অন্তঃসত্ত্বাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, আদালতে মামলা
jugantor
অন্তঃসত্ত্বাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, আদালতে মামলা

  কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৮:৫৮:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে (১৯) যশোরের নওয়াপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চারজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম জানান, ধর্ষিতা গৃহবধূর স্বামী চুয়াডাঙ্গা থেকে যশোর সড়কে চলাচলকারী শাপলা পরিবহনের হেলপার। তার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে। আর গৃহবধূর বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে। দুই বছর আগে তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ পাঁচ মাসের গর্ভবতী।

তিনি জানান, ১০ অক্টোবর তার স্বামী ফোনে জানান- দুপুরে বারোবাজার বাসস্ট্যান্ডে এসে গাড়িতে উঠলে তাকে বারীনগর বাজারে নামিয়ে দেবে। স্বামীর কথা অনুযায়ী ঘটনার দিন দুপুরে বারোবাজার বাসস্ট্যান্ডে আসেন। ওই সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বাবারবাড়ির পার্শ্ববর্তী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের তিন যুবক মথুরাপুর পৌঁছে দেবে বলে ওই সড়কে চলাচলকারী গড়াই পরিবহনে তুলে যশোরের নওয়াপাড়ায় একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে।

এরপর পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুল চার দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এর মধ্যে প্রধান আসামি পিয়াস শাপলা পরিবহনের সুপারভাইজার। পরে মেয়েটিকে তারা ছেড়ে দিলে সে বাবার বাড়ি চলে আসে। তখন নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে মামলা না দিতে চাপ দিতে থাকে।

পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী আরও জানান, মামলা হয়েছে। এখন আদালতের প্রক্রিয়া অনুসারে বিচারকার্য চলবে।

অন্তঃসত্ত্বাকে ৪ দিন আটকে রেখে ধর্ষণ, আদালতে মামলা

 কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৫৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে পাঁচ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক গৃহবধূকে (১৯) যশোরের নওয়াপাড়া এলাকার একটি বাড়িতে চার দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে ঝিনাইদহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে চারজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী আকিদুল ইসলাম জানান, ধর্ষিতা গৃহবধূর স্বামী চুয়াডাঙ্গা থেকে যশোর সড়কে চলাচলকারী শাপলা পরিবহনের হেলপার। তার বাড়ি যশোর সদর উপজেলার মথুরাপুর গ্রামে। আর গৃহবধূর বাড়ি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামে। দুই বছর আগে তাদের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। বর্তমানে ওই গৃহবধূ পাঁচ মাসের গর্ভবতী।

তিনি জানান, ১০ অক্টোবর তার স্বামী ফোনে জানান- দুপুরে বারোবাজার বাসস্ট্যান্ডে এসে গাড়িতে উঠলে তাকে বারীনগর বাজারে নামিয়ে দেবে। স্বামীর কথা অনুযায়ী ঘটনার দিন দুপুরে বারোবাজার বাসস্ট্যান্ডে আসেন। ওই সময় সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা বাবারবাড়ির পার্শ্ববর্তী উপজেলার তেঁতুলবাড়িয়া গ্রামের তিন যুবক মথুরাপুর পৌঁছে দেবে বলে ওই সড়কে চলাচলকারী গড়াই পরিবহনে তুলে যশোরের নওয়াপাড়ায় একটি বাড়িতে নিয়ে আটকে রাখে।

এরপর পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুল চার দিন আটকে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এর মধ্যে প্রধান আসামি পিয়াস শাপলা পরিবহনের সুপারভাইজার। পরে মেয়েটিকে তারা ছেড়ে দিলে সে বাবার বাড়ি চলে আসে। তখন নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে ওই গৃহবধূকে মামলা না দিতে চাপ দিতে থাকে।

পরে বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে পিয়াস, তরু, রাকিব ও তরিকুলের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।

আইনজীবী আরও জানান, মামলা হয়েছে। এখন আদালতের প্রক্রিয়া অনুসারে বিচারকার্য চলবে।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন