কারাগারের ভেতরেই আসামিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
jugantor
কারাগারের ভেতরেই আসামিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

  টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি  

২১ অক্টোবর ২০২০, ২২:২০:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে হযরত মাতুব্বর নামে এক হাজতিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কারাগার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

বুধবার সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ওই হাজতির মৃত্যু হয়।

নিহত হযরত মাতুব্বর (৫০) সদর উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের তফেল মাতুব্বরের ছেলে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে।

মাদারীপুর জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, সদর উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় গত ১৯ ও ২২ জুলাই সদর মডেল থানায় আলাদা দুটি মামলায় আসামি করা হয় হযরত মাতুব্বরকে (৫০)। পরে ২৭ সেপ্টেম্বর স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

বুধবার ভোরে হঠাৎ অসুস্থ অবস্থায় হযরতকে ভর্তি করা হয় জেলা সদর হাসপাতালে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টার দিকে মারা যান তিনি। এদিকে হযরতকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন স্বজনরা।

নিহত হযরত মাতুব্বরের স্ত্রী সাজেদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে। আমি সেদিনও দেখে এসেছি ভালো ছিল; তাকে জেলখানার লোক পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদারীপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হাজতিকে। পরে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়েই হযরতের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে সদর হাসপাতাল মর্গে।

কারাগারের ভেতরেই আসামিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

 টেকেরহাট (মাদারীপুর) প্রতিনিধি 
২১ অক্টোবর ২০২০, ১০:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাদারীপুর জেলা কারাগারের ভেতরে হযরত মাতুব্বর নামে এক হাজতিকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে কারাগার কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। 

বুধবার সকাল ৮টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জেলা সদর হাসপাতালে ওই হাজতির মৃত্যু হয়। 

নিহত হযরত মাতুব্বর (৫০) সদর উপজেলার গাছবাড়ি গ্রামের তফেল মাতুব্বরের ছেলে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে রাখা হয়েছে। 

মাদারীপুর জেলা কারাগার কর্তৃপক্ষ জানায়, সদর উপজেলার গাছবাড়িয়া এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনায় গত ১৯ ও ২২ জুলাই সদর মডেল থানায় আলাদা দুটি মামলায় আসামি করা হয় হযরত মাতুব্বরকে (৫০)। পরে ২৭ সেপ্টেম্বর স্বেচ্ছায় আদালতে হাজির হলে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক। 

বুধবার ভোরে হঠাৎ অসুস্থ অবস্থায় হযরতকে ভর্তি করা হয় জেলা সদর হাসপাতালে। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল ৮টার দিকে মারা যান তিনি। এদিকে হযরতকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেন স্বজনরা। 

নিহত হযরত মাতুব্বরের স্ত্রী সাজেদা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার স্বামীকে মেরে ফেলেছে। আমি সেদিনও দেখে এসেছি ভালো ছিল; তাকে জেলখানার লোক পিটিয়ে মেরে ফেলেছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মাদারীপুর জেলা কারাগারের জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম জানান, অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় হাজতিকে। পরে হৃদক্রিয়া বন্ধ হয়েই হযরতের মৃত্যু হয়েছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য রাখা হয়েছে সদর হাসপাতাল মর্গে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন