চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা
jugantor
চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা

  নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ২০:০৪:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে এবার চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে হবিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর গণ্যে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নবীগঞ্জ থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল গ্রামের মহিবুর রহমানের স্ত্রী মৌসুমী বেগম মামলার বিবরণে বলেন- তিনি গত ৮ অক্টোবর বিকালে রিকশাযোগে শেরপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পারকুল গ্রামের মেম্বার দুলাল মিয়ার বাড়ির সামনে আসামাত্র আসামিরা তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

একটি অজ্ঞাত স্থানে তিন দিন আটক রেখে আসামিরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। চার দিন পর আসামিরা স্থানীয় আউশকান্দি বাজারের একটি রেস্টুরেন্টের সামনে সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে ভিকটিমের স্বামী মুহিবুর রহমান এসে তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান।

উক্ত ধর্ষণ মামলার আসামিরা হচ্ছেন- উপজেলার আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন (৫০) ও তার পরিষদের সদস্য দুলাল আহমদ (৪০), সেবুল মিয়া (২৮), সহিদুল মিয়া (২৫), জিবু মিয়াসহ (২৭) অজ্ঞাত তিনজন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবিগঞ্জ জেলা দায়রা ও জেলা জজ মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী গত ১৮ অক্টোবর নালিশকারীর দরখাস্ত ও জবানবন্দি পর্যালোচনা করে নির্দেশ দিয়ে বলেন, নালিশের অভিযোগ অপরাধযোগ্য। তাই নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে মামলার এফআইআর করার নির্দেশ দেন এবং তিন কার্য দিবসের মধ্যে মামলা রজু করে প্রতিবেদন অত্র ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

বাদীর স্বামী মুহিবুর রহমান অভিযোগ করেন, মামলার সাক্ষীদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করে হুমকি দিচ্ছে ও তাকে মামলা তোলার জন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন বলেন, আমি শুনেছি একটি নারী নির্যাতন মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আমি কিছুই জানি না।

ইউপি সদস্য দুলাল আহমদ বলেন, এরকম ঘৃণিত কাজের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই, আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।

নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান জানান, মামলাটি আদালতের আদেশে প্রক্রিয়াধীন আছে। আজ রাতেই এফআইআর গণ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে আদালতে মামলা

 নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ধর্ষণ

নবীগঞ্জ উপজেলার পল্লীতে এবার চেয়ারম্যান-মেম্বারসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগে হবিগঞ্জ আদালতে মামলা হয়েছে। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে এফআইআর গণ্যে তিন দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে নবীগঞ্জ থানাকে নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের পারকুল গ্রামের মহিবুর রহমানের স্ত্রী মৌসুমী বেগম মামলার বিবরণে বলেন- তিনি গত ৮ অক্টোবর বিকালে রিকশাযোগে শেরপুর বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে পারকুল গ্রামের মেম্বার দুলাল মিয়ার বাড়ির সামনে আসামাত্র আসামিরা তাকে জোরপূর্বক একটি সিএনজিযোগে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

একটি অজ্ঞাত স্থানে তিন দিন আটক রেখে আসামিরা পালাক্রমে ধর্ষণ করে। চার দিন পর আসামিরা স্থানীয় আউশকান্দি বাজারের একটি রেস্টুরেন্টের সামনে সিএনজি থেকে নামিয়ে দিয়ে চলে যায়। পরে খবর পেয়ে ভিকটিমের স্বামী মুহিবুর রহমান এসে তাকে উদ্ধার করে নবীগঞ্জ সরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা করান।

উক্ত ধর্ষণ মামলার আসামিরা হচ্ছেন- উপজেলার আউশকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন (৫০) ও তার পরিষদের সদস্য দুলাল আহমদ (৪০), সেবুল মিয়া (২৮), সহিদুল মিয়া (২৫), জিবু মিয়াসহ (২৭) অজ্ঞাত তিনজন।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক হবিগঞ্জ জেলা দায়রা ও জেলা জজ মোহাম্মদ হালিম উল্লাহ চৌধুরী গত ১৮ অক্টোবর নালিশকারীর দরখাস্ত ও জবানবন্দি পর্যালোচনা করে নির্দেশ দিয়ে বলেন, নালিশের অভিযোগ অপরাধযোগ্য। তাই নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জকে মামলার এফআইআর করার নির্দেশ দেন এবং তিন কার্য দিবসের মধ্যে মামলা রজু করে প্রতিবেদন অত্র ট্রাইব্যুনালে প্রেরণ করার নির্দেশ দেন।

বাদীর স্বামী মুহিবুর রহমান অভিযোগ করেন, মামলার সাক্ষীদের চেয়ারম্যান ও মেম্বারের পক্ষ থেকে চাপ সৃষ্টি করে হুমকি দিচ্ছে ও তাকে মামলা তোলার জন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছে।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুর রহমান হারুন বলেন, আমি শুনেছি একটি নারী নির্যাতন মামলা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আমি কিছুই জানি না।

ইউপি সদস্য দুলাল আহমদ বলেন, এরকম ঘৃণিত কাজের সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নেই, আমাকে মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে।

নবীগঞ্জ থানার ওসি আজিজুর রহমান জানান, মামলাটি আদালতের আদেশে প্রক্রিয়াধীন আছে। আজ রাতেই এফআইআর গণ্যে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন