মামাতো বোনের বিয়েতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী, অতঃপর...
jugantor
মামাতো বোনের বিয়েতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী, অতঃপর...

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

১৯ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৩২:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে সুধারামে মামাতো বোনের বিয়েতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলেন ফুফাতো বোন। ধর্ষককে থানায় ধরে এনে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ সুধারাম থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। পরে রোববার নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী।

মামলায় উল্লেখ করা হয়- ২৩ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী হাতিয়া থেকে সুধারামের ভাটিরটেকে মামাতো বোন প্রিয়ার বিয়েতে আসেন। ওই দিন রাত ১১টার দিকে গায়েহলুদের অনুষ্ঠানের পর ক্লান্ত তরুণী মামার ঘরের পেছনের কক্ষে ঘুমাতে যান। হঠাৎ মামাতো ভাই শেখ ফরিদ তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তখন সে কান্নাকাটি করলে মামাতো ভাই তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একই রাতে আরও তিনবার ধর্ষণ করে।

পরদিন এ কথা জানাজানি হয়ে গেলে ওই তরুণীর মামাসহ এলাকার মুরব্বিরা বসে তরুণীর সঙ্গে মামাতো ভাই ফরিদের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরদিন ফরিদ বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করে তরুণী ও তার মাকে (ফুফু) হত্যার হুমকি দেয়।

পরে ১৫ অক্টোবর মাকে নিয়ে ওই তরুণী সুধারাম থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ শেখ ফরিদকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

কিন্তু মামলা রেকর্ড না করে রাত ৮টায় ফরিদকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে রোববার নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী। ট্রাইব্যুনাল দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুধারাম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

আদালত থেকে সুধারাম থানায় আদেশ আসার ২৪ ঘণ্টা পরও এ মামলাটি সুধারাম থানায় রেকর্ড হয়েছে কিনা- তা ডিউটি অফিসার জানাতে পারেননি।

তবে সোমবার দুপুরে সুধারাম থানার পরিদর্শক টমাস বড়ুয়া জানান, ব্যস্ততার কারণে মামলা রেকর্ড করা যায়নি।

মামাতো বোনের বিয়েতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার তরুণী, অতঃপর...

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
১৯ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর হাতিয়া থেকে সুধারামে মামাতো বোনের বিয়েতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হলেন ফুফাতো বোন। ধর্ষককে থানায় ধরে এনে ছেড়ে দেয়ার অভিযোগ সুধারাম থানা পুলিশের বিরুদ্ধে। পরে রোববার নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী।

মামলায় উল্লেখ করা হয়- ২৩ সেপ্টেম্বর ওই তরুণী হাতিয়া থেকে সুধারামের ভাটিরটেকে মামাতো বোন প্রিয়ার বিয়েতে আসেন। ওই দিন রাত ১১টার দিকে গায়েহলুদের অনুষ্ঠানের পর ক্লান্ত তরুণী মামার ঘরের পেছনের কক্ষে ঘুমাতে যান। হঠাৎ মামাতো ভাই শেখ ফরিদ তার কক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। তখন সে কান্নাকাটি করলে মামাতো ভাই তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে একই রাতে আরও তিনবার ধর্ষণ করে।

পরদিন এ কথা জানাজানি হয়ে গেলে ওই তরুণীর মামাসহ এলাকার মুরব্বিরা বসে তরুণীর সঙ্গে মামাতো ভাই ফরিদের বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু পরদিন ফরিদ বিয়ে করতে অপারগতা প্রকাশ করে তরুণী ও তার মাকে (ফুফু) হত্যার হুমকি দেয়।

পরে ১৫ অক্টোবর মাকে নিয়ে ওই তরুণী সুধারাম থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ শেখ ফরিদকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে।

কিন্তু মামলা রেকর্ড না করে রাত ৮টায় ফরিদকে থানা থেকে ছেড়ে দেয়া হয়। পরে রোববার নোয়াখালীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলা করেন ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী। ট্রাইব্যুনাল দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সুধারাম থানার ওসিকে নির্দেশ দেন।

আদালত থেকে সুধারাম থানায় আদেশ আসার ২৪ ঘণ্টা পরও এ মামলাটি সুধারাম থানায় রেকর্ড হয়েছে কিনা- তা ডিউটি অফিসার জানাতে পারেননি।

তবে সোমবার দুপুরে সুধারাম থানার পরিদর্শক টমাস বড়ুয়া জানান, ব্যস্ততার কারণে মামলা রেকর্ড করা যায়নি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন