শেখ হাসিনা হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ আশ্রয়স্থল: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
jugantor
শেখ হাসিনা হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ আশ্রয়স্থল: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

  পিরোজপুর প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৯:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ আশ্রয়স্থল হচ্ছেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করছেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রথম শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই ভাতা তিনি এখন ১২ হাজার টাকায় উন্নীত করেছেন। প্রতি বছর দুইটি ঈদ বোনাস দেয়া হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের। এছাড়া বৈশাখী ভাতা ও বিজয় দিবস ভাতাও রয়েছে।

মন্ত্রী রোববার পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য সরকারি অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর সদর উপজেলার ১৫ জন অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন মন্ত্রী।

পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহনেওয়াজ, এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে গৌতম চৌধুরী ও এমএ রব্বানী ফিরোজ।

মন্ত্রী বলেন, ৭১-এর খুনিদের বিচার করে প্রধানমন্ত্রী এ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের এবং স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষকে সম্মানিত করেছেন। খুনিদের দাম্ভিকতা চূর্ণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে হত্যা করে। সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষের ওপর বর্বরোচিত নির্যাতন চালানো হয় দীর্ঘদিন।

এর আগে মন্ত্রী জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আমাদের সবার প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি জেলা হাসপাতালের সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন বসানোসহ করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ সময় তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব কিছু করা হবে।

এর আগে সকালে মন্ত্রী পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাঈফ মিজান স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার করোনা, বুলবুল, আম্ফানসহ ৫টি দুর্যোগ মোকাবেলা করেছে। একজন লোকও মহামারী করোনায় না খেয়ে মরেনি, না খেয়ে থাকেনি। অসচ্ছলদের বাড়ি-বাড়ি ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। লঙ্গরখানা খোলারও প্রয়োজন হয়নি। দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে অভাবনীয় পরিশ্রম করছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকালে মন্ত্রী বলেশ্বর খেয়াঘাট-হুলারহাট জেলা সড়কের ধুপপাশা এবং ফায়ার ব্রিগেডসংলগ্ন সড়কে একটি ১০ মিটার ও অন্যটি ১৫ মিটার দৈর্ঘের দুইটি ব্রিজের নির্মাণ কাজের ফলক উন্মোচন করেন।

শেখ হাসিনা হচ্ছেন মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ আশ্রয়স্থল: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

 পিরোজপুর প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধাদের শেষ আশ্রয়স্থল হচ্ছেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মুক্তিযোদ্ধাদের কল্যাণে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করে তা বাস্তবায়ন করছেন।

তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে প্রথম শুরু করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেই ভাতা তিনি এখন ১২ হাজার টাকায় উন্নীত করেছেন। প্রতি বছর দুইটি ঈদ বোনাস দেয়া হচ্ছে মুক্তিযোদ্ধাদের। এছাড়া বৈশাখী ভাতা ও বিজয় দিবস ভাতাও রয়েছে।

মন্ত্রী রোববার পিরোজপুর জেলা হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষে অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিৎসার জন্য সরকারি অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

পিরোজপুর সদর উপজেলার ১৫ জন অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন মন্ত্রী।

পিরোজপুরের সিভিল সার্জন ডা. মো. হাসনাত ইউসুফ জাকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন- জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহনেওয়াজ, এছাড়া মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে গৌতম চৌধুরী ও এমএ রব্বানী ফিরোজ।

মন্ত্রী বলেন, ৭১-এর খুনিদের বিচার করে প্রধানমন্ত্রী এ দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের এবং স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষকে সম্মানিত করেছেন। খুনিদের দাম্ভিকতা চূর্ণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করে পাকিস্তানি প্রেতাত্মারা মুক্তিযোদ্ধা সেনা অফিসারদের ফাঁসির কাষ্টে ঝুলিয়ে হত্যা করে। সারা দেশে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষের ওপর বর্বরোচিত নির্যাতন চালানো হয় দীর্ঘদিন।

এর আগে মন্ত্রী জেলা হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে বলেন, করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় আমাদের সবার প্রস্তুত থাকতে হবে। তিনি জেলা হাসপাতালের সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন বসানোসহ করোনা মোকাবেলায় বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ দেন।

এ সময় তিনি বলেন, করোনা মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব কিছু করা হবে।

এর আগে সকালে মন্ত্রী পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের শহীদ আব্দুর রাজ্জাক-সাঈফ মিজান স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার করোনা, বুলবুল, আম্ফানসহ ৫টি দুর্যোগ মোকাবেলা করেছে। একজন লোকও মহামারী করোনায় না খেয়ে মরেনি, না খেয়ে থাকেনি। অসচ্ছলদের বাড়ি-বাড়ি ত্রাণ পৌঁছে দেয়া হয়েছে। লঙ্গরখানা খোলারও প্রয়োজন হয়নি। দেশের অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে অভাবনীয় পরিশ্রম করছেন প্রধানমন্ত্রী।

বিকালে মন্ত্রী বলেশ্বর খেয়াঘাট-হুলারহাট জেলা সড়কের ধুপপাশা এবং ফায়ার ব্রিগেডসংলগ্ন সড়কে একটি ১০ মিটার ও অন্যটি ১৫ মিটার দৈর্ঘের দুইটি ব্রিজের নির্মাণ কাজের ফলক উন্মোচন করেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন