সেই ৬০ হাজার টাকার কয়েন ১ লাখে কিনলেন ব্যবসায়ী টিপু
jugantor
সেই ৬০ হাজার টাকার কয়েন ১ লাখে কিনলেন ব্যবসায়ী টিপু

  মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ১৯:৪১:৫৪  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ২১ অক্টোবর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ‘৬০ হাজার কয়েন নিয়ে বিপাকে মহম্মদপুরের সবজি ব্যবসায়ী’ শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজটি মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নিয়ামুল করিম টিপুর নজরে আসে।

বুধবার দুপুরে মাগুরার মহম্মদপুরের জাংগালিয়া গ্রামে সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবিরের বাড়িতে গিয়ে তিনি নগদ ১ লাখ টাকা তুলে দেন এবং কয়েন নিয়ে নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন অধিকারী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ বিপ্লব রেজা বিকো, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহামুদুন নবী, যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আলিমুজ্জামান প্রমুখ।

খবির উপজেলা সদরের জাংগালিয়া গ্রামের মৃত জহুর ফকিরের ছেলে।

ব্যবসায়ী খবির টাকা পেয়ে বলেন, আমি আজ কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। অনেক টাকা ধারদেনা হয়েছিলাম। এই টাকা তাদের দিয়ে পরিশোধ করে আবার ব্যবসা ভালো করে শুরু করতে পারব এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে দুটো ভাত খেয়ে বাঁচতে পারব। এজন্য যুগান্তর ও মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড কোম্পানিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়ামুল করিম টিপু জানান, নিউজটি পড়ে দেখলাম সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির দরিদ্রদের কাছে সবজি বিক্রি করে ১০ বছর ধরে ৬০ হাজার টাকার কয়েন জমিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে তার সেই জমানো কয়েন নিতে কেউ রাজি হচ্ছে না বলে কয়েন নিয়ে তিনি বড়ই বিপদে ছিলেন।

তিনি জানান, ছোট একজন সবজি বিক্রেতা ১০ বছর ধরে এত কয়েন জমিয়েছেন; এগুলো তার সম্পদ হওয়া উচিত- এটা তার বোঝা হওয়া উচিত না। তার পাশে দাঁড়ানো উচিত আমাদের। সেই হিসেবে মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড তার পাশে দাঁড়িয়েছে। মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম সব সময় করে থাকে। সেই প্রত্যাশা নিয়ে আমরা ঢাকা থেকে মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের একটি টিম নিয়ে তাকে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে কয়েন নিয়েছি। তিনি যুগান্তর পত্রিকাকে এ ধরনের সংবাদ প্রচার করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

এ কয়েন নিয়ে কী করবেন? তার কাছে জানতে চাইলে নিয়ামুল করিম টিপু জানান, ঢাকায় নিয়ে মাটির ব্যাংক কিনে প্রতিটা ব্যাংকের ভেতরে ২০ টাকা করে দিয়ে বিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের দেব। যাতে ছোট ছেলেমেয়েরা টাকা জমানো শিখতে পারে।

এ ধরনের মহৎ কাজ করার জন্য যুগান্তর কর্তৃপক্ষ এবং মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নিয়ামুল করিম টিপুকে ধন্যবাদ জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল।

সেই ৬০ হাজার টাকার কয়েন ১ লাখে কিনলেন ব্যবসায়ী টিপু

 মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গত ২১ অক্টোবর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় ‘৬০ হাজার কয়েন নিয়ে বিপাকে মহম্মদপুরের সবজি ব্যবসায়ী’ শিরোনামে নিউজ প্রকাশিত হয়। নিউজটি মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নিয়ামুল করিম টিপুর নজরে আসে।

বুধবার দুপুরে মাগুরার মহম্মদপুরের জাংগালিয়া গ্রামে সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবিরের বাড়িতে গিয়ে তিনি নগদ ১ লাখ টাকা তুলে দেন এবং কয়েন নিয়ে নেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সুমন অধিকারী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি অধ্যক্ষ বিপ্লব রেজা বিকো, সাধারণ সম্পাদক মো. মাহামুদুন নবী, যমুনা টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি আলিমুজ্জামান প্রমুখ।

খবির উপজেলা সদরের জাংগালিয়া গ্রামের মৃত জহুর ফকিরের ছেলে।

ব্যবসায়ী খবির টাকা পেয়ে বলেন, আমি আজ কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি। অনেক টাকা ধারদেনা হয়েছিলাম। এই টাকা তাদের দিয়ে পরিশোধ করে আবার ব্যবসা ভালো করে শুরু করতে পারব এবং পরিবার-পরিজন নিয়ে দুটো ভাত খেয়ে বাঁচতে পারব। এজন্য যুগান্তর ও মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড কোম্পানিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর নিয়ামুল করিম টিপু জানান, নিউজটি পড়ে দেখলাম সবজি ব্যবসায়ী খাইরুল ইসলাম খবির দরিদ্রদের কাছে সবজি বিক্রি করে ১০ বছর ধরে ৬০ হাজার টাকার কয়েন জমিয়েছেন। কিন্তু বর্তমানে তার সেই জমানো কয়েন নিতে কেউ রাজি হচ্ছে না বলে কয়েন নিয়ে তিনি বড়ই বিপদে ছিলেন।

তিনি জানান, ছোট একজন সবজি বিক্রেতা ১০ বছর ধরে এত কয়েন জমিয়েছেন; এগুলো তার সম্পদ হওয়া উচিত- এটা তার বোঝা হওয়া উচিত না। তার পাশে দাঁড়ানো উচিত আমাদের। সেই হিসেবে মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড তার পাশে দাঁড়িয়েছে। মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেড এ ধরনের সামাজিক কার্যক্রম সব সময় করে থাকে। সেই প্রত্যাশা নিয়ে আমরা ঢাকা থেকে মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের একটি টিম নিয়ে তাকে ১ লাখ টাকার বিনিময়ে কয়েন নিয়েছি। তিনি যুগান্তর পত্রিকাকে এ ধরনের সংবাদ প্রচার করার জন্য ধন্যবাদ জানান।

এ কয়েন নিয়ে কী করবেন? তার কাছে জানতে চাইলে নিয়ামুল করিম টিপু জানান, ঢাকায় নিয়ে মাটির ব্যাংক কিনে প্রতিটা ব্যাংকের ভেতরে ২০ টাকা করে দিয়ে বিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের দেব। যাতে ছোট ছেলেমেয়েরা টাকা জমানো শিখতে পারে।

এ ধরনের মহৎ কাজ করার জন্য যুগান্তর কর্তৃপক্ষ এবং মেকা ফার্মাসিউটিক্যাল লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. নিয়ামুল করিম টিপুকে ধন্যবাদ জানান উপজেলা নির্বাহী অফিসার রামানন্দ পাল।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন