মোবাইলে অশ্লীল কথোপকথনের অপবাদ সইতে না পেরে যুবকের ‘আত্মহত্যা’
jugantor
মোবাইলে অশ্লীল কথোপকথনের অপবাদ সইতে না পেরে যুবকের ‘আত্মহত্যা’

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৭:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্নহত্যা

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে মুঠোফোনে অশ্লীল কথাবার্তার জেরে মাতুব্বরদের ধার্য করা ত্রিশ হাজার টাকা দিতে না পেরে যুবক হাবিব রানা (২২) আত্মহত্যা করেছে। সে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে। সে শ্রীপুর পৌরসভার দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে মনির হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। ওই বাড়িতে ভাড়া থেকে সে স্থানীয় হ্যাম্স গার্মেন্টস লিমিটেডে চাকরি করত। রোববার সকালে হাবিব রানার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা জানান, পরিবাবরসহ মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয়ভাবে দিনমজুরের কাজ করেন তিনি। পারিবারিক কারণে তিনি তার স্ত্রীর মুঠোফোনে অটো রেকডিং চালু রাখতেন। তাদের পাশের কক্ষেই ভাড়া থাকতেন হাবিব রানা। মাঝে মধ্যে তার মেয়ের জন্য মজাদার খাবার কিনে আনতো হাবিব। শনিবার রাতে তিনি কাজ থেকে ফিরে ফোনের অটো রেকর্ডিংয়ে হাবিব ও তার মেয়ের বিভিন্ন আপত্তিকর কথা শুনতে পান। এ সময় তিনি হাবিবকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিষয়টি বাড়ির মালিকসহ স্থানীয়দের জানান।

নিহতের বড়ভাই মফিজুর রহমান জানান, তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেন। শনিবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির মালিক মনির হোসেন বিষয়টি তাকে জানান। দ্রুত ঘটনাটি মীমাংসা না করলে তার ভাইকে থানা পুলিশের কাছে দেয়া হবে বলে জানানো হয়। ঘটনা শুনে রাতেই তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে শ্রীপুর চলে যান।
পরে স্থানীয় মোজাম্মেল হক, জহির, বাড়ির মালিক মনির, নবী হোসেন ও চান মিয়া ঘটনার মীমাংসা করে দেয়ার বিনিময়ে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু মধ্য রাতে টাকার কোনো ব্যবস্থা করতে পারেননি। পরদিন রোববার সকালে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঠানো টাকা তুলতে শ্রীপুর বাজারে যান। পরে বাজারে থাকাকালীন তাকে জানানো হয় তার ভাই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক জানান, তারা ঘটনা মীমাংসা বা কোনো টাকা দাবি করেননি।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি বিভিন্নভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

মোবাইলে অশ্লীল কথোপকথনের অপবাদ সইতে না পেরে যুবকের ‘আত্মহত্যা’

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্নহত্যা
আত্নহত্যা

গাজীপুরের শ্রীপুরে এক শিক্ষার্থীর সঙ্গে মুঠোফোনে অশ্লীল কথাবার্তার জেরে মাতুব্বরদের ধার্য করা ত্রিশ হাজার টাকা দিতে না পেরে যুবক হাবিব রানা (২২) আত্মহত্যা করেছে। সে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলার বড়বাড়িয়া গ্রামের আবুল কালাম শেখের ছেলে। সে শ্রীপুর পৌরসভার দক্ষিণ ভাংনাহাটি গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে মনির হোসেনের বাড়ির ভাড়াটিয়া। ওই বাড়িতে ভাড়া থেকে সে স্থানীয় হ্যাম্স গার্মেন্টস লিমিটেডে চাকরি করত। রোববার সকালে হাবিব রানার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

ওই শিক্ষার্থীর বাবা জানান, পরিবাবরসহ মনির হোসেনের বাড়িতে ভাড়া থেকে স্থানীয়ভাবে দিনমজুরের কাজ করেন তিনি। পারিবারিক কারণে তিনি তার স্ত্রীর মুঠোফোনে অটো রেকডিং চালু রাখতেন। তাদের পাশের কক্ষেই ভাড়া থাকতেন হাবিব রানা। মাঝে মধ্যে তার মেয়ের জন্য মজাদার খাবার কিনে আনতো হাবিব। শনিবার রাতে তিনি কাজ থেকে ফিরে ফোনের অটো রেকর্ডিংয়ে হাবিব ও তার মেয়ের বিভিন্ন আপত্তিকর কথা শুনতে পান। এ সময় তিনি হাবিবকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ ও বিষয়টি বাড়ির মালিকসহ স্থানীয়দের জানান।

নিহতের বড়ভাই মফিজুর রহমান জানান, তিনি নারায়ণগঞ্জের একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেন। শনিবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির মালিক মনির হোসেন বিষয়টি তাকে জানান। দ্রুত ঘটনাটি মীমাংসা না করলে তার ভাইকে থানা পুলিশের কাছে দেয়া হবে বলে জানানো হয়। ঘটনা শুনে রাতেই তিনি নারায়ণগঞ্জ থেকে শ্রীপুর চলে যান।
পরে স্থানীয় মোজাম্মেল হক, জহির, বাড়ির মালিক মনির, নবী হোসেন ও চান মিয়া ঘটনার মীমাংসা করে দেয়ার বিনিময়ে ত্রিশ হাজার টাকা দাবি করেন। কিন্তু মধ্য রাতে টাকার কোনো ব্যবস্থা করতে পারেননি। পরদিন রোববার সকালে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঠানো টাকা তুলতে শ্রীপুর বাজারে যান। পরে বাজারে থাকাকালীন তাকে জানানো হয় তার ভাই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন।
অভিযুক্ত মোজাম্মেল হক জানান, তারা ঘটনা মীমাংসা বা কোনো টাকা দাবি করেননি।
শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি বিভিন্নভাবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন জানান, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন