পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কুমিল্লার খাদি শিল্প
jugantor
পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কুমিল্লার খাদি শিল্প

  আবুল খায়ের,কুমিল্লা ব্যুরো  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ২০:৪৩:০৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কুমিল্লার খাদি শিল্প

মায়ের দেয়া মোটা খাদি কাপড়কে স্বদেশি আন্দোলনে সঙ্গী করেছিল বাংলার দামাল ছেলেরা। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সগৌরবে সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করেছিল কুমিল্লার ঐতিহ্য খাদি কাপড়। শৈল্পিক ছোঁয়ায় দেশ-বিদেশে বেশ সমাদৃত এবং ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন) আন্তর্জাতিক স্বীকৃত কুমিল্লার খাদি।

এ কাপড় দেশের চাহিদা পূরণ করে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হলেও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ক্রমেই অবনতির দিকে এ শিল্পটি। চলমান করোনাভাইরাসে আরও বেশি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে শিল্পটি। বন্ধ রয়েছে রফতানি, কমেছে বিক্রি, দেয়া হয়নি কোনো প্রণোদনা।

জেলার এ খাদি শিল্প দেশে-বিদেশে পণ্য সরবরাহ করে যেমন অর্থনীতিতে অবদান রেখেছে, তেমনি বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ শ্রমিকের কর্মসংস্থানও হয়েছে। কিন্তু কালের বিবর্তনে এবং ভিনদেশি বাহারি ডিজাইনের কাপড়ের ভিড়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে কমে আসছে খাদির চাহিদা। এতে শিল্পটি দিন দিন বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। সল্প সুদে ঋণ এবং সরকারের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতাই এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর আহবানে বৃহত্তর ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বিদেশি পণ্য বর্জন করে দেশীয় 'মোটা কাপড়, মোটা ভাত' ব্যবহারের ডাক উঠে। এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুমিল্লায় ব্যাপকভাবে খাদি কাপড় বোনা শুরু হয়। এটি ছিল সেই অহিংস আন্দোলনের অন্যতম রাজনৈতিক হাতিয়ার। সেই রেশ ধরেই খাদির পুনর্জাগরণ।

গ্রামীণ অর্থনীতি তথা কুটির শিল্পের প্রসারে এ পদক্ষেপ ছিল খুবই প্রশংসনীয়। ওই সময় কুমিল্লার অভয়াশ্রম, চট্টগ্রামের প্রবর্তক সংঘ এবং নোয়াখালীর গান্ধী আশ্রমেও খাদি বোনা হতো। ১৯৩৭ সালে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বরকামতা এলাকায় গ্রামীণ খাদি নামে প্রথম খাদির কুটিরশিল্প প্রতিষ্ঠা করেন শৈলেন্দ্রনাথ গুহ। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর কুমিল্লা থেকে খাদি শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা প্রত্যাহার করা হলে খাদি শিল্পে বিপর্যয় নেমে আসে। কিন্তু ওই বিপর্যয় বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ১৯৫২ সালে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ ড. আখতার হামিদ খানের চেষ্টায় এবং তৎকালীন গভর্নর ফিরোজ খান নুনের সহযোগিতায় কুমিল্লায় 'দি খাদি অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠিত হয়। শৈলেন্দ্রনাথ গুহ বরকামতার খাদির কারখানাটি ধরে রাখেন। কর্মহীন ব্যক্তিদের খুঁজে এনে তার কারখানায় সুতা কাটা, কাপড় বোনার কাজ দিতেন। সারা দেশে প্রসার ঘটাতে তিনি ঢাকায় 'প্রবর্তন' নামে একটি খাদি কাপড় বিক্রির দোকান গড়ে তোলেন।

১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশে ধীরে ধীরে খাদি কাপড়ের চাহিদা বাড়তে থাকে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণ করে খাদির কাপড় যাচ্ছে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে। তবে তা যৎসামান্য। স্থানীয়রা জানান, খাদির আদি উৎস কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া, কলাগাঁও, কুটুম্বপুর, হারং, বানিয়াচং, ভোমরাকান্দি, বেলাশ্বর, মধ্যমতলা, বাড়েরা, গোবিন্দপুর, ছয়ঘড়িয়া, হাড়িখোলা ও দেবিদ্বার উপজেলাধীন বরকামতা, নবীয়াবাদ, জাফরাবাদ, সাইতলা, ভাকরাবাদ, ভানী গ্রামে। বেশ কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাদির কারাখানা রয়েছে। বর্তমানে এসব কারখানার অধিকাংশই বন্ধ রয়েছে।

তবে কুমিল্লা নগরীতে খাদি ভূষণ, খাদি ভবন, শুদ্ধ খদ্দর ভাণ্ডার, খাদি ঘর, খাদি কুটিরশিল্প, বিশুদ্ধ খদ্দর ভাণ্ডার, রাম নারায়ণ খাদি স্টোরসহ শতাধিক খদ্দর পোশাকের দোকান নানাভাবে খাদি প্রস্তুত এবং সংগ্রহের মাধ্যমে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এছাড়া ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সংলগ্ন অনেক হোটেলের পাশেও রয়েছে খদ্দরের দোকান। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এ সুনাম খ্যাত শিল্পকে ধরে রাখার জন্য। কিন্তু কাঁচামালের অস্বাভাবিক মূল্য ও শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে চলমান করোনাভাইরাসের ফলে এ শিল্পে অনেকটা বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

রফতানি বন্ধ, বেচা-বিক্রি কম এবং কোনো প্রকার প্রণোদনা না পেয়ে বিপাকে রয়েছেন এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া সরকারের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে খাদি শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না বলে অভিযোগ খাদি সংশ্লিষ্টদের।

ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খাদি শিল্প কারখানার ম্যানেজার জগবন্ধু দাস জানান, গত ৩ বছর যাবত কারখানাটিতে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে, বেশ কিছু ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আটকে আছে, কারখানায় কর্মরত সব শ্রমিক বিদায় করে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, মালিক পক্ষ কারখানাটি চালুর চিন্তাভাবনা করেছিল কিন্তু চলমান করোনাভাইরাসে রফতানি বন্ধসহ, স্থানীয় বাজারে কাপড়ের চাহিদা না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না।

এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর বলেন, খাদি কুমিল্লার একটি প্রাচীন ঐতিহ্য, কুমিল্লার ইতিহাস লিখতে হলে কোনভাবেই খাদিকে বাদ দেয়া যাবে না, সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে এলে এ শিল্প রক্ষায় যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কুমিল্লার খাদি শিল্প

 আবুল খায়ের,কুমিল্লা ব্যুরো 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৪৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কুমিল্লার খাদি শিল্প
পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না কুমিল্লার খাদি শিল্প

মায়ের দেয়া মোটা খাদি কাপড়কে স্বদেশি আন্দোলনে সঙ্গী করেছিল বাংলার দামাল ছেলেরা। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সগৌরবে সুনাম ও খ্যাতি অর্জন করেছিল কুমিল্লার ঐতিহ্য খাদি কাপড়। শৈল্পিক ছোঁয়ায় দেশ-বিদেশে বেশ সমাদৃত এবং ভৌগোলিক নির্দেশক (জিওগ্রাফিক্যাল ইন্ডিকেশন) আন্তর্জাতিক স্বীকৃত কুমিল্লার খাদি।

 

এ কাপড় দেশের চাহিদা পূরণ করে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি করা হলেও পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে ক্রমেই অবনতির দিকে এ শিল্পটি। চলমান করোনাভাইরাসে আরও বেশি বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে শিল্পটি। বন্ধ রয়েছে রফতানি, কমেছে বিক্রি, দেয়া হয়নি কোনো প্রণোদনা।

 

জেলার এ খাদি শিল্প দেশে-বিদেশে পণ্য সরবরাহ করে যেমন অর্থনীতিতে অবদান রেখেছে, তেমনি বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ শ্রমিকের কর্মসংস্থানও হয়েছে। কিন্তু কালের বিবর্তনে এবং ভিনদেশি বাহারি ডিজাইনের কাপড়ের ভিড়ে তরুণ প্রজন্মের কাছে কমে আসছে খাদির চাহিদা। এতে শিল্পটি দিন দিন বিপর্যয়ের মুখে পড়ছে। সল্প সুদে ঋণ এবং সরকারের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতাই এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯২১ সালে মহাত্মা গান্ধীর আহবানে বৃহত্তর ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় বিদেশি পণ্য বর্জন করে দেশীয় 'মোটা কাপড়, মোটা ভাত' ব্যবহারের ডাক উঠে। এতে উদ্বুদ্ধ হয়ে কুমিল্লায় ব্যাপকভাবে খাদি কাপড় বোনা শুরু হয়। এটি ছিল সেই অহিংস আন্দোলনের অন্যতম রাজনৈতিক হাতিয়ার। সেই রেশ ধরেই খাদির পুনর্জাগরণ।

গ্রামীণ অর্থনীতি তথা কুটির শিল্পের প্রসারে এ পদক্ষেপ ছিল খুবই প্রশংসনীয়। ওই সময় কুমিল্লার অভয়াশ্রম, চট্টগ্রামের প্রবর্তক সংঘ এবং নোয়াখালীর গান্ধী আশ্রমেও খাদি বোনা হতো। ১৯৩৭ সালে কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বরকামতা এলাকায় গ্রামীণ খাদি নামে প্রথম খাদির কুটিরশিল্প প্রতিষ্ঠা করেন শৈলেন্দ্রনাথ গুহ। ১৯৪৭ সালে ভারত বিভক্তির পর কুমিল্লা থেকে খাদি শিল্পের পৃষ্ঠপোষকতা প্রত্যাহার করা হলে খাদি শিল্পে বিপর্যয় নেমে আসে। কিন্তু ওই বিপর্যয় বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ১৯৫২ সালে পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় আন্দোলনের প্রাণ পুরুষ ড. আখতার হামিদ খানের চেষ্টায় এবং তৎকালীন গভর্নর ফিরোজ খান নুনের সহযোগিতায় কুমিল্লায় 'দি খাদি অ্যান্ড কটেজ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন' প্রতিষ্ঠিত হয়। শৈলেন্দ্রনাথ গুহ বরকামতার খাদির কারখানাটি ধরে রাখেন। কর্মহীন ব্যক্তিদের খুঁজে এনে তার কারখানায় সুতা কাটা, কাপড় বোনার কাজ দিতেন। সারা দেশে প্রসার ঘটাতে তিনি ঢাকায় 'প্রবর্তন' নামে একটি খাদি কাপড় বিক্রির দোকান গড়ে তোলেন।

 

১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশে ধীরে ধীরে খাদি কাপড়ের চাহিদা বাড়তে থাকে। বর্তমানে দেশের চাহিদা পূরণ করে খাদির কাপড় যাচ্ছে আমেরিকা, ইংল্যান্ড, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিভিন্ন দেশে। তবে তা যৎসামান্য। স্থানীয়রা জানান, খাদির আদি উৎস কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার মাধাইয়া, কলাগাঁও, কুটুম্বপুর, হারং, বানিয়াচং, ভোমরাকান্দি, বেলাশ্বর, মধ্যমতলা, বাড়েরা, গোবিন্দপুর, ছয়ঘড়িয়া, হাড়িখোলা ও দেবিদ্বার উপজেলাধীন বরকামতা, নবীয়াবাদ, জাফরাবাদ, সাইতলা, ভাকরাবাদ, ভানী গ্রামে। বেশ কিছু ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র খাদির কারাখানা রয়েছে। বর্তমানে এসব কারখানার অধিকাংশই বন্ধ রয়েছে।

তবে কুমিল্লা নগরীতে খাদি ভূষণ, খাদি ভবন, শুদ্ধ খদ্দর ভাণ্ডার, খাদি ঘর, খাদি কুটিরশিল্প, বিশুদ্ধ খদ্দর ভাণ্ডার, রাম নারায়ণ খাদি স্টোরসহ শতাধিক খদ্দর পোশাকের দোকান নানাভাবে খাদি প্রস্তুত এবং সংগ্রহের মাধ্যমে ঐতিহ্য ধরে রেখেছে। এছাড়া ঢাকা-চট্রগ্রাম মহাসড়কের সংলগ্ন অনেক হোটেলের পাশেও রয়েছে খদ্দরের দোকান। নানা প্রতিকূলতার মাঝেও এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন এ সুনাম খ্যাত শিল্পকে ধরে রাখার জন্য। কিন্তু কাঁচামালের অস্বাভাবিক মূল্য ও শ্রমের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় অনেকটাই হিমশিম খেতে হচ্ছে তাদের। বিশেষ করে চলমান করোনাভাইরাসের ফলে এ শিল্পে অনেকটা বিপর্যয় দেখা দিয়েছে।

 

রফতানি বন্ধ, বেচা-বিক্রি কম এবং কোনো প্রকার প্রণোদনা না পেয়ে বিপাকে রয়েছেন এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টরা। এছাড়া সরকারের যথাযথ পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে খাদি শিল্প মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে পারছে না বলে অভিযোগ খাদি সংশ্লিষ্টদের।

ঐতিহ্যবাহী গ্রামীণ খাদি শিল্প কারখানার ম্যানেজার জগবন্ধু দাস জানান, গত ৩ বছর যাবত কারখানাটিতে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে, বেশ কিছু ব্যবসায়ীর কাছে টাকা আটকে আছে, কারখানায় কর্মরত সব শ্রমিক বিদায় করে দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, মালিক পক্ষ কারখানাটি চালুর চিন্তাভাবনা করেছিল কিন্তু চলমান করোনাভাইরাসে রফতানি বন্ধসহ, স্থানীয় বাজারে কাপড়ের চাহিদা না থাকায় তা সম্ভব হচ্ছে না। 

এ বিষয়ে কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর বলেন, খাদি কুমিল্লার একটি প্রাচীন ঐতিহ্য, কুমিল্লার ইতিহাস লিখতে হলে কোনভাবেই খাদিকে বাদ দেয়া যাবে না, সংশ্লিষ্টরা এগিয়ে এলে এ শিল্প রক্ষায় যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন