সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও প্রতিভা সমবায় সমিতি
jugantor
সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও প্রতিভা সমবায় সমিতি

  পুবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

১৮ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৪:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর

গাজীপুরে মহানগরীর গাছা থানার কলমেশ্বর এলাকা থেকে বোর্ডবাজার প্রতিভা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান সদস্যদের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার ভোরে টঙ্গী এলাকা থেকে আবদুল গনি ও পরবর্তী সময়ে সমিতির মাঠকর্মী শান্তা বেগমকে আটক করেছে গাছা থানা পুলিশ। আটকের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রতারিত সাত শতাধিক সদস্য গাছা থানার সামনে পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
প্রতারিত লিপি আক্তার, খোদেজা, সাবজান, আনসার আলী, সোহেল মিয়া, গোল মামুন ও রফিকুল ইসলাম কান্নাজড়িত কন্ঠে যুগান্তরকে বলেন, প্রতিজন ৪০-৫০ হাজার করে টাকা দিয়েছি। শনিবার ১ লাখ করে টাকা লোন দেয়ার কথা কিন্তু এর আগেই অফিস গুটিয়ে উধাও হয়ে গেছে তারা।

জানা যায়, প্রধান হোতা ও প্রতারক শাহিন আলম ও আবদুল গনি কিছুদিন আগে মিরপুরের বড়বাগ এলাকার নিউ লাইফ মাল্টি ফুড প্রডাক্টসের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে গাজীপুরে কাজ করত। সেখান থেকেই প্রতারণায় হাতেখড়ি বলে জানা গেছে। আবদুল গনি পুলিশের হাতে ধৃত হওয়ার পর নিউ লাইফের ম্যানেজার মকবুল ও এরিয়া ম্যানেজার মেহেদি ছুটে আসেন থানা থেকে ছাড়াতে। শেষ পর্যন্ত ওই দুজনকে তদন্তের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন।

এ বিষয়ে গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন যুগান্তরকে জানান, ভুয়া আইডি, ভুয়া ঠিকানা দিয়ে সে সমবায় সমিতি খুলে পরিকল্পিতভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও প্রতিভা সমবায় সমিতি

 পুবাইল (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
১৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গাজীপুর
গাজীপুর

গাজীপুরে মহানগরীর গাছা থানার কলমেশ্বর এলাকা থেকে বোর্ডবাজার প্রতিভা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান সদস্যদের প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা নিয়ে উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

রোববার ভোরে টঙ্গী এলাকা থেকে আবদুল গনি ও পরবর্তী সময়ে সমিতির মাঠকর্মী শান্তা বেগমকে আটক করেছে গাছা থানা পুলিশ। আটকের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে প্রতারিত সাত শতাধিক সদস্য গাছা থানার সামনে পাওনা টাকা উদ্ধারের জন্য বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।
প্রতারিত লিপি আক্তার, খোদেজা, সাবজান, আনসার আলী, সোহেল মিয়া, গোল মামুন ও রফিকুল ইসলাম কান্নাজড়িত কন্ঠে যুগান্তরকে বলেন, প্রতিজন ৪০-৫০ হাজার করে টাকা দিয়েছি। শনিবার ১ লাখ করে টাকা লোন দেয়ার কথা কিন্তু এর আগেই অফিস গুটিয়ে উধাও হয়ে গেছে তারা।

জানা যায়, প্রধান হোতা ও প্রতারক শাহিন আলম ও আবদুল গনি কিছুদিন আগে মিরপুরের বড়বাগ এলাকার  নিউ লাইফ মাল্টি ফুড প্রডাক্টসের বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে গাজীপুরে কাজ করত। সেখান থেকেই প্রতারণায় হাতেখড়ি বলে জানা গেছে। আবদুল গনি পুলিশের হাতে ধৃত হওয়ার পর নিউ লাইফের ম্যানেজার মকবুল ও এরিয়া ম্যানেজার মেহেদি ছুটে আসেন থানা থেকে ছাড়াতে। শেষ পর্যন্ত ওই দুজনকে তদন্তের প্রয়োজনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানিয়েছেন গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন।

এ বিষয়ে গাছা থানার ওসি ইসমাইল হোসেন যুগান্তরকে জানান, ভুয়া আইডি, ভুয়া ঠিকানা দিয়ে সে সমবায় সমিতি খুলে পরিকল্পিতভাবে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে পালিয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন