নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত আ’লীগ নেতার মৃত্যু
jugantor
নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত আ’লীগ নেতার মৃত্যু

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

০৭ নভেম্বর ২০২০, ১৪:৫৩:২৯  |  অনলাইন সংস্করণ

সংঘর্ষ

নোয়াখালীর সদরে সংঘর্ষে আহত এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

মৃত আবদুল হক ওরফে হকসাব (৪৮) উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের চর করমুল্যা গ্রামের আমিন উল্যার ছেলে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের মান্নান গ্রুপের লোক ছিলেন।

সুধারাম থানার ওসি নবীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার সকাল ১০টায় দিকে চিকিৎসাধীন থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবদুল হক মারা যান।

দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করার পর কেউ মামলা না করায় তাদের ৫৪ ধারায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

নিহতের ফুফাতো ভাই ও এওজবালিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান অভিযোগ করেন, বাবুল ডাক্তারের মদদে যুবদল ও শিবির কর্মীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান এবং বাবুল ডাক্তারের সঙ্গে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বাকবিতণ্ডা হয়।

এর এক পর্যায়ে দুগ্রুপের মধ্যে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। সংঘর্ষে আবদুল হক গুরুতর আহত হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

নোয়াখালীতে সংঘর্ষে আহত আ’লীগ নেতার মৃত্যু

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
০৭ নভেম্বর ২০২০, ০২:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সংঘর্ষ
ফাইল ছবি

নোয়াখালীর সদরে সংঘর্ষে আহত এক আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু হয়েছে।

শনিবার সকাল ১০টায় দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে তার মৃত্যু হয়।

মৃত আবদুল হক ওরফে হকসাব (৪৮) উপজেলার এওজবালিয়া ইউনিয়নের চর করমুল্যা গ্রামের আমিন উল্যার ছেলে এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের মান্নান গ্রুপের লোক ছিলেন।

সুধারাম থানার ওসি নবীর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, শনিবার সকাল ১০টায় দিকে চিকিৎসাধীন থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আবদুল হক মারা যান।

দুগ্রুপের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করার পর কেউ মামলা না করায় তাদের ৫৪ ধারায় আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি।

নিহতের ফুফাতো ভাই ও এওজবালিয়া ইউনিয়ন আ’লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান অভিযোগ করেন, বাবুল ডাক্তারের মদদে যুবদল ও শিবির কর্মীরা এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

উল্লেখ্য, এওজবালিয়া ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আবদুল মান্নান এবং বাবুল ডাক্তারের সঙ্গে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বাকবিতণ্ডা হয়।

এর এক পর্যায়ে দুগ্রুপের মধ্যে স্থানীয় করমুল্যা বাজারে সংঘর্ষ বাধে। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়। সংঘর্ষে আবদুল হক গুরুতর আহত হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন