যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা নারীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা
jugantor
যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা নারীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা

  আশুগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০৭:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা নারীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার মধুপরে যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দিনগত গভীর রাতে।
অন্ত:সত্ত্বা নিহত স্ত্রী লাভলী খানমের স্বজনরা জানান, বিয়ের পর লাভলী আড়াইসিধা খন্দকার শাহানা ফরিদ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পান। লাভলী চাকরি করলেও বেতনের টাকা স্বামীর হাতে দিতে বাধ্য হতেন। কোনো মাসের বেতনের টাকা লাভলী নিজে খরচ করতে পারেননি। এছাড়া স্বামী খায়েস মাস্টার, শ্বশুর আব্দুর রউফ ও শাশুড়ি তাকে আরো টাকা আনতে প্রায়ই চাপ দিত এবং টাকা এনে দিতে না পারলে আমার তাকে টর্চার করত।

এ বিষয়ে নিহতের ভাই ভৈরব উপজেলার চন্ডিবের খান বাড়ির সোহেল খান বলেন, আমার বোন আড়াইসিধা খন্দকার শাহানা ফরিদ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নয় বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন। শিক্ষকতা করলেও আমার বোন লাভলী খানমের চলাফেরায় কোন স্বাধীনতা ছিল না। প্রতিটি মুহূর্তে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করত এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিত। এ নিয়ে আমার বোনের সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকত। আমরা বুঝিয়ে তাকে ঘরসংসার করতে বলেছি। এরপরও তার স্বামীর বাড়ির লোকজন শেষপর্যন্ত আমার বোনকে মেরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। আমি এ ঘটনার সাথে যারা প্রকৃতভাবে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।

এ বিষয়ে নিহত লাভলী খানমের স্বামী খায়েস মাস্টার এবং শ্বশুর আব্দুর রউফের সাথে ফোনে কথা বলতে চাইলে তাদের মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ মাহমুদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাভলী খানমের লাশ বাবার বাড়ির লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা নারীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা

 আশুগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ০৭:০৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা নারীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা
যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা নারীকে খুন করে ঝুলিয়ে রাখে শ্বশুর বাড়ির লোকেরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার মধুপরে যৌতুকের জন্য অন্ত:সত্ত্বা স্ত্রীকে হত্যা করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার দিনগত গভীর রাতে।
অন্ত:সত্ত্বা নিহত স্ত্রী লাভলী খানমের স্বজনরা জানান, বিয়ের পর লাভলী আড়াইসিধা খন্দকার শাহানা ফরিদ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি পান। লাভলী চাকরি করলেও বেতনের টাকা স্বামীর হাতে দিতে বাধ্য হতেন। কোনো মাসের বেতনের টাকা লাভলী নিজে খরচ করতে পারেননি। এছাড়া স্বামী খায়েস মাস্টার, শ্বশুর আব্দুর রউফ ও শাশুড়ি তাকে আরো টাকা আনতে প্রায়ই চাপ দিত এবং টাকা এনে দিতে না পারলে আমার তাকে টর্চার করত।

এ বিষয়ে নিহতের ভাই ভৈরব উপজেলার চন্ডিবের খান বাড়ির সোহেল খান বলেন, আমার বোন আড়াইসিধা খন্দকার শাহানা ফরিদ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে নয় বছর ধরে শিক্ষকতা করে আসছেন। শিক্ষকতা করলেও আমার বোন লাভলী খানমের চলাফেরায় কোন স্বাধীনতা ছিল না। প্রতিটি মুহূর্তে তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করত এবং বাবার বাড়ি থেকে টাকা আনার জন্য চাপ দিত। এ নিয়ে আমার বোনের সাথে প্রায়ই ঝগড়াঝাটি লেগেই থাকত। আমরা বুঝিয়ে তাকে ঘরসংসার করতে বলেছি। এরপরও তার স্বামীর বাড়ির লোকজন শেষপর্যন্ত আমার বোনকে মেরে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। আমি এ ঘটনার সাথে যারা প্রকৃতভাবে জড়িত তাদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানাই।

এ বিষয়ে নিহত লাভলী খানমের স্বামী খায়েস মাস্টার এবং শ্বশুর আব্দুর রউফের সাথে ফোনে কথা বলতে চাইলে তাদের মোবাইল নাম্বার বন্ধ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় আশুগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাবেদ মাহমুদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাভলী খানমের লাশ বাবার বাড়ির লোকজনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
 

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন