সেন্টমার্টিনে নৌ যোগাযোগ শুরু, ফিরেছেন আটকেপড়া পর্যটকরা
jugantor
সেন্টমার্টিনে নৌ যোগাযোগ শুরু, ফিরেছেন আটকেপড়া পর্যটকরা

  টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ২০:৪৯:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

সেন্টমার্টিনে নৌ যোগাযোগ শুরু, ফিরেছেন আটকেপড়া পর্যটকরা

সাগর শান্ত আর আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঙ্গে ফের নৌ যাতায়াত স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ফলে গত চার দিন ধরে সেখানে আটকেপড়া পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছেন। সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উপকূলে হুশিয়ারি সংকেত জারি করলে গত ২২ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার ও টেকনাফের সঙ্গে সেন্টমার্টিনের ট্রলার ও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে গিয়ে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েন।

আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় রোববার সকাল থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথে ট্রলার ও জাহাজ চলাচল শুরু হয়।

সকাল ১০টার দিকে সেন্টমার্টিন জেটিঘাট থেকে পাঁচটি যাত্রীবাহী ট্রলারে করে স্থানীয় যাত্রীদের সঙ্গে প্রায় দুই শতাধিক পর্যটক টেকনাফের উদ্দেশে সেন্টমার্টিন ছেড়ে আসেন। দুপুরে তারা টেকনাফে পৌঁছেন।

সেন্টমার্টিন যাত্রীবাহী ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলম জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিয়ে পাঁচটি ট্রলার দুপুরেই টেকনাফে পৌঁছেছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে ট্রলার চলাচল শুরু করার জন্য টেকনাফের উপজেলা প্রশাসন অনুমতি দেয়ায় আজ থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে ট্রলার চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে চলাচলকারী পর্যটকবাহী জাহাজ এমভি কর্ণফুলী রোববার সকাল থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে চলাচল শুরু করেছে। পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস রোববার সকাল ৭টায় পর্যটকদের নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে কক্সবাজার ছাড়ে। জাহাজটি দুপুরে সেন্টমার্টিন পৌঁছে। দ্বীপে আটকেপড়া পর্যটকদের নিয়ে জাহাজটি বিকাল ৪টায় সেন্টমার্টিন থেকে রওনা হয়েছে। এটি রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কক্সবাজার ঘাটে পৌঁছার কথা রয়েছে।

পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস কক্সবাজার অফিসের ইনচার্জ হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় আজ থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে কর্ণফুলী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে আটকেপড়া পর্যটকদের নিয়ে বিকাল ৪টায় রওনা দিয়েছে জাহাজটি। সেটি রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কক্সবাজার ঘাটে ভিড়বে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গত কয়েক দিন ধরে সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। তাই সেখানে আটকে পড়ে ৫ শতাধিক পর্যটক। আটকেপড়া পর্যটকদের প্রশাসনিক তদারকিতে নিরাপদে রাখা হয়। শনিবার থেকে সংকেত উঠে গেছে। জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় দুপুরে প্রায় দুইশ' পর্যটক টেকনাফে ফিরে এসেছেন। বাকিরাও পর্যায়ক্রমে জাহাজে করে ফিরে আসছেন।

আবহাওয়া অফিসের হুশিয়ারি সংকেত দেয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে সব ধরনের ট্রলার ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এ কারণে বুধবার বা তার আগের দিন সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যাওয়া প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েন। বুধবার হুশিয়ারি সংকেত জারির পর সেন্টমার্টিন দ্বীপে অবস্থান করা পর্যটকদের কক্সবাজার ফিরে যেতে মাইকিং করা হয়েছিল কিন্তু অধিকাংশ পর্যটক স্বেচ্ছায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে থেকে যান।

সেন্টমার্টিনে নৌ যোগাযোগ শুরু, ফিরেছেন আটকেপড়া পর্যটকরা

 টেকনাফ (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সেন্টমার্টিনে নৌ যোগাযোগ শুরু, ফিরেছেন আটকেপড়া পর্যটকরা
সেন্টমার্টিনে নৌ যোগাযোগ শুরু, ফিরেছেন আটকেপড়া পর্যটকরা

সাগর শান্ত আর আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় সেন্টমার্টিন দ্বীপের সঙ্গে ফের নৌ যাতায়াত স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। ফলে গত চার দিন ধরে সেখানে আটকেপড়া পর্যটকরা ফিরতে শুরু করেছেন। সাগরে নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্র উপকূলে হুশিয়ারি সংকেত জারি করলে গত ২২ অক্টোবর থেকে কক্সবাজার ও টেকনাফের সঙ্গে সেন্টমার্টিনের ট্রলার ও জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণে গিয়ে পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকা পড়েন।

আবহাওয়া পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় রোববার সকাল থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্রপথে ট্রলার ও জাহাজ চলাচল শুরু হয়। 

সকাল ১০টার দিকে সেন্টমার্টিন জেটিঘাট থেকে পাঁচটি যাত্রীবাহী ট্রলারে করে স্থানীয় যাত্রীদের সঙ্গে প্রায় দুই শতাধিক পর্যটক টেকনাফের উদ্দেশে সেন্টমার্টিন ছেড়ে আসেন। দুপুরে তারা টেকনাফে পৌঁছেন।

সেন্টমার্টিন যাত্রীবাহী ট্রলার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আলম জানিয়েছেন, পর্যটকদের নিয়ে পাঁচটি ট্রলার দুপুরেই টেকনাফে পৌঁছেছে। আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ায় সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে ট্রলার চলাচল শুরু করার জন্য টেকনাফের উপজেলা প্রশাসন অনুমতি দেয়ায় আজ থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে ট্রলার চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

অপরদিকে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে চলাচলকারী পর্যটকবাহী জাহাজ এমভি কর্ণফুলী রোববার সকাল থেকে সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে চলাচল শুরু করেছে। পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস রোববার সকাল ৭টায় পর্যটকদের নিয়ে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে কক্সবাজার ছাড়ে। জাহাজটি দুপুরে সেন্টমার্টিন পৌঁছে। দ্বীপে আটকেপড়া পর্যটকদের নিয়ে জাহাজটি বিকাল ৪টায় সেন্টমার্টিন থেকে রওনা হয়েছে। এটি রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কক্সবাজার ঘাটে পৌঁছার কথা রয়েছে। 

পর্যটকবাহী জাহাজ কর্ণফুলী এক্সপ্রেস কক্সবাজার অফিসের ইনচার্জ হোসাইন ইসলাম বাহাদুর জানান, আবহাওয়া স্বাভাবিক হওয়ায় আজ থেকে সেন্টমার্টিনের উদ্দেশে কর্ণফুলী জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। সেখানে আটকেপড়া পর্যটকদের নিয়ে বিকাল ৪টায় রওনা দিয়েছে জাহাজটি। সেটি রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কক্সবাজার ঘাটে ভিড়বে।
টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে গত কয়েক দিন ধরে সেন্টমার্টিন নৌরুটে জাহাজ চলাচল বন্ধ ছিল। তাই সেখানে আটকে পড়ে ৫ শতাধিক পর্যটক। আটকেপড়া পর্যটকদের প্রশাসনিক তদারকিতে নিরাপদে রাখা হয়। শনিবার থেকে সংকেত উঠে গেছে। জাহাজ চলাচল শুরু হওয়ায় দুপুরে প্রায় দুইশ' পর্যটক টেকনাফে ফিরে এসেছেন। বাকিরাও পর্যায়ক্রমে জাহাজে করে ফিরে আসছেন।

আবহাওয়া অফিসের হুশিয়ারি সংকেত দেয়ার পর বৃহস্পতিবার থেকে কক্সবাজার-টেকনাফ-সেন্টমার্টিন সমুদ্র পথে সব ধরনের ট্রলার ও জাহাজ চলাচল বন্ধ করে দেয় প্রশাসন। এ কারণে বুধবার বা তার আগের দিন সেন্টমার্টিনে বেড়াতে যাওয়া প্রায় পাঁচ শতাধিক পর্যটক আটকে পড়েন। বুধবার হুশিয়ারি সংকেত জারির পর সেন্টমার্টিন দ্বীপে অবস্থান করা পর্যটকদের কক্সবাজার ফিরে যেতে মাইকিং করা হয়েছিল কিন্তু অধিকাংশ পর্যটক স্বেচ্ছায় সেন্টমার্টিন দ্বীপে থেকে যান।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন