চাকরির প্রলোভনে ৯ মাস ধর্ষণ করে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট
jugantor
চাকরির প্রলোভনে ৯ মাস ধর্ষণ করে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২২ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩৫:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ৯ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ এনে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ পেয়ে মামলার প্রধান আসামি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলাম (৬৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে ধর্ষণ ও প্রতারণার শিকার ওই তরুণী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি হলেন সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাহবুবুর রহমান (৩৫)।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের আমানতপুর মহল্লার বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ উল্যাহর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলাম উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ওই তরুণীকে চাকরি দেয়ার কথা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ ৮-৯ মাস যাবত নোয়াখালী এবং ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে স্ত্রীর পরিচয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সিরাজুল ইসলাম মেয়েটিকে কোনো চাকরি দেয়নি বা বিয়ে করেনি। বিয়ের জন্য চাপ দিলে সিরাজুল ইসলাম নানা টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে ধর্ষক সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাহবুবুর রহমান ভয়ভীতি দেখিয়ে তরুণীর কাছ থেকে অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি কামরুজ্জামান সিকদার বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলাম মেয়েটিকে চাকরি ও বিয়ের প্রলোভনে গত ৮-৯ মাস যাবত ধর্ষণ করে আসছিল। সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাহবুবুর রহমান অনৈতিকভাবে মেয়েটির কাছ থেকে অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। মেয়েটির কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে বিকালে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি সিরাজুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার ছেলে মাহবুবুর রহমানকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

চাকরির প্রলোভনে ৯ মাস ধর্ষণ করে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২২ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

এবার নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার একলাশপুরে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে এক তরুণীকে ৯ মাস ধরে ধর্ষণের অভিযোগ এনে বাবা ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অভিযোগ পেয়ে মামলার প্রধান আসামি অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলাম (৬৫) নামে একজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে ধর্ষণ ও প্রতারণার শিকার ওই তরুণী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি হলেন সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাহবুবুর রহমান (৩৫)।

অভিযোগ ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের আমানতপুর মহল্লার বাসিন্দা মৃত মোহাম্মদ উল্যাহর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলাম উপজেলার একলাশপুর ইউনিয়নের ওই তরুণীকে চাকরি দেয়ার কথা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে দীর্ঘ ৮-৯ মাস যাবত নোয়াখালী এবং ঢাকার বিভিন্ন হোটেলে নিয়ে স্ত্রীর পরিচয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

দীর্ঘদিন পেরিয়ে গেলেও সিরাজুল ইসলাম মেয়েটিকে কোনো চাকরি দেয়নি বা বিয়ে করেনি। বিয়ের জন্য চাপ দিলে সিরাজুল ইসলাম নানা টালবাহানা শুরু করে। একপর্যায়ে ধর্ষক সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাহবুবুর রহমান ভয়ভীতি দেখিয়ে তরুণীর কাছ থেকে অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়।

বেগমগঞ্জ মডেল থানার ওসি কামরুজ্জামান সিকদার বলেন, অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট সিরাজুল ইসলাম মেয়েটিকে চাকরি ও বিয়ের প্রলোভনে গত ৮-৯ মাস যাবত ধর্ষণ করে আসছিল। সিরাজুল ইসলামের ছেলে মাহবুবুর রহমান অনৈতিকভাবে মেয়েটির কাছ থেকে অলিখিত স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়েছে। মেয়েটির কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে বিকালে অভিযান চালিয়ে মামলার প্রধান আসামি সিরাজুলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার ছেলে মাহবুবুর রহমানকেও গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন