গলায় ফাঁস দিয়ে ৯ বছরের শিশুর ‘আত্মহত্যা’!
jugantor
গলায় ফাঁস দিয়ে ৯ বছরের শিশুর ‘আত্মহত্যা’!

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৩৩:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া মধ্যপাড়ার একটি বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তারামনি নামের ৯ বছরের এক কন্যাশিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তারামনির বাবা আনোয়ার গাজী একজন দিনমজুর। মা গৃহিণী। তাদের তিন সন্তানের মধ্যে তারামনি বড়। গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরে তারা চুনকুটিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় অপু-দীপুদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কারণে মায়ের সঙ্গে তারামনির কথাকাটাকাটি হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মা বাসা থেকে বের হয়ে পাশের বাসায় গেলে তারামনি ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজামান বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিশুটি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। তারপরও এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি নিশ্চিত করার জন্য লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

গলায় ফাঁস দিয়ে ৯ বছরের শিশুর ‘আত্মহত্যা’!

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কেরানীগঞ্জের চুনকুটিয়া মধ্যপাড়ার একটি বাসা থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় তারামনি নামের ৯ বছরের এক কন্যাশিশুর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার রাত ৯টার দিকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মিটফোর্ড হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তারামনির বাবা আনোয়ার গাজী একজন দিনমজুর। মা গৃহিণী। তাদের তিন সন্তানের মধ্যে তারামনি বড়। গ্রামের বাড়ি বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার নলুয়া গ্রামে। দীর্ঘদিন ধরে তারা চুনকুটিয়া মধ্যপাড়া এলাকায় অপু-দীপুদের বাড়িতে ভাড়া থাকেন।

স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পারিবারিক কারণে মায়ের সঙ্গে তারামনির কথাকাটাকাটি হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে মা বাসা থেকে বের হয়ে পাশের বাসায় গেলে তারামনি ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়। খবর পেয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজামান বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে এটি আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে। মায়ের সঙ্গে অভিমান করে শিশুটি আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছে। তারপরও এটি হত্যা না আত্মহত্যা সেটি নিশ্চিত করার জন্য লাশ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন