মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রাব্বি হৃদয় হাসান বরিশাল কারাগারে
jugantor
রিফাত শরীফ হত্যা
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রাব্বি হৃদয় হাসান বরিশাল কারাগারে

  যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা  

৩০ অক্টোবর ২০২০, ২০:৫৩:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় বহুল আলোচিত শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে বরগুনা কারাগার থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় তাদের বরগুনা থেকে বরিশালে নেয়া হয়। এ সময় আসামির স্বজনরা জেল গেটে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় ও মো. হাসান।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

৩০ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামার। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই মামলার অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

বরগুনা জেলা কারাগারের জেলার আবু ইউসুফ যুগান্তরকে বলেন, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে কঠোর নিরাপত্তায় বরগুনা কারাগার থেকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুইজন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি ও মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাতের বিরুদ্ধে বরগুনা আদালতে অন্য মামলা থাকায় তাদেরকে পাঠানো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা থেকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে নয়ন বন্ড ও তার দোসররা।এরপর তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই দিন বিকালে রিফাত শরীফ মারা যান। পরের দিন ২৭ জুন নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় নয়ন বন্ডসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এই মামলায়।

৩০ সেপ্টেম্বর এই মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রায়ে নিহত রিফাতের স্ত্রী মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া এই মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির রায় ঘোষণা হয় ২৭ অক্টোবর। বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ছয়জনকে ১০ বছর করে, চারজনকে ৫ বছর করে ও একজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দেয়। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেন শিশু আদালত।

রিফাত শরীফ হত্যা

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত রাব্বি হৃদয় হাসান বরিশাল কারাগারে

 যুগান্তর রিপোর্ট, বরগুনা 
৩০ অক্টোবর ২০২০, ০৮:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনায় বহুল আলোচিত শাহনেওয়াজ রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে বরগুনা কারাগার থেকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কঠোর নিরাপত্তায় তাদের বরগুনা থেকে বরিশালে নেয়া হয়। এ সময় আসামির স্বজনরা জেল গেটে কান্নায় ভেঙ্গে পরেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হল, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয় ও মো. হাসান।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে কাশিমপুর কারাগারে স্থানান্তর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

৩০ সেপ্টেম্বর রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির মধ্যে ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয় বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আছাদুজ্জামার। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ওই মামলার অপর চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেয়া হয়।

বরগুনা জেলা কারাগারের জেলার আবু ইউসুফ যুগান্তরকে বলেন, শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে একটি প্রিজন ভ্যানে কঠোর নিরাপত্তায় বরগুনা কারাগার থেকে রিফাত শরীফ হত্যা মামলার ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামিকে বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি দুইজন রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজি ও মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাতের বিরুদ্ধে বরগুনা আদালতে অন্য মামলা থাকায় তাদেরকে পাঠানো হয়নি।

তিনি আরও বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৭টার দিকে নিহত রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে বরগুনা থেকে কাশিমপুর মহিলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৬ জুন সকালে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত শরীফকে তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নির সামনে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে নয়ন বন্ড ও তার দোসররা।এরপর তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। ওই দিন বিকালে রিফাত শরীফ মারা যান। পরের দিন ২৭ জুন নিহত রিফাতের বাবা আবদুল হালিম দুলাল শরীফ বাদী হয়ে বরগুনা থানায় নয়ন বন্ডসহ ১২ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি রিফাত শরীফ হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। এরপর ৮ জানুয়ারি থেকে প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু করেন আদালত। মোট ৭৬ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়েছে এই মামলায়।

৩০ সেপ্টেম্বর এই মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির রায় ঘোষণা করেন বরগুনার জেলা ও দায়রা জজ আদালত। রায়ে নিহত রিফাতের স্ত্রী মিন্নিসহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়।

এ ছাড়া এই মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক ১৪ আসামির রায় ঘোষণা হয় ২৭ অক্টোবর। বরগুনার শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান ছয়জনকে ১০ বছর করে, চারজনকে ৫ বছর করে ও একজনকে তিন বছর কারাদণ্ড দেয়। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় এই মামলার তিন আসামিকে বেকসুর খালাস দেন শিশু আদালত।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন