প্রতারণা থেকে রেহাই পেলেন না শতবর্ষী বৃদ্ধাও
jugantor
প্রতারণা থেকে রেহাই পেলেন না শতবর্ষী বৃদ্ধাও

  ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি  

২৫ অক্টোবর ২০২০, ২২:৪৫:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

শতবর্ষী আমিরুন্নেছার চিকিৎসা করানোর কথা বলে তার সরলতার সুযোগে স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে অজ্ঞাত এক প্রতারক নারী।

শুক্রবার মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার দাইড়পুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আমিরুন্নেছা জানান, প্রতারক ওই মেয়েটির সঙ্গে দুই বছর ধরে পরিচয়। মাঝে মধ্যে আমার বাড়ি আসা-যাওয়া করত। ধীরে ধীরে আমাদের খুবই সুসম্পর্ক হয়ে ধর্মবোন বানায় সে।

পায়ে বাতের ব্যথার খুব ভালো চিকিৎসা করাবে বলে শুক্রবার মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার দাইড়পুর ছেলের বাড়ি থেকে দুজনে রওনা হই।

ঈশ্বরদী এসে মেয়েটি আমাকে বলে, রাতে চুরি-ছিনতাই হতে পারে, চিকিৎসার খরচ ৩ হাজার টাকা, গলায় ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনটি আমার কাছে রাখি। এভাবে সে ওগুলো নিয়ে চলে যায়।

পরে ঈশ্বরদীর রেলওয়ে ওভারব্রিজ মোড়ের পশ্চিমটেংরীর রানার চায়ের দোকানে আমিরুন্নেছাকে পাওয়া যায়।

শনিবার ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শতবর্ষী আমিরুন্নেছাকে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে স্বজনের কাছে পৌঁছে দেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) ফিরোজ কবির জানান, ওই বৃদ্ধাকে ও সংবাদকর্মী টিপু সুলতানকে সঙ্গে নিয়ে সড়কপথে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের খলিশাকুন্ডু বাসস্ট্যান্ডে বিকালে তার ভাসুরের ছেলে, স্থানীয় চায়ের দোকানি মিনারুলের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। তবে প্রতারক ওই নারীর সঠিক নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।

আমিরুন্নেছা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডু গ্রামের রিকাত আলী মণ্ডলের স্ত্রী। তার ৪ ছেলে ৪ মেয়েসহ নাতি-নাতনি রয়েছে। এক ছেলে ফরিদপুরে থাকেন, এক ছেলে মালয়েশিয়া ও ২ ছেলে মেহেরপুরে থাকেন। এছাড়া মেয়েরা শ্বশুরবাড়িতে রয়েছেন। তাকে ফিরে পেয়ে স্বজনরা খুশি।

প্রতারণা থেকে রেহাই পেলেন না শতবর্ষী বৃদ্ধাও

 ঈশ্বরদী (পাবনা) প্রতিনিধি 
২৫ অক্টোবর ২০২০, ১০:৪৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

শতবর্ষী আমিরুন্নেছার চিকিৎসা করানোর কথা বলে তার সরলতার সুযোগে স্বর্ণের চেইন ও নগদ টাকা নিয়ে সটকে পড়ে অজ্ঞাত এক প্রতারক নারী।

শুক্রবার মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার দাইড়পুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আমিরুন্নেছা জানান, প্রতারক ওই মেয়েটির সঙ্গে দুই বছর ধরে পরিচয়। মাঝে মধ্যে আমার বাড়ি আসা-যাওয়া করত। ধীরে ধীরে আমাদের খুবই সুসম্পর্ক হয়ে ধর্মবোন বানায় সে।

পায়ে বাতের ব্যথার খুব ভালো চিকিৎসা করাবে বলে শুক্রবার মেহেরপুর জেলার মুজিবনগর উপজেলার দাইড়পুর ছেলের বাড়ি থেকে দুজনে রওনা হই।

ঈশ্বরদী এসে মেয়েটি আমাকে বলে, রাতে চুরি-ছিনতাই হতে পারে, চিকিৎসার খরচ ৩ হাজার টাকা, গলায় ১ ভরি ওজনের স্বর্ণের চেইনটি আমার কাছে রাখি। এভাবে সে ওগুলো নিয়ে চলে যায়।

পরে ঈশ্বরদীর রেলওয়ে ওভারব্রিজ মোড়ের পশ্চিমটেংরীর রানার চায়ের দোকানে আমিরুন্নেছাকে পাওয়া যায়।

শনিবার ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শতবর্ষী আমিরুন্নেছাকে ঈশ্বরদী জংশন স্টেশন এলাকা থেকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে স্বজনের কাছে পৌঁছে দেন। 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ঈশ্বরদী সার্কেল) ফিরোজ কবির জানান, ওই বৃদ্ধাকে ও সংবাদকর্মী টিপু সুলতানকে সঙ্গে নিয়ে সড়কপথে কুষ্টিয়া-মেহেরপুর মহাসড়কের খলিশাকুন্ডু বাসস্ট্যান্ডে বিকালে তার ভাসুরের ছেলে, স্থানীয় চায়ের দোকানি মিনারুলের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়। তবে প্রতারক ওই নারীর সঠিক নাম ও পরিচয় জানা যায়নি।

আমিরুন্নেছা কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিশাকুন্ডু গ্রামের রিকাত আলী মণ্ডলের স্ত্রী। তার ৪ ছেলে ৪ মেয়েসহ নাতি-নাতনি রয়েছে। এক ছেলে ফরিদপুরে থাকেন, এক ছেলে মালয়েশিয়া ও ২ ছেলে মেহেরপুরে থাকেন। এছাড়া মেয়েরা শ্বশুরবাড়িতে রয়েছেন। তাকে ফিরে পেয়ে স্বজনরা খুশি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন