‘আর্থিক সহায়তা নয়, শুধু একটি চাকরি চাই’
jugantor
‘আর্থিক সহায়তা নয়, শুধু একটি চাকরি চাই’

  রংপুর ব্যুরো  

০৮ নভেম্বর ২০২০, ২২:৪৬:৩১  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। আমি কোনো আর্থিক সহায়তা চাই না, শুধু একটা সরকারি চাকরি চাই। যাতে ছেলে-মেয়েকে মানুষ করতে পারি। ওদের বাবা নেই। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নজিরবিহীন। স্বামীকে হারিয়ে দুই সন্তান নিয়ে আমি বড় অসহায়। প্রধানমন্ত্রী যদি একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দেন, তাহলে দুই সন্তানকে মানুষ করতে পারব।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে গুজব ছড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার আবু ইউনুছ মো. সহিদুন্নবী জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা এ কথা বলেন। রোববার স্বামী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে এক মানববন্ধন চলাকালে তিনি এ আর্তি জানান।

রোববার দুপুরে রংপুর প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলার চোখ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে আবু ইউনুছ মো. সহিদুন্নবী জুয়েল হত্যার বিচার দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি তানভীর হোসেন আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন- নিহত জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মণ্ডল, কারমাইকেল কলেজের সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মসিউর রহমান, শ্রমিক নেতা সিদ্দিক হোসেন, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেরিন উল মর্তুজা, মহানগর কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রাতুজ্জামান রাতুল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য শাহাবুল ইসলাম সাগর, রংপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি জসিম আহম্মেদ রিজভী, আহলে সুন্নত জামাতের ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে ফ্রান্সে বিশ্বনবী হজরত মোহম্মদ (সা.)-এর অবমাননা করে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও লালমনিরহাটের পাটগ্রাম বুড়িমারীতে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক লাইব্রেরিয়ান আবু ইউনুছ মো. সহিদুন্নবী জুয়েলকে গুজব ছড়িয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে জুয়েল হত্যা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারসহ সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

জুয়েল হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, বুড়িমারীতে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে জুয়েলকে হত্যার ঘটনাটি স্পর্শকাতর। এ মামলাটি দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার দাবিও জানানো হয়। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে সরকারপ্রধানের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

‘আর্থিক সহায়তা নয়, শুধু একটি চাকরি চাই’

 রংপুর ব্যুরো 
০৮ নভেম্বর ২০২০, ১০:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

‘আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই। আমি কোনো আর্থিক সহায়তা চাই না, শুধু একটা সরকারি চাকরি চাই। যাতে ছেলে-মেয়েকে মানুষ করতে পারি। ওদের বাবা নেই। এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা নজিরবিহীন। স্বামীকে হারিয়ে দুই সন্তান নিয়ে আমি বড় অসহায়। প্রধানমন্ত্রী যদি একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দেন, তাহলে দুই সন্তানকে মানুষ করতে পারব।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে গুজব ছড়িয়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার আবু ইউনুছ মো. সহিদুন্নবী জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা এ কথা বলেন। রোববার স্বামী হত্যাকাণ্ডের বিচারের দাবিতে এক মানববন্ধন চলাকালে তিনি এ আর্তি জানান। 

রোববার দুপুরে রংপুর প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলার চোখ নামের একটি সংগঠনের ব্যানারে আয়োজিত মানববন্ধন ও সমাবেশে আবু ইউনুছ মো. সহিদুন্নবী জুয়েল হত্যার বিচার দাবি জানানো হয়।

সংগঠনের সভাপতি তানভীর হোসেন আশরাফীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন- নিহত জুয়েলের স্ত্রী জেসমিন আক্তার মুক্তা, রংপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সফিয়ার রহমান সফি, সাধারণ সম্পাদক বাবু তুষার কান্তি মণ্ডল, কারমাইকেল কলেজের সাবেক ভিপি আলাউদ্দিন মিয়া, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মসিউর রহমান, শ্রমিক নেতা সিদ্দিক হোসেন, মহানগর ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেরিন উল মর্তুজা, মহানগর কমিউনিস্ট পার্টির সাধারণ সম্পাদক রাতুজ্জামান রাতুল, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জাসদের কেন্দ্রীয় সদস্য শাহাবুল ইসলাম সাগর, রংপুর সরকারি কলেজ শাখার সভাপতি জসিম আহম্মেদ রিজভী, আহলে সুন্নত জামাতের ইকবাল হোসেন প্রমুখ।

মানববন্ধন থেকে ফ্রান্সে বিশ্বনবী হজরত মোহম্মদ (সা.)-এর অবমাননা করে ব্যঙ্গচিত্র প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও লালমনিরহাটের পাটগ্রাম বুড়িমারীতে রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক লাইব্রেরিয়ান আবু ইউনুছ মো. সহিদুন্নবী জুয়েলকে গুজব ছড়িয়ে নির্মমভাবে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে হত্যার প্রতিবাদ জানানো হয়। একই সঙ্গে জুয়েল হত্যা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারসহ সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানান বক্তারা।

জুয়েল হত্যার ঘটনায় দ্রুত বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, বুড়িমারীতে পিটিয়ে ও পুড়িয়ে জুয়েলকে হত্যার ঘটনাটি স্পর্শকাতর। এ মামলাটি দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করার দাবিও জানানো হয়। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ প্রদান ও একটি সরকারি চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে সরকারপ্রধানের প্রতি আহ্বান জানান বক্তারা।

 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন