বাল্যবিয়ে বদলে গেল মিলাদ মাহফিলে
jugantor
বাল্যবিয়ে বদলে গেল মিলাদ মাহফিলে

  শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৮:০১:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে প্রশাসনের উপস্থিতি দেখে বাল্যবিয়ের আয়োজন বদলে গেল মিলাদ মাহফিলে। মেয়ের বাবা ও স্থানীয় মুরব্বিরা বলেন- বিয়ে নয়, এখানে মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। পরে প্রশাসনের জেরার মুখে বিয়ে অনুষ্ঠানের কথা স্বীকার করেন তারা।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে উপজেলা প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দিয়েছেন পিতা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার নছরতপুর গ্রামে স্কুলছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ‘বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ অনুযায়ী বিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের নছরতপুর গ্রামের আবদুল হাইয়ের পুত্র খোকন মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মো. সফিক মিয়ার স্কুলপড়ুয়া কন্যার বিয়ের দিন তারিখ ছিল বৃহস্পতিবার। মেয়ের বিয়ের সব আয়োজন শেষ করেছিলেন সফিক মিয়া। বরপক্ষের লোকজনের জন্য ভূরিভোজের ব্যবস্থাও করেছিলেন বাড়ির আঙিনায়।

তবে মেয়েটি অপ্রাপ্ত এমন সংবাদ শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের লোকজন বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়।

মেয়ের বাবা সফিক মিয়া মুচলেকা দিয়ে জেল-জরিমানা থেকে রক্ষা পেলেও মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে অঙ্গীকার করেন। মেয়েটি স্থানীয় নুরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেনসহ শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেতেই বাল্যবিয়ে বদলে মিলাদ মাহফিল হয়ে যায়। তারপর আমাদের জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা বেরিয়ে আসে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, পুরুষের ক্ষেত্রে ২১ ও মেয়ের বয়স ১৮ না হলে আইনত অপ্রাপ্তবয়স্ক। আজকে অপ্রাপ্ত বয়সের একটি মেয়ের বিয়ে ছিল জেনে আমরা আইন অনুযায়ী বন্ধ করেছি। এটি মূলত রাষ্ট্রীয় আইন অক্ষুণ্ণ রাখা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার জন্য আমরা সরকারের এ কাজগুলো করছি।

বাল্যবিয়ে বদলে গেল মিলাদ মাহফিলে

 শায়েস্তাগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৬:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জে প্রশাসনের উপস্থিতি দেখে বাল্যবিয়ের আয়োজন বদলে গেল মিলাদ মাহফিলে। মেয়ের বাবা ও স্থানীয় মুরব্বিরা বলেন- বিয়ে নয়, এখানে মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে। পরে প্রশাসনের জেরার মুখে বিয়ে অনুষ্ঠানের কথা স্বীকার করেন তারা।

শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলায় অষ্টম শ্রেণির ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করেছে উপজেলা প্রশাসন। একই সঙ্গে মেয়ে প্রাপ্ত বয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে উপজেলা প্রশাসনের কাছে মুচলেকা দিয়েছেন পিতা।

বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় উপজেলার নছরতপুর গ্রামে স্কুলছাত্রীর বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ‘বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন-২০১৭’ অনুযায়ী বিয়ে বন্ধ করে দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরপুর ইউনিয়নের নছরতপুর গ্রামের আবদুল হাইয়ের পুত্র খোকন মিয়ার সঙ্গে একই গ্রামের মো. সফিক মিয়ার স্কুলপড়ুয়া কন্যার বিয়ের দিন তারিখ ছিল বৃহস্পতিবার। মেয়ের বিয়ের সব আয়োজন শেষ করেছিলেন সফিক মিয়া। বরপক্ষের লোকজনের জন্য ভূরিভোজের ব্যবস্থাও করেছিলেন বাড়ির আঙিনায়।

তবে মেয়েটি অপ্রাপ্ত এমন সংবাদ শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ জানতে পেরে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবগত করেন। পরে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের লোকজন বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেয়।

মেয়ের বাবা সফিক মিয়া মুচলেকা দিয়ে জেল-জরিমানা থেকে রক্ষা পেলেও মেয়ে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে অঙ্গীকার করেন। মেয়েটি স্থানীয় নুরপুর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সাদ্দাম হোসেনসহ শায়েস্তাগঞ্জ থানা পুলিশের একটি দল।

শায়েস্তাগঞ্জ থানার ওসি অজয় চন্দ্র দেব বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যেতেই বাল্যবিয়ে বদলে মিলাদ মাহফিল হয়ে যায়। তারপর আমাদের জিজ্ঞাসাবাদে সত্যতা বেরিয়ে আসে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মিনহাজুল ইসলাম বলেন, পুরুষের ক্ষেত্রে ২১ ও মেয়ের বয়স ১৮ না হলে আইনত অপ্রাপ্তবয়স্ক। আজকে অপ্রাপ্ত বয়সের একটি মেয়ের বিয়ে ছিল জেনে আমরা আইন অনুযায়ী বন্ধ করেছি। এটি মূলত রাষ্ট্রীয় আইন অক্ষুণ্ণ রাখা এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুস্থ ও স্বাভাবিক রাখার জন্য আমরা সরকারের এ কাজগুলো করছি।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন