নোয়াখালীতে মাদ্রাসাছাত্রকে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন
jugantor
নোয়াখালীতে মাদ্রাসাছাত্রকে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন

  কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৬:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

শিশু নির্যাতন

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে মোহাম্মদ নাঈম হোসেন (১৩) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রকে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন করেছে দুর্বৃত্তরা। কিশোরের পরিবারের অভিযোগ সুপারি চুরিতে বাধা দেয়ায় অজ্ঞাত তিন কিশোর নাঈমকে পেছন থেকে চোখ-মুখ চেপে ধরে ব্লেড দিয়ে জখম করে।

রোববার সকালে পশ্চিম নরোত্তমপুর গ্রামের আবুল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাঈম হোসেন ওই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় সালেহপুর দারুল উলুম মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

আহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে এক কিশোরকে তাদের বাগানে সুপারি চুরি করতে দেখে বাধা দেয় নাঈম। এর একটু পর বাগানে থাকা অবস্থায় অজ্ঞাত তিন কিশোর পেছন থেকে নাঈমের চোখ ও মুখ চেপে ধরে পাশের অন্য একটি বাগানে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নাঈমকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে জখম করলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। জ্ঞান ফিরে আসার পর তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে মাইজদীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নবীর হোসেন জানান, এ বিষয়ে খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নোয়াখালীতে মাদ্রাসাছাত্রকে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন

 কোম্পানীগঞ্জ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
শিশু নির্যাতন
শিশু নির্যাতন

নোয়াখালী সদর উপজেলার নোয়ান্নই ইউনিয়নে মোহাম্মদ নাঈম হোসেন (১৩) নামের এক মাদ্রাসাছাত্রকে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে নির্যাতন করেছে দুর্বৃত্তরা। কিশোরের পরিবারের অভিযোগ সুপারি চুরিতে বাধা দেয়ায় অজ্ঞাত তিন কিশোর নাঈমকে পেছন থেকে চোখ-মুখ চেপে ধরে ব্লেড দিয়ে জখম করে।

রোববার সকালে পশ্চিম নরোত্তমপুর গ্রামের আবুল হোসেনের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। আহত নাঈম হোসেন ওই গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে। সে স্থানীয় সালেহপুর দারুল উলুম মাদ্রাসার সপ্তম শ্রেণির ছাত্র।

আহত শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সকালে মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে এক কিশোরকে তাদের বাগানে সুপারি চুরি করতে দেখে বাধা দেয় নাঈম। এর একটু পর বাগানে থাকা অবস্থায় অজ্ঞাত তিন কিশোর পেছন থেকে  নাঈমের চোখ ও মুখ চেপে ধরে পাশের অন্য একটি বাগানে নিয়ে যায়। এ সময় তারা নাঈমকে এলোপাতাড়ি মারতে থাকে এবং শরীরের বিভিন্ন অংশে ব্লেড দিয়ে খুঁচিয়ে রক্তাক্ত করে জখম করলে সে অজ্ঞান হয়ে যায়। জ্ঞান ফিরে আসার পর তার চিৎকারে বাড়ির লোকজন এগিয়ে গিয়ে নাঈমকে উদ্ধার করে মাইজদীর একটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন।

সুধারাম মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নবীর হোসেন জানান, এ বিষয়ে খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন