শিবগঞ্জে আ'লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১২
jugantor
শিবগঞ্জে আ'লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১২

  শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৭ অক্টোবর ২০২০, ২১:৫৪:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের দুই ইউপি চেয়ারম্যানের কথা বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অফিসার কার্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলা চালিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ার-টেবিল ও মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল এতে ক্ষমতাসীন দলের শিবগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলীরাজ, মনাকষা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজাসহ ১২ জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্থানীয় এমপি ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বির উপস্থিতিতে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভা চলছিল।

এ সময় মনাকষা ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা শাহাদাৎ হোসেন খুররমের সঙ্গে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়ার এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কথা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে মনাকষা ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন খুররম সভাকক্ষ ত্যাগ করলে দুপুর ২টার দিকে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় কর্মী উপজেলা পরিষদের কিচেন রুমে হামলা চালিয়ে দরজা জানালা, চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং খাবারের প্যাকেট নষ্ট করে।

পরে উপজেলা চত্বরে থাকা ৮-১০টি মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ নারী ভাইস চেয়ারম্যান শিউলী বেগমের অফিসের জানালার কাঁচ ভাংচুর করা হয়। এ সময় ক্ষমতাসীন দলের দু’পক্ষ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

সংবাদ পেয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইনের নেতৃত্বে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার পরপরই তিনিসহ শিবগঞ্জ থানার ওসি ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে করে কোনো বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল বলেন, আমাদের দলের কোনো ধরনের লবিং গ্রুপিং নেই। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমার আপনজন, তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কারিবুল হক রাজিন বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

শিবগঞ্জে আ'লীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ১২

 শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৫৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের দুই ইউপি চেয়ারম্যানের কথা বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদের অফিসার কার্যালয় চত্বরে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় হামলা চালিয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ার-টেবিল ও মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল এতে ক্ষমতাসীন দলের  শিবগঞ্জ পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আলীরাজ, মনাকষা ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজাসহ ১২ জন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের সভাপতিত্বে স্থানীয় এমপি ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বির উপস্থিতিতে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সভা চলছিল।

এ সময় মনাকষা ইউপি চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা মির্জা শাহাদাৎ হোসেন খুররমের সঙ্গে উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মো. গোলাম কিবরিয়ার এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কথা বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে।

একপর্যায়ে মনাকষা ইউপি চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন খুররম সভাকক্ষ ত্যাগ করলে দুপুর ২টার দিকে ক্ষমতাসীন দলের কতিপয় কর্মী উপজেলা পরিষদের কিচেন রুমে হামলা চালিয়ে দরজা জানালা, চেয়ার-টেবিলসহ আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং খাবারের প্যাকেট নষ্ট করে।

পরে উপজেলা চত্বরে থাকা ৮-১০টি মোটরসাইকেল ভাংচুরসহ নারী ভাইস চেয়ারম্যান শিউলী বেগমের অফিসের জানালার কাঁচ ভাংচুর করা হয়। এ সময় ক্ষমতাসীন দলের দু’পক্ষ নিজেদের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে এবং ধাওয়া পাল্টা ধাওয়াসহ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

সংবাদ পেয়ে সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইকবাল হোছাইনের নেতৃত্বে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, ঘটনার পরপরই তিনিসহ শিবগঞ্জ থানার ওসি ও পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এতে করে কোনো বড় ধরনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

স্থানীয় সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহম্মেদ শিমুল বলেন, আমাদের দলের কোনো ধরনের লবিং গ্রুপিং নেই। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমার আপনজন, তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কারিবুল হক রাজিন বলেন, অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটেছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন