প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে গণধর্ষণ, থানায় যেতে বাধা
jugantor
প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে গণধর্ষণ, থানায় যেতে বাধা

  বগুড়া ব্যুরো  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ২১:৩০:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শেরপুরে প্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে (২২) গণধর্ষণ ও বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখে থানায় যেতে বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ অভিযোগে মাতুব্বরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার গভীর রাতে তাদের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে ভিকটিমের স্বামী থানায় দুই ধর্ষক ও তিন মাতুব্বর ছাড়াও অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এরা অপরাধ স্বীকার করেছে। বুধবার বিকালে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণে আদালতে হাজির করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হল- বগুড়ার শেরপুর উপজেলার জামাইল স্কুলপাড়ার হাসান আলী ভাসানের ছেলে রবিউল ইসলাম রুবেল (১৯), জামাইল হাটখোলাপাড়ার মৃত বাচ্চু ফকিরের ছেলে আবদুল জলিল (৩২) ও গ্রাম্য মাতুব্বর জামাইল মজলিশীপাড়ার খোকা প্রামাণিকের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, উপজেলার জামাইল মজলিশীপাড়ার প্রতিবন্ধী ওই গৃহবধূ সোমবার বেলা ১১টার দিকে পাশের জামাইল স্কুলপাড়ার রবিউল ইসলামের বাড়িতে ঘুটা (গরুর গোবর দিয়ে তৈরি জ্বালানি) কিনতে যান। এ সময় বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় রুবেল তাকে নিজের শয়ন ঘরে ধরে নিয়ে যায়।

সেখানে রুবেল ও তার বন্ধু জলিল গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে প্রভাবশালী মাতুব্বর জামাইল মজগুরীপাড়ার মৃত হাবিবর রহমান মুন্সীর ছেলে খোদা বক্স (৫০), জামাইল মজলিশীপাড়ার মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে ফরিদ হোসেন (৫০), একই গ্রামের খোকা প্রামাণিকের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫) ধর্ষকদের পক্ষ নেয়।

তারা ওই গৃহবধূকে থানায় যেতে বাধা ও গ্রামছাড়া করার হুমকি দেয়। তারা গৃহবধূ ও তার পরিবারকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর স্বামী পুলিশের সহযোগিতায় ২৭ অক্টোবর রাত ১২টার পর শেরপুর থানায় দুই ধর্ষক ও তিন মাতুব্বরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

পুলিশ গভীর রাতে রবিউলকে শেরপুরের দুবলাগাড়ি গ্রাম ও জলিল এবং মাতুব্বর সাইফুলকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজন অপরাধ স্বীকার করেন। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডে বুধবার বিকালে তিনজনকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়েছে।

প্রতিবন্ধী গৃহবধূকে গণধর্ষণ, থানায় যেতে বাধা

 বগুড়া ব্যুরো 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ০৯:৩০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শেরপুরে প্রতিবন্ধী এক গৃহবধূকে (২২) গণধর্ষণ ও বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রেখে থানায় যেতে বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ অভিযোগে মাতুব্বরসহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। 

মঙ্গলবার গভীর রাতে তাদের বিভিন্ন স্থান থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে ভিকটিমের স্বামী থানায় দুই ধর্ষক ও তিন মাতুব্বর ছাড়াও অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে এরা অপরাধ স্বীকার করেছে। বুধবার বিকালে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণে আদালতে হাজির করা হয়।

গ্রেফতার আসামিরা হল- বগুড়ার শেরপুর উপজেলার জামাইল স্কুলপাড়ার হাসান আলী ভাসানের ছেলে রবিউল ইসলাম রুবেল (১৯), জামাইল হাটখোলাপাড়ার মৃত বাচ্চু ফকিরের ছেলে আবদুল জলিল (৩২) ও গ্রাম্য মাতুব্বর জামাইল মজলিশীপাড়ার খোকা প্রামাণিকের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শেরপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ জানান, উপজেলার জামাইল মজলিশীপাড়ার প্রতিবন্ধী ওই গৃহবধূ সোমবার বেলা ১১টার দিকে পাশের জামাইল স্কুলপাড়ার রবিউল ইসলামের বাড়িতে ঘুটা (গরুর গোবর দিয়ে তৈরি জ্বালানি) কিনতে যান। এ সময় বাবা-মা বাড়িতে না থাকায় রুবেল তাকে নিজের শয়ন ঘরে ধরে নিয়ে যায়।

সেখানে রুবেল ও তার বন্ধু জলিল গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনা চাপা দিতে প্রভাবশালী মাতুব্বর জামাইল মজগুরীপাড়ার মৃত হাবিবর রহমান মুন্সীর ছেলে খোদা বক্স (৫০), জামাইল মজলিশীপাড়ার মৃত আবদুল কাদেরের ছেলে ফরিদ হোসেন (৫০), একই গ্রামের খোকা প্রামাণিকের ছেলে সাইফুল ইসলাম (৫৫) ধর্ষকদের পক্ষ নেয়। 

তারা ওই গৃহবধূকে থানায় যেতে বাধা ও গ্রামছাড়া করার হুমকি দেয়। তারা গৃহবধূ ও তার পরিবারকে বাড়িতে অবরুদ্ধ করে রাখে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারীর স্বামী পুলিশের সহযোগিতায় ২৭ অক্টোবর রাত ১২টার পর শেরপুর থানায় দুই ধর্ষক ও তিন মাতুব্বরের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। 

পুলিশ গভীর রাতে রবিউলকে শেরপুরের দুবলাগাড়ি গ্রাম ও জলিল এবং মাতুব্বর সাইফুলকে নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজন অপরাধ স্বীকার করেন। তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ডে বুধবার বিকালে তিনজনকে বগুড়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তৌহিদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন