আপ্যায়ন না করায় মন্দির কমিটির সদস্যকে ঘাড়ধাক্কা আ'লীগ নেতার
jugantor
আপ্যায়ন না করায় মন্দির কমিটির সদস্যকে ঘাড়ধাক্কা আ'লীগ নেতার

  শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

২৬ অক্টোবর ২০২০, ২২:৫০:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুর্গামন্দিরে আপ্যায়ন না করায় মন্দির কমিটির সদস্যকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আরেকটি মন্দিরে গিয়ে আপ্যায়ন না করায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত হারুন ফকির উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। রোববার রাত ৩টার দিকে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামের অনিল দাসের বাড়ির দুর্গামন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

মন্দির কমিটির সভাপতি খগেন চন্দ্র দাস জানান, সোমবার রাতে তার চাচি মারা যান। এ সময় মন্দিরে তার বড় ভাই অনিল চন্দ্র দাসসহ কয়েকজন ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। মন্দিরে আসার পর আওয়ামী লীগ নেতা হারুন ফকিরকে বসতে দিতে দেরি হয়।

তাছাড়া তাকে দাওয়াত করা হয়নি বলে অনিল চন্দ্র দাসকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। পরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে লোকজন নিয়ে বেরিয়ে যান।

অপরদিকে পার্শ্ববর্তী সোনাবো কালীবাড়ি বটতলা মন্দিরের সভাপতি বিমল চন্দ্র বর্মণ বলেন, হারুন ফকির তার লোকজন নিয়ে মন্দিরে এসে আয়োজকদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হারুন ফকির পূজারীদের গালিগালাজের সময় মণ্ডপের আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় এক অটোচালকের মুঠোফোনও ভেঙে দেন হারুন ফকিরের সঙ্গে থাকা লোকজন।

অভিযুক্ত হারুন ফকির সাংবাদিকদের জানান, মদ্যপ অবস্থায় মন্দিরের পাশেই কতিপয় যুবক তার ব্যক্তিগত গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙে ফেলায় চালকের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তাদের বুঝিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসি। আয়োজকদের সঙ্গেই আমার চলাফেরা। দাওয়াত না দিলেও আমরা তাদের উৎসবে যাই। এখন ঘটনাটিকে পুঁজি করে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কথা রটাচ্ছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসলিমা মোস্তারী জানান, দাওয়াত দেয়া নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। পরে তার অবসানও হয়েছে। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। শান্তিপূর্ণভাবেই ওই মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। তারপরও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

আপ্যায়ন না করায় মন্দির কমিটির সদস্যকে ঘাড়ধাক্কা আ'লীগ নেতার

 শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
২৬ অক্টোবর ২০২০, ১০:৫০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের শ্রীপুরে দুর্গামন্দিরে আপ্যায়ন না করায় মন্দির কমিটির সদস্যকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া আরেকটি মন্দিরে গিয়ে আপ্যায়ন না করায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত হারুন ফকির উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। রোববার রাত ৩টার দিকে উপজেলার কাওরাইদ ইউনিয়নের ধামলই গ্রামের অনিল দাসের বাড়ির দুর্গামন্দিরে এ ঘটনা ঘটে।

মন্দির কমিটির সভাপতি খগেন চন্দ্র দাস জানান, সোমবার রাতে তার চাচি মারা যান। এ সময় মন্দিরে তার বড় ভাই অনিল চন্দ্র দাসসহ কয়েকজন ভক্ত উপস্থিত ছিলেন। মন্দিরে আসার পর আওয়ামী লীগ নেতা হারুন ফকিরকে বসতে দিতে দেরি হয়।

তাছাড়া তাকে দাওয়াত করা হয়নি বলে অনিল চন্দ্র দাসকে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। পরে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে লোকজন নিয়ে বেরিয়ে যান।

অপরদিকে পার্শ্ববর্তী সোনাবো কালীবাড়ি বটতলা মন্দিরের সভাপতি বিমল চন্দ্র বর্মণ বলেন, হারুন ফকির তার লোকজন নিয়ে মন্দিরে এসে আয়োজকদের উদ্দেশে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হারুন ফকির পূজারীদের গালিগালাজের সময় মণ্ডপের আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনার ভিডিও ধারণ করায় এক অটোচালকের মুঠোফোনও ভেঙে দেন হারুন ফকিরের সঙ্গে থাকা লোকজন।

অভিযুক্ত হারুন ফকির সাংবাদিকদের জানান, মদ্যপ অবস্থায় মন্দিরের পাশেই কতিপয় যুবক তার ব্যক্তিগত গাড়ির লুকিং গ্লাস ভেঙে ফেলায় চালকের সঙ্গে তাদের বাকবিতণ্ডা হয়। পরে তাদের বুঝিয়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসি। আয়োজকদের সঙ্গেই আমার চলাফেরা। দাওয়াত না দিলেও আমরা তাদের উৎসবে যাই। এখন ঘটনাটিকে পুঁজি করে তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ বিভিন্ন ধরনের কথা রটাচ্ছে।

শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাসলিমা মোস্তারী জানান, দাওয়াত দেয়া নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। পরে তার অবসানও হয়েছে। এ নিয়ে কোনো সমস্যা নেই। শান্তিপূর্ণভাবেই ওই মণ্ডপে পূজা হচ্ছে। তারপরও শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে স্থানীয় পুলিশ ও ইউপি চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন