শেরপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক তিন
jugantor
শেরপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক তিন

  শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ২২:১৮:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

বগুড়ার শেরপুরের জামাইল মজলিশিপাড়া গ্রামে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলার পরিপ্রেক্ষিতে থানা পুলিশ গত মঙ্গলবার রাতে ধর্ষক মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল (১৯), আব্দুল জলিল (৩২) ও মাতুব্বর সাইফুল ইসলামকে (৫৫) আটক করেছে।

জানা যায়, উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের জামাইল মজলিশিপাড়া গ্রামে মাসুদ রানার বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্ত্রীকে জামাইল স্কুলপাড়া গ্রামের মো. হাসান আলী ওরফে ভাসানের ছেলে মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল গত ২৬ অক্টোবর সোমবার বেলা ১১টার দিকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ঘরের ভিতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

ওই এলাকার খোদা বক্স ও সাইফুল ইসলামসহ কয়েকজন এ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ধর্ষিতার পরিবারকে দুদিন অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে গত মঙ্গলবার রাতে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থানায় এসে ধর্ষিতার স্বামী মাসুদ রানা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শেরপুর থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল, আব্দুল জলিল ও মাতুব্বর সাইফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিদের আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

শেরপুরে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধীকে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক তিন

 শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ধর্ষণ

বগুড়ার শেরপুরের জামাইল মজলিশিপাড়া গ্রামে এক বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলার পরিপ্রেক্ষিতে থানা পুলিশ গত মঙ্গলবার রাতে ধর্ষক মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল (১৯), আব্দুল জলিল (৩২) ও মাতুব্বর সাইফুল ইসলামকে (৫৫) আটক করেছে।

 

জানা যায়, উপজেলার বিশালপুর ইউনিয়নের জামাইল মজলিশিপাড়া গ্রামে মাসুদ রানার বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তার বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্ত্রীকে জামাইল স্কুলপাড়া গ্রামের মো. হাসান আলী ওরফে ভাসানের ছেলে মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল গত ২৬ অক্টোবর সোমবার বেলা ১১টার দিকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ঘরের ভিতরে নিয়ে তাকে ধর্ষণ করে।

 

ওই এলাকার খোদা বক্স ও সাইফুল ইসলামসহ কয়েকজন এ ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য ধর্ষিতার পরিবারকে দুদিন অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে সুযোগ বুঝে গত মঙ্গলবার রাতে তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে থানায় এসে ধর্ষিতার স্বামী মাসুদ রানা বাদী হয়ে ৫ জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শেরপুর থানা পুলিশ রাতেই অভিযান চালিয়ে ধর্ষক মো. রবিউল ইসলাম ওরফে রুবেল, আব্দুল জলিল ও মাতুব্বর সাইফুল ইসলামকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

 

এ ব্যাপারে থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শহিদুল ইসলাম শহিদ বলেন, গণধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা দায়েরের পর আসামিদের আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন