বিদ্যুতের ১১ কেভি তারে জড়িয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু
jugantor
বিদ্যুতের ১১ কেভি তারে জড়িয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

  সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২১ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৩৪:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জ

সাটুরিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইমরান হোসেন (২৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে সাটুরিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে নির্মাণাধীন নতুন ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।

ইমরান হোসেন বরিশাল সদর থানার করমজা গ্রামের আ.আজিজের পুত্র বলে জানা গেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের নির্মাণাধীন নতুন ভবনের ছাদের উপর দিয়ে ইতোপূর্বে টাঙানো ছিল পল্লী বিদ্যুতের ১১ কেভি তার। বেলা ১০টার দিকে ইমরান ওই ভবনের ছাদে গিয়ে পানির টাংকের পাইপ পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় অসতর্কতায় ১১ কেভি তারে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে তার শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যায়। সহকর্মীরা এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে সাটুরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম মো. মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা দুঃখজনক একটা দুর্ঘটনা। নির্মাণাধীন ভবনের উপর দিয়ে টাঙানো ১১ কেভি তার সরিয়ে দিতে ইতোপূর্বে আবেদন করা ছিল। তদন্ত করে লাইন পুনঃনির্মাণ ব্যয়-ভাউচার জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে ওই খরচ জমা দেয়া হলে লাইন সরানো সম্ভব হতো।

এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, নির্মাণ শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় কারও কাজে গাফিলতি পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিদ্যুতের ১১ কেভি তারে জড়িয়ে নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু

 সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২১ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
মানিকগঞ্জ
মানিকগঞ্জ

সাটুরিয়ায় নির্মাণাধীন ভবনের ছাদে কাজ করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে  ইমরান হোসেন (২৮) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকালে সাটুরিয়া উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ে নির্মাণাধীন নতুন ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে। 

ইমরান হোসেন বরিশাল সদর থানার করমজা গ্রামের আ.আজিজের পুত্র বলে জানা গেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের নির্মাণাধীন নতুন ভবনের ছাদের উপর দিয়ে ইতোপূর্বে টাঙানো ছিল পল্লী বিদ্যুতের ১১ কেভি তার। বেলা ১০টার দিকে ইমরান ওই ভবনের ছাদে গিয়ে পানির টাংকের পাইপ পরীক্ষা করছিলেন। এ সময় অসতর্কতায় ১১ কেভি তারে জড়িয়ে পড়েন তিনি। এতে তার শরীরের অধিকাংশ পুড়ে যায়। সহকর্মীরা এগিয়ে গিয়ে তাকে উদ্ধার করলেও ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

এ বিষয়ে জানতে সাটুরিয়া পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের এজিএম মো. মামুনুর রশিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, এটা দুঃখজনক একটা দুর্ঘটনা। নির্মাণাধীন ভবনের উপর দিয়ে টাঙানো ১১ কেভি তার সরিয়ে দিতে ইতোপূর্বে আবেদন করা ছিল। তদন্ত করে লাইন পুনঃনির্মাণ ব্যয়-ভাউচার জানিয়ে দেয়া হয়েছে। তবে ওই খরচ জমা দেয়া হলে লাইন সরানো সম্ভব হতো।

এ ব্যাপারে সাটুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশরাফুল আলম জানান, নির্মাণ শ্রমিক মৃত্যুর ঘটনায় কারও কাজে গাফিলতি পেলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন