ঘুষ না দেয়াই কাল হল বাকিতে থ্রি-পিস বিক্রি করা সেই ব্যবসায়ীর
jugantor
ঘুষ না দেয়াই কাল হল বাকিতে থ্রি-পিস বিক্রি করা সেই ব্যবসায়ীর

  বাসাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি  

২২ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩৪:৪৫  |  অনলাইন সংস্করণ

মাতবরদের ঘুষ না দেয়াই কাল হল বাসাইলের সেই কাপড় ব্যবসায়ী রতনের। এ কারণেই তাকে গুনতে হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা

রোববার রাতে থ্রি-পিস বিক্রির পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে প্রথমে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ওই কাপড় ব্যবসায়ী। পরে গ্রাম্য সালিশের নামে তার কাছ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়।

এর আগে ঘটনার রাতে ৮টার পরপরই ওই ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে বিভিন্নভাবে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দেয়ার জন্য প্রস্তাব দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন (সারোয়ার)। টাকা না পেয়ে সকালে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করেন তিনি।

এ ব্যাপারে রতনের বাবা মোশারফ হোসেন বলেন, ঘুষের টাকা না দেয়ায় আমার ছেলেকে তারা ফাঁসিয়েছে। আমি এর বিচার দাবি করছি।

সরেজমিন জানা যায়, কাউলজানী ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন (সারোয়ার) ও মনিরুজ্জামান মনির বিভিন্ন সময়ে গ্রাম্য সালিশের নামে অনেক মানুষকেই হয়রানি করছেন। তাদের দাপটে স্থানীয়রা মুখ খুলতেও ভয় পান।

এ ব্যাপারে কাউলজানী ইউপির সদস্য ইসমাইল হোসেন (সারোয়ার) টাকা চাওয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত রতন আমার দূরসম্পর্কের মামাতো ভাই। এ সময় তিনি পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন।

এ ব্যাপারে কাউলজানী ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি চৌধুরী বলেন, সালিশের নামে অর্থ আদায়ের কোনো বিধান নেই। এছাড়া তড়িঘড়ি করে ওই গৃহবধূকে তালাক দেয়ার জন্য বাধ্য করা আইনসম্মত হয়নি।

এ ব্যাপারে বাসাইল থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। খুব শিগগিরই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর:

.►বাকিতে থ্রি-পিস দিয়ে জরিমানা গুনলেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা!

ঘুষ না দেয়াই কাল হল বাকিতে থ্রি-পিস বিক্রি করা সেই ব্যবসায়ীর

 বাসাইল (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি 
২২ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মাতবরদের ঘুষ না দেয়াই কাল হল বাসাইলের সেই কাপড় ব্যবসায়ী রতনের। এ কারণেই তাকে গুনতে হচ্ছে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা

রোববার রাতে থ্রি-পিস বিক্রির পাওনা টাকা চাইতে গিয়ে প্রথমে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হন ওই কাপড় ব্যবসায়ী। পরে গ্রাম্য সালিশের নামে তার কাছ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা আদায়ের জন্য সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয়া হয়।

এর আগে ঘটনার রাতে ৮টার পরপরই ওই ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে বিভিন্নভাবে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ দেয়ার জন্য প্রস্তাব দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন (সারোয়ার)। টাকা না পেয়ে সকালে গ্রাম্য সালিশের আয়োজন করেন তিনি।

এ ব্যাপারে রতনের বাবা মোশারফ হোসেন বলেন, ঘুষের টাকা না দেয়ায় আমার ছেলেকে তারা ফাঁসিয়েছে। আমি এর বিচার দাবি করছি।

সরেজমিন জানা যায়, কাউলজানী ইউপি সদস্য ইসমাইল হোসেন (সারোয়ার) ও মনিরুজ্জামান মনির বিভিন্ন সময়ে গ্রাম্য সালিশের নামে অনেক মানুষকেই হয়রানি করছেন। তাদের দাপটে স্থানীয়রা মুখ খুলতেও ভয় পান।

এ ব্যাপারে কাউলজানী ইউপির সদস্য ইসমাইল হোসেন (সারোয়ার) টাকা চাওয়ার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, অভিযুক্ত রতন আমার দূরসম্পর্কের মামাতো ভাই। এ সময় তিনি পরিস্থিতির স্বীকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন।

এ ব্যাপারে কাউলজানী ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হবি চৌধুরী বলেন, সালিশের নামে অর্থ আদায়ের কোনো বিধান নেই। এছাড়া তড়িঘড়ি করে ওই গৃহবধূকে তালাক দেয়ার জন্য বাধ্য করা আইনসম্মত হয়নি।

এ ব্যাপারে বাসাইল থানার ওসি হারুনুর রশিদ বলেন, এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। খুব শিগগিরই অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও তিনি জানান।

এ সম্পর্কিত আরও খবর:

.►বাকিতে থ্রি-পিস দিয়ে জরিমানা গুনলেন ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা!

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন