দৌড়ে পালিয়ে গণধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেলেন অন্তঃসত্ত্বা নার্স
jugantor
দৌড়ে পালিয়ে গণধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেলেন অন্তঃসত্ত্বা নার্স

  কুমিল্লা ব্যুরো  

০৫ নভেম্বর ২০২০, ২১:২০:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অন্তঃসত্ত্বা নার্সকে গণধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দৌড়ে পালিয়ে গণধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন ওই অন্তঃসত্ত্বা নার্স। এ ঘটনায় রিয়াদ (২২) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের মোস্তফাপুর কাচার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। রাত ১১টার দিকে নির্যাতিত ওই নার্সকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কালিরবাজার এলাকার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেবিকা (নার্স) হিসেবে কাজ করেন ওই তরুণী (২১)। বুধবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মোস্তফাপুর কাচার এলাকায় ওই তরুণীকে রাস্তা থেকে তুলে পার্শ্ববর্তী নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যায় ২-৩ জন যুবক। এ সময় যুবকরা তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

একপর্যায়ে ওই যুবকদের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে পালিয়ে আসেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী। খবর পেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা ও নাজিরাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করে।

ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মামা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে সড়কের পাশের মাচায় বসে থাকা স্থানীয় ওই বখাটেরা তার ভাগ্নির পথরোধ করে। পরে তাকে নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে তারা। ধস্তাধস্তির সময় বখাটেরা তাকে টর্চলাইট দিয়ে আঘাত ও মারধর করে। এরপর সে দৌড়ে পালিয়ে এসে পুলিশকে ঘটনাটি জানায়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আনোয়ারুল হক বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মাহবুব আলম জানান, ভর্তির সময় ওই তরুণী জানিয়েছেন তাকে ২-৩ জন মিলে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। নির্যাতিত ওই তরুণী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমরা তাকে সেবা দিয়েছি। তিনি এখন সুস্থ আছেন।

দৌড়ে পালিয়ে গণধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেলেন অন্তঃসত্ত্বা নার্স

 কুমিল্লা ব্যুরো 
০৫ নভেম্বর ২০২০, ০৯:২০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুমিল্লায় একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অন্তঃসত্ত্বা নার্সকে গণধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। দৌড়ে পালিয়ে গণধর্ষণের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন ওই অন্তঃসত্ত্বা নার্স। এ ঘটনায় রিয়াদ (২২) নামের একজনকে আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার কালিরবাজার ইউনিয়নের মোস্তফাপুর কাচার এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। রাত ১১টার দিকে নির্যাতিত ওই নার্সকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রেখেছে পুলিশ।  

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, কালিরবাজার এলাকার একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে সেবিকা (নার্স) হিসেবে কাজ করেন ওই তরুণী (২১)। বুধবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে মোস্তফাপুর কাচার এলাকায় ওই তরুণীকে রাস্তা থেকে তুলে পার্শ্ববর্তী নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যায় ২-৩ জন যুবক। এ সময় যুবকরা তরুণীকে ধর্ষণের চেষ্টা করে।

একপর্যায়ে ওই যুবকদের হাত থেকে বাঁচতে দৌড়ে পালিয়ে আসেন ভুক্তভোগী ওই তরুণী। খবর পেয়ে কুমিল্লা কোতোয়ালি থানা ও নাজিরাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। এ সময় পুলিশ ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করে।

ভুক্তভোগী ওই তরুণীর মামা জানান, প্রতিদিনের মতো বুধবার রাতে কর্মস্থল থেকে বাড়িতে ফেরার পথে সড়কের পাশের মাচায় বসে থাকা স্থানীয় ওই বখাটেরা তার ভাগ্নির পথরোধ করে। পরে তাকে নির্জন স্থানে তুলে নিয়ে নির্যাতন করে তারা। ধস্তাধস্তির সময় বখাটেরা তাকে টর্চলাইট দিয়ে আঘাত ও মারধর করে। এরপর সে দৌড়ে পালিয়ে এসে পুলিশকে ঘটনাটি জানায়।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. আনোয়ারুল হক বলেন, এ ঘটনার খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং একজনকে আটক করা হয়েছে। অপর অভিযুক্তদের আটকের চেষ্টা চলছে।

কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মাহবুব আলম  জানান, ভর্তির সময় ওই তরুণী জানিয়েছেন তাকে ২-৩ জন মিলে ধর্ষণের চেষ্টা করেছে। নির্যাতিত ওই তরুণী ৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমরা তাকে সেবা দিয়েছি। তিনি এখন সুস্থ আছেন।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন