টঙ্গীতে প্রসূতির পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ
jugantor
টঙ্গীতে প্রসূতির পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

  যুগান্তর রিপোর্ট, টঙ্গী  

২৮ অক্টোবর ২০২০, ২২:২৩:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের টঙ্গী উপজেলার শিলমুন এলাকায় ক্যাথারসিস মেডিকেল সেন্টার নামের হাসপাতালে প্রসূতি মায়ের পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রসূতি মাহমুদা আক্তারকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বুধবার রোগীর স্বামী বাদী হয়ে হাসপাতালের পরিচালক রুহুল আমিন ও ডা. আহসানা আক্তার তারাকে আসামি করে টঙ্গী পূর্ব থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

রোগী মাহমুদা আক্তারের স্বামী আলকাছ উদ্দিন আহাম্মেদ জানান, গত ১৮ আগস্ট তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তারের প্রসব ব্যথা দেখা দিলে টঙ্গীর শিলমুনস্থ হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকরা নারমাল ডেলিভারির চেষ্টা না করে দ্রুত সিজার অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা ডেলিভারি করার পরামর্শ দেন। অন্যথায় রোগীর অবস্থা খারাপ হবে বলে ভয়-ভীতি দেখান।

একপর্যায়ে নিরূপায় হয়ে রোগীর স্বজনরা সিজার অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা ডেলিভারি করার জন্য রাজি হয়। ওইদিন বিকালে ডা. আহসানা আক্তার তারা রোগীর অপারেশন করলে একটি কন্যা সন্তান ভূমিষ্ট হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গত ২০ আগস্ট প্রসূতি মা ও কন্যা শিশুকে নিয়ে পূবাইলের মেঘডুবি গ্রামে চলে যান।

বাড়িতে যাওয়ার কিছুদিন পর সিজার অপারেশনের স্থানে ইনফেকশন দেখা দিলে পুনরায় ক্যাথারসিস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসরা রোগ নির্ণয় না করে শুধু ড্রেসিং করে বিদায় দেয়। এরপর মাহমুদা গত সোমবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসক ডা. কিবরিয়া অপারেশন করে রোগীর পেটের ভেতর থেকে গজ বের করেন।

ক্যাথারসিস মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. আহসানা আক্তার তারা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগীর পেটে ইনফেকশন হওয়ার পর আমাদের কাছে আসে নাই।

টঙ্গীতে প্রসূতির পেটে গজ রেখে সেলাইয়ের অভিযোগ

 যুগান্তর রিপোর্ট, টঙ্গী 
২৮ অক্টোবর ২০২০, ১০:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের টঙ্গী উপজেলার শিলমুন এলাকায় ক্যাথারসিস মেডিকেল সেন্টার নামের হাসপাতালে প্রসূতি মায়ের পেটে গজ রেখেই সেলাই করে দেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। প্রসূতি মাহমুদা আক্তারকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় বুধবার রোগীর স্বামী বাদী হয়ে হাসপাতালের পরিচালক রুহুল আমিন ও ডা. আহসানা আক্তার তারাকে আসামি করে টঙ্গী পূর্ব থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

রোগী মাহমুদা আক্তারের স্বামী আলকাছ উদ্দিন আহাম্মেদ জানান, গত ১৮ আগস্ট তার স্ত্রী মাহমুদা আক্তারের প্রসব ব্যথা দেখা দিলে টঙ্গীর শিলমুনস্থ হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে নেয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকরা নারমাল ডেলিভারির চেষ্টা না করে দ্রুত সিজার অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা ডেলিভারি করার পরামর্শ দেন। অন্যথায় রোগীর অবস্থা খারাপ হবে বলে ভয়-ভীতি দেখান।

একপর্যায়ে নিরূপায় হয়ে রোগীর স্বজনরা সিজার অপারেশনের মাধ্যমে বাচ্চা ডেলিভারি করার জন্য রাজি হয়। ওইদিন বিকালে ডা. আহসানা আক্তার তারা রোগীর অপারেশন করলে একটি কন্যা সন্তান ভূমিষ্ট হয়। পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গত ২০ আগস্ট প্রসূতি মা ও কন্যা শিশুকে নিয়ে পূবাইলের মেঘডুবি গ্রামে চলে যান।

বাড়িতে যাওয়ার কিছুদিন পর সিজার অপারেশনের স্থানে ইনফেকশন দেখা দিলে পুনরায় ক্যাথারসিস হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসরা রোগ নির্ণয় না করে শুধু ড্রেসিং করে বিদায় দেয়। এরপর মাহমুদা গত সোমবার গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে ঢাকার ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখানকার চিকিৎসক ডা. কিবরিয়া অপারেশন করে রোগীর পেটের ভেতর থেকে গজ বের করেন।

ক্যাথারসিস মেডিকেল সেন্টারের চিকিৎসক ডা. আহসানা আক্তার তারা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রোগীর পেটে ইনফেকশন হওয়ার পর আমাদের কাছে আসে নাই।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন