ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ভিক্ষুককে হত্যা করে ২ সিএনজিচালক
jugantor
ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ভিক্ষুককে হত্যা করে ২ সিএনজিচালক

  বগুড়া ব্যুরো  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৩:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে বিধবা ভিক্ষুক হাসিলা বেওয়া (৪৫) হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়েই দুই সিএনজিচালক তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

রোববার সন্ধ্যায় ওই দুই সিএনজিচালক বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্বীকারোক্তি প্রদানকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা হল- ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আনারপুর কচুগাড়ি গ্রামের সামসুল মণ্ডলের ছেলে বাদশা আলম (৩৫) ও আনারপুর হঠাৎপাড়ার বাদু মণ্ডলের ছেলে ফজলুল হক (৩২)।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, হাসিলা বেওয়া ধুনটের ঘুগরাপাড়া গ্রামের শুকরা মণ্ডলের মেয়ে। প্রায় ২৫ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি বাপের বাড়িতে থাকতেন। ছেলে হাসেম আলী খালার বাড়িতে থেকে দিনমজুরি করেন। গত ১২ অক্টোবর সকালে হাসিলা বেওয়া তার বড়বোন একই গ্রামের মোজামের স্ত্রী ধলি বেগমের সঙ্গে গ্রামে ভিক্ষা করতে বের হন। সন্ধ্যায় হাসিলা বোন ধলির সঙ্গে নিজ বাড়িতে ফেরেন।

হাসিলাকে রেখে ধলি একই গ্রামে নিজ বাড়িতে যান। একটু পর হাসিলা তার বোন ধলিকে দেখতে তার বাড়িতে যান। সেখানে বড় বোনের সঙ্গে গল্প করার পর হাসিলা নিজ বাড়ির দিকে রওনা হন। ১৩ অক্টোবর সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে একটি পতিত ধানক্ষেতে হাসিলার গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস দেয়া লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে বোন ধলি বেগম ধুনট থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

ওসি কৃপা সিন্ধু বালা ও অন্য কর্মকর্তারা জানান, হাসিলা বেওয়ার মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে সিএনজি অটোরিকশা চালক বাদশা আলম ও ফজলুল হককে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার ও জড়িত আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করে। তারা হাসিলাকে রাস্তা থেকে ধরে মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে তারা গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে সটকে পড়ে।

বাদশা আলম ও ফজলুল হককে আদালতে হাজির করলে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে তাদের বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। স্বল্পসময়ে বিধবা ভিক্ষুক হাসিলার হত্যা রহস্য উন্মোচিত হওয়ায় তার স্বজন ও গ্রামবাসীর মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে ভিক্ষুককে হত্যা করে ২ সিএনজিচালক

 বগুড়া ব্যুরো 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার ধুনটে বিধবা ভিক্ষুক হাসিলা বেওয়া (৪৫) হত্যা রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়েই দুই সিএনজিচালক তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে।

রোববার সন্ধ্যায় ওই দুই সিএনজিচালক বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট খালিদ হাসানের আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। পরে তাদের জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

স্বীকারোক্তি প্রদানকারী সিএনজিচালিত অটোরিকশা চালকরা হল- ধুনট উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের আনারপুর কচুগাড়ি গ্রামের সামসুল মণ্ডলের ছেলে বাদশা আলম (৩৫) ও আনারপুর হঠাৎপাড়ার বাদু মণ্ডলের ছেলে ফজলুল হক (৩২)।

পুলিশ ও আদালত সূত্র জানায়, হাসিলা বেওয়া ধুনটের ঘুগরাপাড়া গ্রামের শুকরা মণ্ডলের মেয়ে। প্রায় ২৫ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে তিনি বাপের বাড়িতে থাকতেন। ছেলে হাসেম আলী খালার বাড়িতে থেকে দিনমজুরি করেন। গত ১২ অক্টোবর সকালে হাসিলা বেওয়া তার বড়বোন একই গ্রামের মোজামের স্ত্রী ধলি বেগমের সঙ্গে গ্রামে ভিক্ষা করতে বের হন। সন্ধ্যায় হাসিলা বোন ধলির সঙ্গে নিজ বাড়িতে ফেরেন।

হাসিলাকে রেখে ধলি একই গ্রামে নিজ বাড়িতে যান। একটু পর হাসিলা তার বোন ধলিকে দেখতে তার বাড়িতে যান। সেখানে বড় বোনের সঙ্গে গল্প করার পর হাসিলা নিজ বাড়ির দিকে রওনা হন। ১৩ অক্টোবর সকালে বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে একটি পতিত ধানক্ষেতে হাসিলার গলায় কাপড় দিয়ে ফাঁস দেয়া লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ব্যাপারে বোন ধলি বেগম ধুনট থানায় অজ্ঞাতদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

ওসি কৃপা সিন্ধু বালা ও অন্য কর্মকর্তারা জানান, হাসিলা বেওয়ার মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে সিএনজি অটোরিকশা চালক বাদশা আলম ও ফজলুল হককে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা হত্যার দায় স্বীকার ও জড়িত আরও কয়েকজনের নাম প্রকাশ করে। তারা হাসিলাকে রাস্তা থেকে ধরে মাঠের মধ্যে নিয়ে যায়। ধর্ষণে ব্যর্থ হয়ে তারা গলায় ওড়নার ফাঁস দিয়ে তাকে হত্যা করে লাশ ফেলে সটকে পড়ে।

বাদশা আলম ও ফজলুল হককে আদালতে হাজির করলে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পরে তাদের বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। স্বল্পসময়ে বিধবা ভিক্ষুক হাসিলার হত্যা রহস্য উন্মোচিত হওয়ায় তার স্বজন ও গ্রামবাসীর মাঝে স্বস্তি দেখা দিয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন