রাজশাহীতে মা-মেয়েকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ
jugantor
রাজশাহীতে মা-মেয়েকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

  রাজশাহী ব্যুরো  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ২০:২৩:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী

রাজশাহীতে প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মা-মেয়েকে মাদকের মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী আশা খাতুন (২৮) রোববার বিকালে মহানগরীর একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। আশার মা মাবিয়া খাতুন (৪৮) গত ২৩ অক্টোবর থেকে জেলহাজতে। মহানগরীর আসাম কলোনিতে তাদের বাড়ি।

সংবাদ সম্মেলনে আশা বলেন, তাকেও মাদকের মামলায় পলাতক আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা মাদকের ব্যবসা করেন না। পুলিশের দেয়া মামলার কারণে তিনি বাড়িতে থাকতে পারছেন না, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তার মায়ের নামে দেয়া মাদকের মিথ্যা মামলা নিয়ে তিনি যেন প্রতিবাদ করতে না পারেন সেজন্য তাকেও পলাতক আসামি করা হয়েছে বলে মনে করেন আশা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২২ অক্টোবর রাতে নগরীর চন্দ্রিমা থানা পুলিশ তাদের বাড়িতে যায়। সেই রাতে তিনি বাড়িতে ছিলেন না। নওগাঁয় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। পুলিশ বাড়ি থেকে তার মাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করা হয়। তাদের বাড়ি থেকে ৯৫ দশমিক ৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আশা বলেন, তারা মাদকের ব্যবসা করেন না। এলাকায় সম্মানের সাথেই বসবাস করেন। পুলিশ প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের ফাঁসিয়েছে। আশার বক্তব্য- তারা এক কাঠা জমিতে বাড়ি করে বসবাস করেন। প্রতিবেশী প্রভাবশালী এক ব্যক্তি জমিটি তাদের কাছে বিক্রি করে দিতে বলেছিলেন। তারা রাজি হননি। এরপর থেকেই ওই পরিবারটি তাদের নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় একজন আওয়ামী লীগ নেতার মাধ্যমে পুলিশকে প্রভাবিত করে তার মাকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মামলা দেয়া হয়েছে। হেনস্থা করতে তাকেও পলাতক আসামি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুম মুনীর। তিনি দাবি করেন, পরিবারটি মাদকের ব্যবসায় জড়িত। বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় হেরোইন পাওয়া গেছে। তাই মামলা করা হয়েছে। পুলিশ কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়নি বলেও দাবি করেন ওসি।

রাজশাহীতে মা-মেয়েকে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ

 রাজশাহী ব্যুরো 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
রাজশাহী
রাজশাহী

রাজশাহীতে প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে মা-মেয়েকে মাদকের মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ভুক্তভোগী আশা খাতুন (২৮) রোববার বিকালে  মহানগরীর একটি রেস্তোরাঁয় সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন। আশার মা মাবিয়া খাতুন (৪৮) গত ২৩ অক্টোবর থেকে জেলহাজতে। মহানগরীর আসাম কলোনিতে তাদের বাড়ি।

সংবাদ সম্মেলনে আশা বলেন, তাকেও মাদকের মামলায় পলাতক আসামি করা হয়েছে। অথচ তারা মাদকের ব্যবসা করেন না। পুলিশের দেয়া মামলার কারণে তিনি বাড়িতে থাকতে পারছেন না, পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তার মায়ের নামে দেয়া মাদকের মিথ্যা মামলা নিয়ে তিনি যেন প্রতিবাদ করতে না পারেন সেজন্য তাকেও পলাতক আসামি করা হয়েছে বলে মনে করেন আশা।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ২২ অক্টোবর রাতে নগরীর চন্দ্রিমা থানা পুলিশ তাদের বাড়িতে যায়। সেই রাতে তিনি বাড়িতে ছিলেন না। নওগাঁয় বোনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। পুলিশ বাড়ি থেকে তার মাকে তুলে নিয়ে যায়। এরপর তার বিরুদ্ধে মাদকের মামলা করা হয়। তাদের বাড়ি থেকে ৯৫ দশমিক ৮ গ্রাম হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

আশা বলেন, তারা মাদকের ব্যবসা করেন না। এলাকায় সম্মানের সাথেই বসবাস করেন। পুলিশ প্রতিপক্ষের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে তাদের ফাঁসিয়েছে। আশার বক্তব্য- তারা এক কাঠা জমিতে বাড়ি করে বসবাস করেন। প্রতিবেশী প্রভাবশালী এক ব্যক্তি জমিটি তাদের কাছে বিক্রি করে দিতে বলেছিলেন। তারা রাজি হননি। এরপর থেকেই ওই পরিবারটি তাদের নানাভাবে হেনস্থা করার চেষ্টা করছে। স্থানীয় একজন আওয়ামী লীগ নেতার মাধ্যমে পুলিশকে প্রভাবিত করে তার মাকে উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে মামলা দেয়া হয়েছে। হেনস্থা করতে তাকেও পলাতক আসামি করা হয়েছে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুম মুনীর। তিনি দাবি করেন, পরিবারটি মাদকের ব্যবসায় জড়িত। বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় হেরোইন পাওয়া গেছে। তাই মামলা করা হয়েছে। পুলিশ কারও দ্বারা প্রভাবিত হয়নি বলেও দাবি করেন ওসি।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন