প্রতারণার মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন
jugantor
প্রতারণার মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

  বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি  

০৪ নভেম্বর ২০২০, ২০:৫২:১৬  |  অনলাইন সংস্করণ

বিরামপুরে চার্চের নামে জমি দান এবং সাঁওতাল থেকে খ্রিস্টান হয়েও চাকরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে ভুক্তভোগী লোকজন বুধবার দিঘলচাঁদ গ্রামে ইউনাইটেড বেথানি চার্চের সামনে মানববন্ধন করেছেন।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে প্রকাশ- পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার বড় পাদুমপুর গ্রামের রেভা ইলিয়াস সরেন বিরামপুর উপজেলার দিঘলচাঁদ গ্রামের সাঁওতাল সম্প্রদায়ের ১২টি পরিবারের ৩০ জন লোককে ২০০৬ সালের ২৬ জুন খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করেন। ওই সময় রেভা ইলিয়াস সরেন ধর্মান্তরিতদের চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আশ্বাস দেন।

ধর্মান্তরিত হওয়ার পর ওই সব পরিবারের লোকজন চাকরি ও সুযোগ-সুবিধা চাইলে দীক্ষিতদের কাছ থেকে চার্চ করার জন্য জমি চাওয়া হয়। রেভা ইলিয়াস সরেনের প্রলোভনে পড়ে গ্রামবাসীর পক্ষে গ্রামের মুচিয়া মার্ডি ৩৩ শতক জমি দান করেন। সেখানে ২০০৮ সালে ইউনাইটেড বেথানি চার্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

জমি দানকারী মুচিয়া মার্ডির ছেলে ইটভাটা শ্রমিক বিশাল মার্ডি ও মিল্টন মার্ডি যুগান্তরকে বলেন, ওই চার্চে অন্যান্য এলাকা থেকে লোক এনে চাকরি দেয়া হলেও ধর্মান্তরিত বা জমি দাতার কাউকে চাকরি বা কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়নি। সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য লোকজনও একই অভিযোগ করেন।

বিষয়টি নিয়ে চার্চ কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে স্থানীয় খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান বৈঠক করেও কোনো সুরাহা করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে সুবিচার চেয়ে অবশেষে তারা মানববন্ধনের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করে চার্চ কর্তৃপক্ষের সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী যুগান্তরকে বলেন, দিঘলচাঁদ গ্রামের ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। ধর্মান্তরিত লোকজন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেও কোনো সুরাহা করা যায়নি।

উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন পাহান যুগান্তরকে বলেন, এ ব্যাপারে তিনিও সুরাহার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

দিঘলচাঁদ গ্রামের ইউনাইটেড বেথানি চার্চের পরিচালক রেভা ইলিয়াস সরেন যুগান্তরকে বলেন, কাউকে প্রলোভন ও আশ্বাস দিয়ে ধর্মান্তরিত করা হয়নি। অভিযোগকারীরা স্বেচ্ছায় সাঁওতাল ধর্ম থেকে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছেন। খ্রিস্টান ধর্মের প্রতি অনুগত হয়ে চার্চ নির্মাণের জন্য তারা জমি দান করেছেন।

প্রতারণার মাধ্যমে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ, প্রতিবাদে মানববন্ধন

 বিরামপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি 
০৪ নভেম্বর ২০২০, ০৮:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বিরামপুরে চার্চের নামে জমি দান এবং সাঁওতাল থেকে খ্রিস্টান হয়েও চাকরি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা না পেয়ে ভুক্তভোগী লোকজন বুধবার দিঘলচাঁদ গ্রামে ইউনাইটেড বেথানি চার্চের সামনে মানববন্ধন করেছেন।

ভুক্তভোগীদের লিখিত অভিযোগে প্রকাশ- পার্শ্ববর্তী নবাবগঞ্জ উপজেলার বড় পাদুমপুর গ্রামের রেভা ইলিয়াস সরেন বিরামপুর উপজেলার দিঘলচাঁদ গ্রামের সাঁওতাল সম্প্রদায়ের ১২টি পরিবারের ৩০ জন লোককে ২০০৬ সালের ২৬ জুন খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত করেন। ওই সময় রেভা ইলিয়াস সরেন ধর্মান্তরিতদের চাকরি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধার আশ্বাস দেন।

ধর্মান্তরিত হওয়ার পর ওই সব পরিবারের লোকজন চাকরি ও সুযোগ-সুবিধা চাইলে দীক্ষিতদের কাছ থেকে চার্চ করার জন্য জমি চাওয়া হয়। রেভা ইলিয়াস সরেনের প্রলোভনে পড়ে গ্রামবাসীর পক্ষে গ্রামের মুচিয়া মার্ডি ৩৩ শতক জমি দান করেন। সেখানে ২০০৮ সালে ইউনাইটেড বেথানি চার্চ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

জমি দানকারী মুচিয়া মার্ডির ছেলে ইটভাটা শ্রমিক বিশাল মার্ডি ও মিল্টন মার্ডি যুগান্তরকে বলেন, ওই চার্চে অন্যান্য এলাকা থেকে লোক এনে চাকরি দেয়া হলেও ধর্মান্তরিত বা জমি দাতার কাউকে চাকরি বা কোনো সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়নি। সুবিধাবঞ্চিত অন্যান্য লোকজনও একই অভিযোগ করেন।

বিষয়টি নিয়ে চার্চ কর্তৃপক্ষ ও ভুক্তভোগীদের নিয়ে স্থানীয় খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান বৈঠক করেও কোনো সুরাহা করতে পারেননি। বাধ্য হয়ে সুবিচার চেয়ে অবশেষে তারা মানববন্ধনের মাধ্যমে তাদের ক্ষোভের কথা প্রকাশ করে চার্চ কর্তৃপক্ষের সুবিচারের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় খানপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলী যুগান্তরকে বলেন, দিঘলচাঁদ গ্রামের ভুক্তভোগীদের অভিযোগের সত্যতা রয়েছে। ধর্মান্তরিত লোকজন প্রতারণার শিকার হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে চার্চ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করেও কোনো সুরাহা করা যায়নি।

উপজেলা আদিবাসী সমাজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি চিত্তরঞ্জন পাহান যুগান্তরকে বলেন, এ ব্যাপারে তিনিও সুরাহার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

দিঘলচাঁদ গ্রামের ইউনাইটেড বেথানি চার্চের পরিচালক রেভা ইলিয়াস সরেন যুগান্তরকে বলেন, কাউকে প্রলোভন ও আশ্বাস দিয়ে ধর্মান্তরিত করা হয়নি। অভিযোগকারীরা স্বেচ্ছায় সাঁওতাল ধর্ম থেকে খ্রিস্টান ধর্ম গ্রহণ করেছেন। খ্রিস্টান ধর্মের প্রতি অনুগত হয়ে চার্চ নির্মাণের জন্য তারা জমি দান করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন