পুলিশের হাতে যাওয়ার পর ‘৫৪০ পাউন্ড কারেন্ট জাল উধাও’! 
jugantor
পুলিশের হাতে যাওয়ার পর ‘৫৪০ পাউন্ড কারেন্ট জাল উধাও’! 

  বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি  

২৭ অক্টোবর ২০২০, ২২:৩২:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার বোরহানউদ্দিনে কোটি টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট নিয়ে রাতভর নাটকের অভিযোগ হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠেছে, ১১৭০ পাউন্ড জালকে ৬৩০ পাউন্ড জব্দ তালিকা দেখানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাকিমুদ্দিন নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে। এ ঘটনায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জালসহ ২ জনকে আটক করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে চালান করা হয়।

আটকৃতরা হলেন- পিকআপ ড্রাইভার মো. রাসেল (২০) ও পিকআপ ভ্যান মালিক মো. সোহাগ (২৬)।

নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ী মো. নুরুন নবী অভিযোগ করেন, , ঢাকা থেকে তিনি বড় বস্তায় লঞ্চযোগে হাকিমুদ্দিন ঘাট দিয়ে ৯ বস্তা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পিকাআপ ভ্যানে উঠান। উঠানোর পরপরই জালগুলো আটক করেন হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন ও সঙ্গীয় ফোর্স।

এরপর রাতে ১১৭০ পাউন্ড জাল ফাঁড়ির মধ্যে নিয়ে ওই জাল ৬৩০ পাউন্ড দেখিয়ে বাকি জাল সরিয়ে ৬৩০ পাউন্ড জাল জব্দ তালিকায় দেখানো হয়।

নিষিদ্ধ জাল ব্যবসায়ী নুরনবী নিজের ভুল স্বীকার করে জানান, আমি অপরাধী; আমার ১১৭০ পাউন্ড জাল জব্দ করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। কিন্তু আমার চেয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জও কম অপরাধী নয়। তারা ১১৭০ পাউন্ড জালকে ৬৩০ পাউন্ড দেখালো কিভাবে?

অভিযোগ পেয়ে সংবাদকর্মীরা সরেজমিনে আটককৃত জাল দেখতে চাইলে ফাঁড়ি ইনচার্জ আটকৃত জাল দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আপনারা আদালত থেকে জাল দেখার অনুমতি নিয়ে আসেন। তারপর জাল দেখাব। পরে সংবাদকর্মীরা না দেখানোর আইন সম্পর্কে জানতে চাইলে ও নৌ পুলিশের উপর মহলকে জানালে এক পর্যায়ে জাল দেখাতে বাধ্য হন।

১১৭০ পাউন্ড জাল ৬৩০ পাউন্ড জব্দ দেখার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাঁড়ির আইসি রুহুল আমিন বলেন, আমি যা পেয়েছি তাই জব্দ তালিকায় দেখিয়েছি। কে কি বলল এটা আমার দেখার বিষয় না।

পুলিশের হাতে যাওয়ার পর ‘৫৪০ পাউন্ড কারেন্ট জাল উধাও’! 

 বোরহানউদ্দিন প্রতিনিধি 
২৭ অক্টোবর ২০২০, ১০:৩২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ভোলার বোরহানউদ্দিনে কোটি টাকার নিষিদ্ধ কারেন্ট নিয়ে রাতভর নাটকের অভিযোগ হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ি ইনচার্জ মো. রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে।

অভিযোগ উঠেছে, ১১৭০ পাউন্ড জালকে ৬৩০ পাউন্ড জব্দ তালিকা দেখানো হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার দিবাগত রাতে উপজেলার হাকিমুদ্দিন নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে। এ ঘটনায় নিষিদ্ধ কারেন্ট জালসহ ২ জনকে আটক করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে চালান করা হয়। 

আটকৃতরা হলেন- পিকআপ ড্রাইভার মো. রাসেল (২০) ও পিকআপ ভ্যান মালিক মো. সোহাগ (২৬)।

নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল ব্যবসায়ী মো. নুরুন নবী অভিযোগ করেন, , ঢাকা থেকে তিনি বড় বস্তায় লঞ্চযোগে হাকিমুদ্দিন ঘাট দিয়ে ৯ বস্তা নিষিদ্ধ কারেন্ট জাল পিকাআপ ভ্যানে উঠান। উঠানোর পরপরই জালগুলো আটক করেন হাকিমুদ্দিন নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রুহুল আমিন ও সঙ্গীয় ফোর্স।

এরপর রাতে ১১৭০ পাউন্ড জাল ফাঁড়ির মধ্যে নিয়ে ওই জাল ৬৩০ পাউন্ড দেখিয়ে বাকি জাল সরিয়ে ৬৩০ পাউন্ড জাল জব্দ তালিকায় দেখানো হয়।

নিষিদ্ধ জাল ব্যবসায়ী নুরনবী নিজের ভুল স্বীকার করে জানান, আমি অপরাধী; আমার ১১৭০ পাউন্ড জাল জব্দ করা হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে মামলাও করা হয়েছে। কিন্তু আমার চেয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জও কম অপরাধী নয়। তারা ১১৭০ পাউন্ড জালকে ৬৩০ পাউন্ড দেখালো কিভাবে?

অভিযোগ পেয়ে সংবাদকর্মীরা সরেজমিনে আটককৃত জাল দেখতে চাইলে ফাঁড়ি ইনচার্জ আটকৃত জাল দেখাতে অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, আপনারা আদালত থেকে জাল দেখার অনুমতি নিয়ে আসেন। তারপর জাল দেখাব। পরে সংবাদকর্মীরা না দেখানোর আইন সম্পর্কে জানতে চাইলে ও নৌ পুলিশের উপর মহলকে জানালে এক পর্যায়ে জাল দেখাতে বাধ্য হন।

১১৭০ পাউন্ড জাল ৬৩০ পাউন্ড জব্দ দেখার বিষয়ে জানতে চাইলে ফাঁড়ির আইসি রুহুল আমিন বলেন, আমি যা পেয়েছি তাই জব্দ তালিকায় দেখিয়েছি। কে কি বলল এটা আমার দেখার বিষয় না।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন