বস্তা ও বালতি ভর্তি টাকা নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী!
jugantor
বস্তা ও বালতি ভর্তি টাকা নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী!

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  

২০ অক্টোবর ২০২০, ২২:০৭:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

বস্তা ও বালতি ভর্তি টাকা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মাগুরার মহম্মদপুরে খাইরুল ইসলাম খবির (৪৫) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী।

ছয় মণ ওজনের প্রায় ৬০ হাজার টাকার চার আনা, আট আনা, এক টাকা, দুই টাকার ধাতব মুদ্রা (কয়েন) নিয়ে বিপদে পড়েছেন তিনি। এত টাকা এখন কোনো কাজেই আসছে না তার।

মহম্মদপুর সদর বাজারে সবজির ব্যবসা করে তিনি কয়েনগুলো জমা করেন। খবির উপজেলার জাংগালিয়া গ্রামের মৃত জহুর ফকিরের ছেলে।

ব্যবসায়ী খবিরের বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ১০ বছর ধরে ক্রেতা ও ভিক্ষুকদের কাছ থেকে নেয়া কয়েনগুলো জমে ৪ বালতি ও দুই বস্তা ভর্তি হয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার টাকা। তিনি ক্রেতা ভিক্ষুকদের কাছ থেকে কয়েনের পয়সাগুলো নিলেও তার কাছ থেকে এখন আর কেউ এগুলো নিতে চাই না।

ফলে অচল হয়ে যাওয়া বিভিন্ন অঙ্কের এই ছয় মণ ওজনের কয়েন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি। বাজারের অন্য কোনো ব্যবসায়ীরা ভিক্ষুকদের কাছ থেকে কয়েনের পয়সা নিতেন না বলে তিনি তাদের কাছ থেকে কয়েন নিয়ে সবজি বিক্রি করতেন। তখন বুঝতে পারেননি কয়েনগুলো এক সময় অচল হয়ে যাবে।

খবির বলেন, গরীবদের উপকার করে আমি নিজেই এখন চরম বিপদে। ব্যবসার পুঁজি আটকে গেছে। অনেকের কাছে নিয়ে গেলেও কয়েনগুলো চালাতে পারিনি। কোনো ব্যাংকও এ বিপুল পয়সা আর নিবে না বলে জানতে পারি।

৬০ হাজার টাকার এ কয়েনগুলো ঘরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। দুই ছেলে-মেয়ে স্ত্রীসহ চার সদস্যের পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে। এ কয়েনগুলোর বিনিময় মূল্য পেলে তাহলে আমার অনেক উপকার হতো।

মহম্মদপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন মোল্যা বলেন, খবিরের কয়েন নিয়ে বিপাকে থাকার বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। ওইসব ধাতব মুদ্রা কয়েনের ব্যবহার এখন নেই বললেই চলে। বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

মহম্মদপুর সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার আব্দুল মতিন বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী খবির আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সচল কয়েনগুলো নেয়া হবে।

বস্তা ও বালতি ভর্তি টাকা নিয়ে বিপাকে ব্যবসায়ী!

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি 
২০ অক্টোবর ২০২০, ১০:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বস্তা ও বালতি ভর্তি টাকা নিয়ে বিপাকে পড়েছেন মাগুরার মহম্মদপুরে খাইরুল ইসলাম খবির (৪৫) নামের এক সবজি ব্যবসায়ী।

ছয় মণ ওজনের প্রায় ৬০ হাজার টাকার চার আনা, আট আনা, এক টাকা, দুই টাকার ধাতব মুদ্রা (কয়েন) নিয়ে বিপদে পড়েছেন তিনি। এত টাকা এখন কোনো কাজেই আসছে না তার।

মহম্মদপুর সদর বাজারে সবজির ব্যবসা করে তিনি কয়েনগুলো জমা করেন। খবির উপজেলার জাংগালিয়া গ্রামের মৃত জহুর ফকিরের ছেলে।

ব্যবসায়ী খবিরের বাড়িতে সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, গত ১০ বছর ধরে ক্রেতা ও ভিক্ষুকদের কাছ থেকে নেয়া কয়েনগুলো জমে ৪ বালতি ও দুই বস্তা ভর্তি হয়েছে। যার পরিমাণ প্রায় ৬০ হাজার টাকা। তিনি ক্রেতা ভিক্ষুকদের কাছ থেকে কয়েনের পয়সাগুলো নিলেও তার কাছ থেকে এখন আর কেউ এগুলো নিতে চাই না।

ফলে অচল হয়ে যাওয়া বিভিন্ন অঙ্কের এই ছয় মণ ওজনের কয়েন নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন তিনি। বাজারের অন্য কোনো ব্যবসায়ীরা ভিক্ষুকদের কাছ থেকে কয়েনের পয়সা নিতেন না বলে তিনি তাদের কাছ থেকে কয়েন নিয়ে সবজি বিক্রি করতেন। তখন বুঝতে পারেননি কয়েনগুলো এক সময় অচল হয়ে যাবে।

খবির বলেন, গরীবদের উপকার করে আমি নিজেই এখন চরম বিপদে। ব্যবসার পুঁজি আটকে গেছে। অনেকের কাছে নিয়ে গেলেও কয়েনগুলো চালাতে পারিনি। কোনো ব্যাংকও এ বিপুল পয়সা আর নিবে না বলে জানতে পারি।

৬০ হাজার টাকার এ কয়েনগুলো ঘরে অচল অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে দুশ্চিন্তায় পড়েছি। দুই ছেলে-মেয়ে স্ত্রীসহ চার সদস্যের পরিবার নিয়ে কষ্টে দিন কাটছে। এ কয়েনগুলোর বিনিময় মূল্য পেলে তাহলে আমার অনেক উপকার হতো।

মহম্মদপুর বাজার বণিক সমিতির সভাপতি মোফাজ্জেল হোসেন মোল্যা বলেন, খবিরের কয়েন নিয়ে বিপাকে থাকার বিষয়টি আমি জানতে পেরেছি। ওইসব ধাতব মুদ্রা কয়েনের ব্যবহার এখন নেই বললেই চলে। বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করা হবে।

মহম্মদপুর সোনালী ব্যাংকের ম্যানেজার আব্দুল মতিন বলেন, এ ব্যাপারে ব্যবসায়ী খবির আমার সঙ্গে যোগাযোগ করলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে সচল কয়েনগুলো নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন