পুঠিয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু
jugantor
পুঠিয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু

  পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৬:১৫  |  অনলাইন সংস্করণ

পুঠিয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় আল-মাহদী নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় শাবানা বেগম (২৬) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিজার করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়।

মৃত শাবানা বেগম দুর্গাপুর উপজেলার পালসা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী।

প্রসূতির স্বামী দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার স্ত্রীর প্রসব ব্যথা শুরু হলে আমরা বিকাল ৪টার দিকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করি।

ভর্তির পর ক্লিনিক মালিক আমাকে বলেন, বাচ্চার পজিশন খারাপ জরুরি সিজার করাতে হবে। স্ত্রী ও আগত সন্তানের কথা চিন্তা করে আমি সিজার করার অনুমতি দিই। ক্লিনিক মালিক সন্ধ্যার ৬টার দিকে তাকে সিজার করানোর জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ক্লিনিক মালিক মনসুর রহমান আমাদের একটা ছেলেসন্তান হয়েছে বলে জানান।

তবে তার মায়ের অবস্থা ভালো না বলে জানান। এর কিছুক্ষণ পর বলেন, আমার স্ত্রী মারা গেছেন।

এ বিষয়ে আল মাহদী ক্লিনিক মালিক মনসুর রহমান বলেন, ডা. শাহনেওয়াজ হক ফয়সাল এই অপারেশন করেছেন। ঠিক কী কারণে রোগীর মৃত্যু ঘটেছে তা দেখা হচ্ছে।
অতীতেও পুঠিয়া সদরের আল-মাহদী ক্লিনিকে বেশ কয়েকটি রোগী মারা গিয়েছিল। উপজেলা প্রশাসন দীর্ঘদিন ক্লিনিক সিলগালা করে রেখেছিলেন। চলতি বছরের শুরুতে বন্ধ ক্লিনিকটি পুনরায় চালু করেছে।

এ বিষয়ে থানার ওসি রেজাউল ইসলাম বলেন, অনুমতি ছাড়া ক্লিনিক চালু করা এবং ক্লিনিকটি অপরিষ্কার রাখার অপরাধে মালিককে দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

তবে কী কারণে প্রসূতির মৃত্যু হলো, তা নির্ণয়ের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লিনিক সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

পুঠিয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু

 পুঠিয়া (রাজশাহী) প্রতিনিধি 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ১২:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পুঠিয়ায় চিকিৎসকের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু
ফাইল ছবি

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় আল-মাহদী নামে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসকের অবহেলায় শাবানা বেগম (২৬) নামে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিজার করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়।

মৃত শাবানা বেগম দুর্গাপুর উপজেলার পালসা গ্রামের দেলোয়ার হোসেনের স্ত্রী।

প্রসূতির স্বামী দেলোয়ার হোসেন বলেন, আমার স্ত্রীর প্রসব ব্যথা শুরু হলে আমরা বিকাল ৪টার দিকে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করি।

ভর্তির পর ক্লিনিক মালিক আমাকে বলেন, বাচ্চার পজিশন খারাপ জরুরি সিজার করাতে হবে। স্ত্রী ও আগত সন্তানের কথা চিন্তা করে আমি সিজার করার অনুমতি দিই। ক্লিনিক মালিক সন্ধ্যার ৬টার দিকে তাকে সিজার করানোর জন্য অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে যায়। কিছুক্ষণ পর ক্লিনিক মালিক মনসুর রহমান আমাদের একটা ছেলেসন্তান হয়েছে বলে জানান।

তবে তার মায়ের অবস্থা ভালো না বলে জানান। এর কিছুক্ষণ পর বলেন, আমার স্ত্রী মারা গেছেন।

এ বিষয়ে আল মাহদী ক্লিনিক মালিক মনসুর রহমান বলেন, ডা. শাহনেওয়াজ হক ফয়সাল এই অপারেশন করেছেন। ঠিক কী কারণে রোগীর মৃত্যু ঘটেছে তা দেখা হচ্ছে।
অতীতেও পুঠিয়া সদরের আল-মাহদী ক্লিনিকে বেশ কয়েকটি রোগী মারা গিয়েছিল। উপজেলা প্রশাসন দীর্ঘদিন ক্লিনিক সিলগালা করে রেখেছিলেন।  চলতি বছরের শুরুতে বন্ধ ক্লিনিকটি পুনরায় চালু করেছে।

এ বিষয়ে থানার ওসি রেজাউল ইসলাম বলেন, অনুমতি ছাড়া ক্লিনিক চালু করা এবং ক্লিনিকটি অপরিষ্কার রাখার অপরাধে মালিককে দুই মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

তবে কী কারণে প্রসূতির মৃত্যু হলো, তা নির্ণয়ের জন্য তিন সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করে দেয়া হয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ক্লিনিক সিলগালা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন