নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা
jugantor
নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা

  নড়াইল প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২০, ১৮:২৭:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নড়াইল

নড়াইল সদরের অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক অরুণ কুমার রায়কে (৭২) গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত অরুণ রায় সদর উপজেলার তুলরামপুর ইউনিয়নের বেনাহাটি গ্রামের কিরণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি খুলনার বটিয়াঘাটা সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নিজ বসতবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,নিহত অরুণ রায়ের স্ত্রী নিভা রানী পাঠক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) খুলনার উপ-পরিচালক। দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে ইন্দ্রজিৎ রায় রবি কোম্পানির প্রকৌশলী এবং মেয়ে ইন্দ্রিরা রায় একজন চিকিৎসক।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধির পর থেকে অরুণ কুমার রায় গ্রামের বাড়িতে একাই থাকতেন। চাকরির সুবাদে তার স্ত্রী খুলনায় থাকেন। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউসহ গ্রামের বাড়িতে আসেন। বাড়িতে এসে স্বামীকে অনেক ডাকাডাকির পরও ঘর থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। পরে ছাদ দিয়ে রুমের ভেতরে ঢোকেন অরুণের ছেলে ইন্দ্রজিৎ রায়। রুমের ভেতর গিয়ে বাবার গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি।

পরে পুলিশকে বিষয়টি অবিহিত করলে রাত ৯টার দিকে ওই বসতবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
সরেজমিন দেখা যায়, ঘরে প্রবেশের মূল ফটক তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। দুর্বৃত্তরা কীভাবে ঘরে প্রবেশ করেছে, তা এই মুহূর্তে বোঝা যাচ্ছে না। তবে ছাদ দিয়ে ঘরে প্রবেশের জায়গা খোলা ছিল। এছাড়া ঘরের পেছনের একটি প্রবেশপথও খোলা দেখা গেছে। ঘর থেকে কোনো কিছু খোয়া গেছে কি-না, তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে।

অরুণ কুমার রায় খুলনার বাটিয়াঘাটা সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০৮ সালের নভেম্বরে অবসরে যান। স্ত্রী নিভা রানী পাঠকের চাকরিও প্রায় শেষপর্যায়ে রয়েছে।

নড়াইল সদর থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন,ধারণা করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির তিন কেয়ারটেকারকে আটক করা হয়েছে।

নড়াইলে অবসরপ্রাপ্ত কলেজ শিক্ষককে গলা কেটে হত্যা

 নড়াইল প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৬:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
নড়াইল
নড়াইল

নড়াইল সদরের অবসরপ্রাপ্ত কলেজশিক্ষক অরুণ কুমার রায়কে (৭২) গলা  কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত অরুণ রায় সদর উপজেলার তুলরামপুর ইউনিয়নের বেনাহাটি গ্রামের কিরণ চন্দ্র রায়ের ছেলে। তিনি খুলনার বটিয়াঘাটা সরকারি কলেজের শিক্ষক ছিলেন। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত ৯টার দিকে নিজ বসতবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। 

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়,নিহত অরুণ রায়ের স্ত্রী নিভা রানী পাঠক মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) খুলনার উপ-পরিচালক। দুই ছেলে মেয়ের মধ্যে ইন্দ্রজিৎ রায় রবি কোম্পানির প্রকৌশলী এবং মেয়ে ইন্দ্রিরা রায় একজন চিকিৎসক।  

করোনাভাইরাসের প্রকোপ বৃদ্ধির পর থেকে অরুণ কুমার রায় গ্রামের বাড়িতে একাই থাকতেন। চাকরির সুবাদে তার স্ত্রী খুলনায় থাকেন। তবে দুর্গাপূজা উপলক্ষে শুক্রবার সন্ধ্যায় স্ত্রী, ছেলে, ছেলের বউসহ গ্রামের বাড়িতে আসেন। বাড়িতে এসে স্বামীকে অনেক ডাকাডাকির পরও ঘর থেকে কোনো সাড়া মেলেনি। পরে ছাদ দিয়ে  রুমের ভেতরে ঢোকেন অরুণের ছেলে ইন্দ্রজিৎ রায়। রুমের ভেতর গিয়ে বাবার গলাকাটা রক্তাক্ত মরদেহ দেখতে পান তিনি। 

পরে পুলিশকে বিষয়টি অবিহিত করলে রাত ৯টার দিকে ওই বসতবাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
সরেজমিন দেখা যায়, ঘরে প্রবেশের মূল ফটক তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। দুর্বৃত্তরা কীভাবে ঘরে প্রবেশ করেছে, তা এই মুহূর্তে বোঝা যাচ্ছে না। তবে ছাদ দিয়ে ঘরে প্রবেশের জায়গা খোলা ছিল। এছাড়া ঘরের পেছনের একটি প্রবেশপথও খোলা দেখা গেছে। ঘর থেকে কোনো কিছু খোয়া গেছে কি-না, তাও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। 

অরুণ কুমার রায় খুলনার বাটিয়াঘাটা সরকারি  ডিগ্রি কলেজ থেকে ২০০৮ সালের নভেম্বরে অবসরে যান। স্ত্রী নিভা রানী পাঠকের চাকরিও প্রায় শেষপর্যায়ে রয়েছে। 

নড়াইল সদর থানার ওসি মো. ইলিয়াস হোসেন বলেন,ধারণা করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির তিন কেয়ারটেকারকে আটক করা হয়েছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন