বিয়ের পানিপড়া খাইয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করল কবিরাজ
jugantor
বিয়ের পানিপড়া খাইয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করল কবিরাজ

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

২৪ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৬:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিয়ে হওয়ার পানিপড়া খাইয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে কবিরাজ পরিচয়দানকারী এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে ওই তরুণী শ্রীপুর থানায় কবিরাজকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছেন। গত মঙ্গলবার উপজেলার নয়নপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শ্রীপুর থানার ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন মামলার বরাত দিয়ে জানান, ভিকটিম স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। প্রায় আড়াই মাস আগে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের নয়নপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়ায় ওঠেন ওই ভুক্তভোগী পোশাক শ্রমিক।

ওই বাড়িতে কবিরাজ পরিচয়দানকারী আবুল হাশেমও ভাড়া থাকে। একই বাড়িতে ভাড়া থাকায় ভিকটিমের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। গত মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ভিকটিমকে কথা আছে বলে আবুল হাশেম তার ঘরে ডেকে নেয়।

কে বা কারা ভিকটিমকে 'বান' মেরেছে বলে ওই কবিরাজ তাকে জানায়। তাই তার বিয়ের কোনো প্রস্তাব আসে না। এজন্য একটি গ্লাসে পানি ভরে ভিকটিমকে পান করতে বলে। ভিকটিম তার কথা বিশ্বাস করে পানি পান করে এবং তার ঘরে চলে যায়।

পানি পান করার পর তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। এর কিছুক্ষণ পরই ভিকটিমের ঘর থেকে আবুল হাশেম তাকে ডেকে বের করে পাশের খালিঘরে নিয়ে যায় এবং দরজা আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে।

পরে ভিকটিম দরজা খুলে ঘর থেকে বের হয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে ভিকটিমকে খুন করার হুমকি দেয় আবুল হাশেম। এ সময় ভিকটিমের ফুফু ওই বাসায় গেলে আবুল হাশেম চলে যায়। পরে স্বজনদের সঙ্গে পুরো ঘটনা আলোচনা করে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত কবিরাজ পরিচয়দানকারী আবুল হাশেম পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি।

বিয়ের পানিপড়া খাইয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করল কবিরাজ

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
২৪ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে বিয়ে হওয়ার পানিপড়া খাইয়ে এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে কবিরাজ পরিচয়দানকারী এক যুবকের বিরুদ্ধে।

এ ব্যাপারে ওই তরুণী শ্রীপুর থানায় কবিরাজকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করেছেন। গত মঙ্গলবার উপজেলার নয়নপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

শ্রীপুর থানার ওসি খোন্দকার ইমাম হোসেন মামলার বরাত দিয়ে জানান, ভিকটিম স্থানীয় একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। প্রায় আড়াই মাস আগে উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের নয়নপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়ায় ওঠেন ওই ভুক্তভোগী পোশাক শ্রমিক।

ওই বাড়িতে কবিরাজ পরিচয়দানকারী আবুল হাশেমও ভাড়া থাকে। একই বাড়িতে ভাড়া থাকায় ভিকটিমের সঙ্গে পরিচয় হয় তার। গত মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ভিকটিমকে কথা আছে বলে আবুল হাশেম তার ঘরে ডেকে নেয়।

কে বা কারা ভিকটিমকে 'বান' মেরেছে বলে ওই কবিরাজ তাকে জানায়। তাই তার বিয়ের কোনো প্রস্তাব আসে না। এজন্য একটি গ্লাসে পানি ভরে ভিকটিমকে পান করতে বলে। ভিকটিম তার কথা বিশ্বাস করে পানি পান করে এবং তার ঘরে চলে যায়। 

পানি পান করার পর তার শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়। এর কিছুক্ষণ পরই ভিকটিমের ঘর থেকে আবুল হাশেম তাকে ডেকে বের করে পাশের খালিঘরে নিয়ে যায় এবং দরজা আটকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে। 

পরে ভিকটিম দরজা খুলে ঘর থেকে বের হয়ে কান্নাকাটি শুরু করেন। ঘটনাটি কাউকে জানালে ভিকটিমকে খুন করার হুমকি দেয় আবুল হাশেম। এ সময় ভিকটিমের ফুফু ওই বাসায় গেলে আবুল হাশেম চলে যায়। পরে স্বজনদের সঙ্গে পুরো ঘটনা আলোচনা করে মামলা দায়ের করেন।

মামলা দায়েরের পর থেকে অভিযুক্ত কবিরাজ পরিচয়দানকারী আবুল হাশেম পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানান ওসি। 

 
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন