স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের কর্মসূচি বয়কট করলেন পাবনার সাংবাদিকরা
jugantor
স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের কর্মসূচি বয়কট করলেন পাবনার সাংবাদিকরা

  পাবনা প্রতিনিধি  

২৯ অক্টোবর ২০২০, ১৯:০১:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় স্বাস্থ্য বিভাগের সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ঢাকতে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের মুখোমুখি হতে দেননি সিভিল সার্জন। এজন্য বৃহস্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের মতবিনিময় সভা থেকে মিডিয়াকর্মীদের বের করে দেন।

সভা থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেয়া এবং অশোভন আচরণের প্রতিবাদে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সব কর্মসূচি বয়কট করেন পাবনার সাংবাদিকরা। এছাড়া পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবালকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানান সাংবাদিকরা।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বৃহস্পতিবার পাবনার সিভিল সার্জন অফিস, পাবনা মেডিকেল কলেজ, পাবনা মানসিক হাসপাতাল, পাবনা টিবি ক্লিনিক ও ২৫০ শয্যার পাবনা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে সকাল ৯টার দিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ সুধীজনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি।

এ সভায় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হলে বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্যামেরাপারসন সভায় উপস্থিত হন। কিন্তু সভা চলাকালে পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে আকস্মিকভাবে সাংবাদিক এবং ক্যামেরাপারসনদের সভা কক্ষ থেকে বের করে দেন।

সভায় উপস্থিত সিনিয়র সাংবাদিকরা এ অশোভন আচরণের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, সিভিল সার্জনের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতায় এ জেলায় এখন পর্যন্ত পিসিআর ল্যাব বা কোভিড টেস্টের কোনো ব্যবস্থা হয়নি। জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো চিকিৎসা নেই। এছাড়া নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ডুবে গেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। নিজেদের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ঢাকতে সাংবাদিকদের ডিজির মুখোমুখি হতে দেয়নি সিভিল সার্জন।

সভায় উপস্থিত একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, এ ধরনের অসভ্যতা গোটা সাংবাদিক সমাজের অপমান। সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে আবার এত রূঢ়ভাষায় সাংবাদিকদের বের করে দেয়ার ঘটনা খুবই অপমানজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, এই সিভিল সার্জন মানসিক ভারসাম্যহীন। ডিজির সামনে এ ধরনের ঘটনা কোনোমতেই কাম্য নয়। আমরা এজন্য নিজেরা লজ্জিত।

সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল বলেন, এ ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ঘটনার জন্য আমি লজ্জিত।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে কয়েকবার ফোন দিলে তিনি খুদেবার্তার মাধ্যমে সব কথা জানাতে বলেন।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের কর্মসূচি বয়কট করলেন পাবনার সাংবাদিকরা

 পাবনা প্রতিনিধি 
২৯ অক্টোবর ২০২০, ০৭:০১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনায় স্বাস্থ্য বিভাগের সীমাহীন অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ঢাকতে সাংবাদিকদের স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের মুখোমুখি হতে দেননি সিভিল সার্জন। এজন্য বৃহস্পতিবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমের মতবিনিময় সভা থেকে মিডিয়াকর্মীদের বের করে দেন।

সভা থেকে সাংবাদিকদের বের করে দেয়া এবং অশোভন আচরণের প্রতিবাদে স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের সব কর্মসূচি বয়কট করেন পাবনার সাংবাদিকরা। এছাড়া পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবালকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাহারের দাবি জানান সাংবাদিকরা।

স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম বৃহস্পতিবার পাবনার সিভিল সার্জন অফিস, পাবনা মেডিকেল কলেজ, পাবনা মানসিক হাসপাতাল, পাবনা টিবি ক্লিনিক ও ২৫০ শয্যার পাবনা জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনে আসেন। এ উপলক্ষে সকাল ৯টার দিকে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ সুধীজনের সঙ্গে বৈঠকে বসেন তিনি।

এ সভায় সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানানো হলে বেশ কয়েকজন সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্যামেরাপারসন সভায় উপস্থিত হন। কিন্তু সভা চলাকালে পাবনার সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল স্বাস্থ্য মহাপরিচালকের উপস্থিতিতে আকস্মিকভাবে সাংবাদিক এবং ক্যামেরাপারসনদের সভা কক্ষ থেকে বের করে দেন।

সভায় উপস্থিত সিনিয়র সাংবাদিকরা এ অশোভন আচরণের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়ে বলেন, সিভিল সার্জনের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতায় এ জেলায় এখন পর্যন্ত পিসিআর ল্যাব বা কোভিড টেস্টের কোনো ব্যবস্থা হয়নি। জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো চিকিৎসা নেই। এছাড়া নানা ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতিতে ডুবে গেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। নিজেদের অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যর্থতা ঢাকতে সাংবাদিকদের ডিজির মুখোমুখি হতে দেয়নি সিভিল সার্জন।

সভায় উপস্থিত একজন সিনিয়র সাংবাদিক বলেন, এ ধরনের অসভ্যতা গোটা সাংবাদিক সমাজের অপমান। সাংবাদিকদের আমন্ত্রণ জানিয়ে আবার এত রূঢ়ভাষায় সাংবাদিকদের বের করে দেয়ার ঘটনা খুবই অপমানজনক।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সভায় উপস্থিত স্বাস্থ্য বিভাগের একাধিক কর্মকর্তা সাংবাদিকদের বলেন, এই সিভিল সার্জন মানসিক ভারসাম্যহীন। ডিজির সামনে এ ধরনের ঘটনা কোনোমতেই কাম্য নয়। আমরা এজন্য নিজেরা লজ্জিত।

সিভিল সার্জন ডা. মেহেদী ইকবাল বলেন, এ ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। এ ঘটনার জন্য আমি লজ্জিত।

এ ব্যাপারে স্বাস্থ্য মহাপরিচালক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমকে কয়েকবার ফোন দিলে তিনি খুদেবার্তার মাধ্যমে সব কথা জানাতে বলেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন