রংপুরে আলুর দাম বাড়াচ্ছে মজুতদাররা
jugantor
রংপুরে আলুর দাম বাড়াচ্ছে মজুতদাররা

  মাহবুব রহমান, রংপুর ব্যুরো  

২০ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৩:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

হঠাৎ করে আলুর বাজার দর বেড়ে যাওয়ার পর কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না আলুর দামের ঊর্ধ্বগতি। বিভিন্ন মহলের অভিযোগ আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে মজুতদারের হাত রয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা রংপুরে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে গত বছর। তারপরও বেশি হঠাৎ কওে আলুর বাজার দও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় সব মহলের আঙুল মজুতদারদের দিকে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দর ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রকারভেদে ৩৮, ৪২ ও ৪৬ টাকা দরে আলু বিক্রয় হচ্ছে রংপুরের হাট বাজারগুলোতে। আর দাম বাড়ার জন্য পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করছে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা।

এক পাইকারি বিক্রেতা জানান, আগে ৫০ টাকা বিক্রি করেছি। এখন ৪৫ টাকা করেছি। সরকার ৩০ টাকা করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের কিনতে হচ্ছে ৪০ টাকা তাই কী ভাবে সম্ভব সরকারের বেঁধে দেয়া বাজার দরে আলু বিক্রয় করা।

কৃষি বিপণন অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য মতে, রংপুরের ৪০টি হিমাগারে বীজ ও খাবার আলুসহ মজুত আছে ১ লাখ ৬ হাজার টন। তারপরও দামের ঊর্ধ্বগতির জন্য মুনাফাখোর মজুতদারদের দায়ী করছেন কৃষক ও ভোক্তারা।

জাতীয় কৃষক সমিতি রংপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, আলু কতক্ষণ রাখা যাবে তার একটা নিয়ম রয়েছে। এর সূত্র ধরে প্রশাসন যদি কোলস্টোরেজে মনিটরিং করে তাহলে আলু দাম কমে আসবে।

হিমাগার মালিকরা দাম বৃদ্ধির জন্য গত বছর কম উৎপাদন কম হয়েছে বলে দাবি করলেও কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। তাদের হিসেবে রংপুরে গত বছর রংপুরে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে।

রংপুর চেম্বার অব কমার্সের হিমাগার মালিক ও সভাপতির মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু বলেন, এখন যে আলু রয়েছে। তার অধিকাংশই বীজ আলু। এ জন্যই আলু দাম বাড়ছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. সরওয়ারুল হক বলেন, ২০১৯-২০ মৌসুমে রংপুর জেলায় ২৬ দশমিক ৪০ টন আলু উৎপাদন হয়েছে। হিমাগার পর্যায়ে ২৩, পাইকারি ২৫ এবং খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দর ৩০ টাকা নির্ধারণ করে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর।

রংপুরে আলুর দাম বাড়াচ্ছে মজুতদাররা

 মাহবুব রহমান, রংপুর ব্যুরো 
২০ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হঠাৎ করে আলুর বাজার দর বেড়ে যাওয়ার পর কিছুতেই থামানো যাচ্ছে না আলুর দামের ঊর্ধ্বগতি। বিভিন্ন মহলের অভিযোগ আলুর দাম বৃদ্ধির পেছনে মজুতদারের হাত রয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, অন্যতম আলু উৎপাদনকারী জেলা রংপুরে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে গত বছর। তারপরও বেশি হঠাৎ কওে আলুর বাজার দও সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার নাগালের বাইরে চলে যাওয়ায় সব মহলের আঙুল মজুতদারদের দিকে।

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দর ৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হলেও প্রকারভেদে ৩৮, ৪২ ও ৪৬ টাকা দরে আলু বিক্রয় হচ্ছে রংপুরের হাট বাজারগুলোতে। আর দাম বাড়ার জন্য পাল্টাপাল্টি দোষারোপ করছে খুচরা ও পাইকারি বিক্রেতারা।

এক পাইকারি বিক্রেতা জানান, আগে ৫০ টাকা বিক্রি করেছি। এখন ৪৫ টাকা করেছি। সরকার ৩০ টাকা করে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। কিন্তু আমাদের কিনতে হচ্ছে ৪০ টাকা তাই কী ভাবে সম্ভব সরকারের বেঁধে দেয়া বাজার দরে আলু বিক্রয় করা।  

কৃষি বিপণন অধিদফতরের সর্বশেষ তথ্য মতে, রংপুরের ৪০টি হিমাগারে বীজ ও খাবার আলুসহ মজুত আছে ১ লাখ ৬ হাজার টন। তারপরও দামের ঊর্ধ্বগতির জন্য মুনাফাখোর মজুতদারদের দায়ী করছেন কৃষক ও ভোক্তারা।

জাতীয় কৃষক সমিতি রংপুরের সভাপতি অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম হক্কানী বলেন, আলু কতক্ষণ রাখা যাবে তার একটা নিয়ম রয়েছে। এর সূত্র ধরে প্রশাসন যদি কোলস্টোরেজে মনিটরিং করে তাহলে আলু দাম কমে আসবে।

হিমাগার মালিকরা দাম বৃদ্ধির জন্য গত বছর কম উৎপাদন কম হয়েছে বলে দাবি করলেও কৃষি বিভাগের পরিসংখ্যান বলছে ভিন্ন কথা। তাদের হিসেবে রংপুরে গত বছর  রংপুরে স্মরণকালের সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয়েছে।

রংপুর চেম্বার অব কমার্সের হিমাগার মালিক ও সভাপতির মোস্তফা সোহরাব চৌধুরী টিটু বলেন, এখন যে আলু রয়েছে। তার অধিকাংশই বীজ আলু। এ জন্যই আলু দাম বাড়ছে।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক ড. সরওয়ারুল হক বলেন, ২০১৯-২০ মৌসুমে রংপুর জেলায় ২৬ দশমিক ৪০ টন আলু উৎপাদন হয়েছে। হিমাগার পর্যায়ে ২৩, পাইকারি ২৫ এবং খুচরা বাজারে প্রতি কেজি আলুর দর ৩০ টাকা নির্ধারণ করে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসকদের চিঠি দেয় কৃষি বিপণন অধিদফতর।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন