা ট্রাইব্যুনালে মামলা করার পরামর্শ দেন।

বরগুনা থানার ওসি কেএম তারিকুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ওই ব্যাপারে বরগুনা থানায় কেউ মামলা করতে আসেনি। একজন কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ করেছে- আমার কাছে এলেই মামলা নেয়া হতো। এখন এলেও আমি মামলা নেব। তাছাড়া আদালত যে আদেশ দেবেন তা পালন করব।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন