ডাকাতির গরু জবাই করে মাংস বিক্রি ওদের পেশা
jugantor
ডাকাতির গরু জবাই করে মাংস বিক্রি ওদের পেশা

  কুমিল্লা ব্যুরো  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৮:১০:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় বিজিবির পোশাক পরে গরু ডাকাতির ঘটনায় চক্রের মূলহোতাসহ তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কুমিল্লায় বিজিবির পোশাক পরে গরু ডাকাতির ঘটনায় চক্রের মূলহোতাসহ তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে নগদ টাকাসহ ডাকাত চক্রের ওই তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই চক্রকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃতরা হল- জেলার দেবিদ্বার উপজেলার চুলাশ গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪০)। তার সহযোগী অপর দুই সদস্য নগরীর চর্থা এলাকার রুপা মিয়ার ছেলে মো. সহিদ মিয়া (৩৫) ও মাসুম মিয়া (৩৮)। সহিদ ও মাসুম পেশায় মাংস বিক্রেতা। তারা দীর্ঘদিন ধরে চোরাই ও ডাকাতি করা গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করে আসছিল।

পুলিশ সুপার মো. সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম জানান, গত ২২ অক্টোবর মধ্যরাতে বিজিবির পরিচয়ে ৫-৬ জনের একটি ডাকাত দল কোতোয়ালি মডেল থানার ঘিলাতলী গ্রামের মনিরুল ইসলামের মালিকানাধীন চৌধুরী ডেইরি ফার্ম থেকে ১৬ গরু লুটে নেয়।

এ সময় ডাকাতদের পরনে বিজিবির পোশাক ছিল। তাদের একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও বাকিদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। ডাকাত দল অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নৈশপ্রহরী মহব্বত ও তার স্ত্রী পুত্র-কন্যাদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে খামার থেকে ১২টি দেশি-বিদেশি দুগ্ধজাত গাভী ও ৪টি বাছুর ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে চৌধুরীর ফার্মের মালিক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে দুটি দল নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে বুধবার মূলহোতা দেবিদ্বার উপজেলার চুলাশ গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলীকে (৪০) আটক করে। পরে এই চক্রের আরো দুই সদস্য কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকার রুপা মিয়ার ছেলে মো. সহিদ মিয়া (৩৫) ও তার ভাই মানুম মিয়াকে (৩৮) আটক করে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, আটককৃতরা কুমিল্লাসহ আশপাশের জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি/ডাকাতি করে নিয়া আস গরুগুলো সহিদ ও মাসুম মিয়ার কাছে দিলে তারা জবাই করে মাংস বিক্রি করা ছাড়াও ক্ষেত্রবিশেষে অন্যত্রও বিক্রি করে দিতো। এই পুরো সিন্ডিকেটের সাথে ৪০-৪৫ জন জড়িত রয়েছে। পুরো চক্রটি আটকের জন্য কুমিল্লা জেলা পুলিশ অভিযান অব্যহত রেখেছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অর্থ ও প্রশাসন) আজিম উল-আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমন, কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল হকসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।

ডাকাতির গরু জবাই করে মাংস বিক্রি ওদের পেশা

 কুমিল্লা ব্যুরো 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৬:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
কুমিল্লায় বিজিবির পোশাক পরে গরু ডাকাতির ঘটনায় চক্রের মূলহোতাসহ তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কুমিল্লায় বিজিবির পোশাক পরে গরু ডাকাতির ঘটনায় চক্রের মূলহোতাসহ তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

কুমিল্লায় বিজিবির পোশাক পরে গরু ডাকাতির ঘটনায় চক্রের মূলহোতাসহ তিন ডাকাত সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার রাতে অভিযান পরিচালনা করে নগদ টাকাসহ ডাকাত চক্রের ওই তিন সদস্যকে গ্রেফতার করে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ওই চক্রকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম। গ্রেফতারকৃতরা হল- জেলার দেবিদ্বার উপজেলার চুলাশ গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলী (৪০)। তার সহযোগী অপর দুই সদস্য নগরীর চর্থা এলাকার রুপা মিয়ার ছেলে মো. সহিদ মিয়া (৩৫) ও মাসুম মিয়া (৩৮)। সহিদ ও মাসুম পেশায় মাংস বিক্রেতা। তারা দীর্ঘদিন ধরে চোরাই ও ডাকাতি করা গরু জবাই করে মাংস বিক্রি করে আসছিল।

পুলিশ সুপার মো. সৈয়দ নুরুল ইসলাম বিপিএম (বার) পিপিএম জানান, গত ২২ অক্টোবর মধ্যরাতে বিজিবির পরিচয়ে ৫-৬ জনের একটি ডাকাত দল কোতোয়ালি মডেল থানার ঘিলাতলী গ্রামের মনিরুল ইসলামের মালিকানাধীন চৌধুরী ডেইরি ফার্ম থেকে ১৬ গরু লুটে নেয়।

এ সময় ডাকাতদের পরনে বিজিবির পোশাক ছিল। তাদের একজনের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ও বাকিদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ছিল। ডাকাত দল অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে নৈশপ্রহরী মহব্বত ও তার স্ত্রী পুত্র-কন্যাদের হাত-পা বেঁধে জিম্মি করে খামার থেকে ১২টি দেশি-বিদেশি দুগ্ধজাত গাভী ও ৪টি বাছুর ডাকাতি করে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে চৌধুরীর ফার্মের মালিক মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম চৌধুরী বাদী হয়ে কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি ডাকাতি মামলা দায়ের করেন। মামলার পর থেকে কোতোয়ালি থানা ও ডিবি পুলিশের সমন্বয়ে দুটি দল নিরবচ্ছিন্ন অভিযান পরিচালনা করে বুধবার মূলহোতা দেবিদ্বার উপজেলার চুলাশ গ্রামের হানিফ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ আলীকে (৪০) আটক করে। পরে এই চক্রের আরো দুই সদস্য কুমিল্লা নগরীর দক্ষিণ চর্থা এলাকার রুপা মিয়ার ছেলে মো. সহিদ মিয়া (৩৫) ও তার ভাই মানুম মিয়াকে (৩৮) আটক করে।

পুলিশ সুপার আরও জানান, আটককৃতরা কুমিল্লাসহ আশপাশের জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে চুরি/ডাকাতি করে নিয়া আস গরুগুলো সহিদ ও মাসুম মিয়ার কাছে দিলে তারা জবাই করে মাংস বিক্রি করা ছাড়াও ক্ষেত্রবিশেষে অন্যত্রও বিক্রি করে দিতো। এই পুরো সিন্ডিকেটের সাথে ৪০-৪৫ জন জড়িত রয়েছে। পুরো চক্রটি আটকের জন্য কুমিল্লা জেলা পুলিশ অভিযান অব্যহত রেখেছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( অর্থ ও প্রশাসন) আজিম উল-আহসান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) শাহরিয়ার মোহাম্মদ মিয়াজি, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) তানভীর সালেহীন ইমন, কোতোয়ালি মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ আনোয়ারুল হকসহ জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন